নীতিমালা না করেই বিমানবন্দরের সম্পত্তি ইজারা শুরু

নীতিমালা না করেই বিমানবন্দরের সম্পত্তি ইজারা শুরু
সিটিজেন ডেস্ক

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের টানাপড়েনের অবসান ঘটিয়ে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে ফের সম্পত্তি ইজারা কার্যক্রম শুরু করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। ইজারা নীতিমালা নিয়ে তৈরি হওয়া মতবিরোধ শিথিল হওয়ায় ইতোমধ্যে জমা পড়া কয়েক হাজার আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নতুন করে এই কার্যক্রমে গতি ফিরেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে স্থবির হয়ে পড়া এই কার্যক্রমটি বর্তমান সরকারের সবুজ সংকেত পেয়ে পুনরায় সচল হয়েছে বলে জানিয়েছে বেবিচক সূত্র।
বেবিচকের সদস্য (অপারেশনস) মেহবুব খান জানান, ইজারা কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় কয়েক হাজার আবেদন জমা পড়েছে। বর্তমানে এসব আবেদনের বাছাই প্রক্রিয়া চলছে এবং চলতি অর্থবছরের মধ্যেই বরাদ্দ প্রদান শুরু হবে। তিনি আরও জানান, মন্ত্রণালয় নতুন একটি ইজারা নীতিমালা তৈরির কাজ করলেও সেটি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান ব্যবস্থাতেই দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের ৮টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরের সম্পত্তি ইজারা স্থগিত করা হয়। এরপর বিদ্যমান নীতিমালা পরিবর্তন করে নতুন বিধিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয় মন্ত্রণালয়। গত ১৮ জানুয়ারি নতুন খসড়া নীতিমালা পাঠিয়ে বেবিচকের মতামত চাওয়া হলে কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে চিঠি দেয় সংস্থাটি। বেবিচক যুক্তি দেয়, প্রস্তাবিত বিধিমালার কিছু ধারা আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) মানদণ্ডের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে, যা আন্তর্জাতিক অডিটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এছাড়া সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অ্যাক্ট-২০১৭ অনুযায়ী সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বেবিচকের ওপর ন্যস্ত থাকলেও নতুন খসড়ায় তাতে হস্তক্ষেপের শঙ্কা প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি উন্মুক্ত দরপত্রভিত্তিক পুরোনো জটিল ইজারা ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ জানায় সংস্থাটি।
নীতিমালা নিয়ে বিরোধ একপর্যায়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায়। অংশীজনদের মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত না হওয়ার অভিযোগ তুলে গত ৩ ফেব্রুয়ারি বর্তমান ব্যবসায়ীদের পক্ষে আইনি নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাজিন আহমেদ। তবে সবশেষে মন্ত্রীর নির্দেশনায় বিষয়টির পর্যালোচনা শেষে এ জটিলতার অবসান হয়েছে। বিমানবন্দরের সম্পত্তি ইজারা বেবিচকের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হওয়ায় বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বর্তমানে ইজারা কার্যক্রমটি পুরোপুরি বেবিচকের নিয়ন্ত্রণেই পুনরায় শুরু হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের টানাপড়েনের অবসান ঘটিয়ে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে ফের সম্পত্তি ইজারা কার্যক্রম শুরু করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। ইজারা নীতিমালা নিয়ে তৈরি হওয়া মতবিরোধ শিথিল হওয়ায় ইতোমধ্যে জমা পড়া কয়েক হাজার আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নতুন করে এই কার্যক্রমে গতি ফিরেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে স্থবির হয়ে পড়া এই কার্যক্রমটি বর্তমান সরকারের সবুজ সংকেত পেয়ে পুনরায় সচল হয়েছে বলে জানিয়েছে বেবিচক সূত্র।
বেবিচকের সদস্য (অপারেশনস) মেহবুব খান জানান, ইজারা কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় কয়েক হাজার আবেদন জমা পড়েছে। বর্তমানে এসব আবেদনের বাছাই প্রক্রিয়া চলছে এবং চলতি অর্থবছরের মধ্যেই বরাদ্দ প্রদান শুরু হবে। তিনি আরও জানান, মন্ত্রণালয় নতুন একটি ইজারা নীতিমালা তৈরির কাজ করলেও সেটি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান ব্যবস্থাতেই দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের ৮টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরের সম্পত্তি ইজারা স্থগিত করা হয়। এরপর বিদ্যমান নীতিমালা পরিবর্তন করে নতুন বিধিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয় মন্ত্রণালয়। গত ১৮ জানুয়ারি নতুন খসড়া নীতিমালা পাঠিয়ে বেবিচকের মতামত চাওয়া হলে কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে চিঠি দেয় সংস্থাটি। বেবিচক যুক্তি দেয়, প্রস্তাবিত বিধিমালার কিছু ধারা আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) মানদণ্ডের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে, যা আন্তর্জাতিক অডিটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এছাড়া সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অ্যাক্ট-২০১৭ অনুযায়ী সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বেবিচকের ওপর ন্যস্ত থাকলেও নতুন খসড়ায় তাতে হস্তক্ষেপের শঙ্কা প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি উন্মুক্ত দরপত্রভিত্তিক পুরোনো জটিল ইজারা ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ জানায় সংস্থাটি।
নীতিমালা নিয়ে বিরোধ একপর্যায়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায়। অংশীজনদের মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত না হওয়ার অভিযোগ তুলে গত ৩ ফেব্রুয়ারি বর্তমান ব্যবসায়ীদের পক্ষে আইনি নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাজিন আহমেদ। তবে সবশেষে মন্ত্রীর নির্দেশনায় বিষয়টির পর্যালোচনা শেষে এ জটিলতার অবসান হয়েছে। বিমানবন্দরের সম্পত্তি ইজারা বেবিচকের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হওয়ায় বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বর্তমানে ইজারা কার্যক্রমটি পুরোপুরি বেবিচকের নিয়ন্ত্রণেই পুনরায় শুরু হয়েছে।

