ওসমানীর জীবন ও মুক্তিযুদ্ধে অবদান পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির দাবি

ওসমানীর জীবন ও মুক্তিযুদ্ধে অবদান পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির দাবি
সিজেডএন ডেস্ক

কুমিল্লা-৬ আসনের সরকারি দলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানীর জীবন, কর্ম, গৌরবগাঁথা, সততা ও দেশপ্রেমের ইতিহাস পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০২-এর আওতায় উত্থাপিত এক নোটিশে এ আহ্বান জানান।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, জেনারেল ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি অত্যন্ত হতাশ ও লজ্জিত হয়েছেন। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে প্রবীণ কিছু মানুষ, যাদের বয়স ৭০-৮০ বছর, তারাই বক্তা ও শ্রোতা ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, জেনারেল ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী সরকারিভাবে স্বীকৃত না হওয়ায় এ ধরনের আয়োজন যথাযথভাবে হচ্ছে না। এমনকি স্কুল পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে জেনারেল ওসমানী সম্পর্কে একটি লাইনও আছে কি না, তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেন।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, জাতীয় সংসদের মূল প্রবেশদ্বারের নাম ‘এম.এ.জি. ওসমানী গেট’ করার মাধ্যমে তার প্রতি জাতীয় ঋণ পরিশোধের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, একইভাবে পাঠ্যবইয়ে জেনারেল ওসমানীর জীবনসংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর নেতৃত্ব, গৌরবগাঁথা, কীর্তি, সততা ও দেশপ্রেমের ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর সরকারে মন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও একদলীয় শাসনব্যবস্থার প্রতিবাদে পদত্যাগ করেও তিনি জাতির সামনে আরেকটি নজির স্থাপন করেন।
নোটিশের জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, সংসদ সদস্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উত্থাপন করেছেন, যাতে জাতির একজন বীর সন্তানের কাহিনি সম্পর্কে জনগণ জানতে পারে।

কুমিল্লা-৬ আসনের সরকারি দলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানীর জীবন, কর্ম, গৌরবগাঁথা, সততা ও দেশপ্রেমের ইতিহাস পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০২-এর আওতায় উত্থাপিত এক নোটিশে এ আহ্বান জানান।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, জেনারেল ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি অত্যন্ত হতাশ ও লজ্জিত হয়েছেন। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে প্রবীণ কিছু মানুষ, যাদের বয়স ৭০-৮০ বছর, তারাই বক্তা ও শ্রোতা ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, জেনারেল ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী সরকারিভাবে স্বীকৃত না হওয়ায় এ ধরনের আয়োজন যথাযথভাবে হচ্ছে না। এমনকি স্কুল পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে জেনারেল ওসমানী সম্পর্কে একটি লাইনও আছে কি না, তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেন।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, জাতীয় সংসদের মূল প্রবেশদ্বারের নাম ‘এম.এ.জি. ওসমানী গেট’ করার মাধ্যমে তার প্রতি জাতীয় ঋণ পরিশোধের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, একইভাবে পাঠ্যবইয়ে জেনারেল ওসমানীর জীবনসংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর নেতৃত্ব, গৌরবগাঁথা, কীর্তি, সততা ও দেশপ্রেমের ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর সরকারে মন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও একদলীয় শাসনব্যবস্থার প্রতিবাদে পদত্যাগ করেও তিনি জাতির সামনে আরেকটি নজির স্থাপন করেন।
নোটিশের জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, সংসদ সদস্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উত্থাপন করেছেন, যাতে জাতির একজন বীর সন্তানের কাহিনি সম্পর্কে জনগণ জানতে পারে।

ওসমানীর জীবন ও মুক্তিযুদ্ধে অবদান পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির দাবি
সিজেডএন ডেস্ক

কুমিল্লা-৬ আসনের সরকারি দলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানীর জীবন, কর্ম, গৌরবগাঁথা, সততা ও দেশপ্রেমের ইতিহাস পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০২-এর আওতায় উত্থাপিত এক নোটিশে এ আহ্বান জানান।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, জেনারেল ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি অত্যন্ত হতাশ ও লজ্জিত হয়েছেন। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে প্রবীণ কিছু মানুষ, যাদের বয়স ৭০-৮০ বছর, তারাই বক্তা ও শ্রোতা ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, জেনারেল ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী সরকারিভাবে স্বীকৃত না হওয়ায় এ ধরনের আয়োজন যথাযথভাবে হচ্ছে না। এমনকি স্কুল পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে জেনারেল ওসমানী সম্পর্কে একটি লাইনও আছে কি না, তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেন।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, জাতীয় সংসদের মূল প্রবেশদ্বারের নাম ‘এম.এ.জি. ওসমানী গেট’ করার মাধ্যমে তার প্রতি জাতীয় ঋণ পরিশোধের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, একইভাবে পাঠ্যবইয়ে জেনারেল ওসমানীর জীবনসংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর নেতৃত্ব, গৌরবগাঁথা, কীর্তি, সততা ও দেশপ্রেমের ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর সরকারে মন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও একদলীয় শাসনব্যবস্থার প্রতিবাদে পদত্যাগ করেও তিনি জাতির সামনে আরেকটি নজির স্থাপন করেন।
নোটিশের জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, সংসদ সদস্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উত্থাপন করেছেন, যাতে জাতির একজন বীর সন্তানের কাহিনি সম্পর্কে জনগণ জানতে পারে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জুলাই অভ্যুত্থানের নানা বিষয়







