নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, নারীর সমঅধিকার এবং ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ।
বুধবার (১৮ মার্চ) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নারীর অবস্থা বিষয়ক কমিশনের ৭০তম অধিবেশনে বক্তব্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা দেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। পরিচয় বা সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থানের ভেদাভেদ ছাড়াই সকল নারী ও কন্যাশিশুর জন্য আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়া নিরাপদে জীবন যাপন করতে পারে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা অভিযানে বাংলাদেশি নারীদের অবদান বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত এবং ডিজিটাল বিভাজন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, যা বিশেষভাবে গ্রামীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ নারীদের ওপর প্রভাব ফেলছে।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণ এবং মানবপাচার প্রতিরোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করছে।
উল্লেখ্য, নারীর অবস্থা বিষয়ক কমিশনের ৭০তম অধিবেশন (সিএসডব্লিও৭০) ৯ থেকে ১৯ মার্চ নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অধিবেশনটি নারীর ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার, বৈষম্যমূলক আইন বাতিল ও কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে গুরুত্বারোপ করছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, নারীর সমঅধিকার এবং ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ।
বুধবার (১৮ মার্চ) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নারীর অবস্থা বিষয়ক কমিশনের ৭০তম অধিবেশনে বক্তব্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা দেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। পরিচয় বা সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থানের ভেদাভেদ ছাড়াই সকল নারী ও কন্যাশিশুর জন্য আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়া নিরাপদে জীবন যাপন করতে পারে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা অভিযানে বাংলাদেশি নারীদের অবদান বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত এবং ডিজিটাল বিভাজন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, যা বিশেষভাবে গ্রামীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ নারীদের ওপর প্রভাব ফেলছে।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণ এবং মানবপাচার প্রতিরোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করছে।
উল্লেখ্য, নারীর অবস্থা বিষয়ক কমিশনের ৭০তম অধিবেশন (সিএসডব্লিও৭০) ৯ থেকে ১৯ মার্চ নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অধিবেশনটি নারীর ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার, বৈষম্যমূলক আইন বাতিল ও কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে গুরুত্বারোপ করছে।

নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, নারীর সমঅধিকার এবং ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ।
বুধবার (১৮ মার্চ) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নারীর অবস্থা বিষয়ক কমিশনের ৭০তম অধিবেশনে বক্তব্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা দেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। পরিচয় বা সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থানের ভেদাভেদ ছাড়াই সকল নারী ও কন্যাশিশুর জন্য আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়া নিরাপদে জীবন যাপন করতে পারে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা অভিযানে বাংলাদেশি নারীদের অবদান বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত এবং ডিজিটাল বিভাজন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, যা বিশেষভাবে গ্রামীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ নারীদের ওপর প্রভাব ফেলছে।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণ এবং মানবপাচার প্রতিরোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করছে।
উল্লেখ্য, নারীর অবস্থা বিষয়ক কমিশনের ৭০তম অধিবেশন (সিএসডব্লিও৭০) ৯ থেকে ১৯ মার্চ নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অধিবেশনটি নারীর ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার, বৈষম্যমূলক আইন বাতিল ও কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে গুরুত্বারোপ করছে।