নীতিমালা না করেই বিমানবন্দরের সম্পত্তি ইজারা শুরু
সিটিজেন ডেস্ক

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের টানাপড়েনের অবসান ঘটিয়ে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে ফের সম্পত্তি ইজারা কার্যক্রম শুরু করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। ইজারা নীতিমালা নিয়ে তৈরি হওয়া মতবিরোধ শিথিল হওয়ায় ইতোমধ্যে জমা পড়া কয়েক হাজার আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নতুন করে এই কার্যক্রমে গতি ফিরেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে স্থবির হয়ে পড়া এই কার্যক্রমটি বর্তমান সরকারের সবুজ সংকেত পেয়ে পুনরায় সচল হয়েছে বলে জানিয়েছে বেবিচক সূত্র।
বেবিচকের সদস্য (অপারেশনস) মেহবুব খান জানান, ইজারা কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় কয়েক হাজার আবেদন জমা পড়েছে। বর্তমানে এসব আবেদনের বাছাই প্রক্রিয়া চলছে এবং চলতি অর্থবছরের মধ্যেই বরাদ্দ প্রদান শুরু হবে। তিনি আরও জানান, মন্ত্রণালয় নতুন একটি ইজারা নীতিমালা তৈরির কাজ করলেও সেটি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান ব্যবস্থাতেই দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের ৮টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরের সম্পত্তি ইজারা স্থগিত করা হয়। এরপর বিদ্যমান নীতিমালা পরিবর্তন করে নতুন বিধিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয় মন্ত্রণালয়। গত ১৮ জানুয়ারি নতুন খসড়া নীতিমালা পাঠিয়ে বেবিচকের মতামত চাওয়া হলে কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে চিঠি দেয় সংস্থাটি। বেবিচক যুক্তি দেয়, প্রস্তাবিত বিধিমালার কিছু ধারা আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) মানদণ্ডের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে, যা আন্তর্জাতিক অডিটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এছাড়া সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অ্যাক্ট-২০১৭ অনুযায়ী সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বেবিচকের ওপর ন্যস্ত থাকলেও নতুন খসড়ায় তাতে হস্তক্ষেপের শঙ্কা প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি উন্মুক্ত দরপত্রভিত্তিক পুরোনো জটিল ইজারা ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ জানায় সংস্থাটি।
নীতিমালা নিয়ে বিরোধ একপর্যায়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায়। অংশীজনদের মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত না হওয়ার অভিযোগ তুলে গত ৩ ফেব্রুয়ারি বর্তমান ব্যবসায়ীদের পক্ষে আইনি নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাজিন আহমেদ। তবে সবশেষে মন্ত্রীর নির্দেশনায় বিষয়টির পর্যালোচনা শেষে এ জটিলতার অবসান হয়েছে। বিমানবন্দরের সম্পত্তি ইজারা বেবিচকের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হওয়ায় বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বর্তমানে ইজারা কার্যক্রমটি পুরোপুরি বেবিচকের নিয়ন্ত্রণেই পুনরায় শুরু হয়েছে।

বিমান চলাচল আইন বদলাচ্ছে সরকার, উদ্বেগ জানাল বেবিচক


