জ্বালানি সংকটে ১৬ মাস ধরে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা

জ্বালানি সংকটে ১৬ মাস ধরে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা
নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া উৎপাদনকারী কারখানা আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আসন্ন চাষাবাদ মৌসুমে সারের সংকট ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে উৎপাদন বন্ধ থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে প্রতি মাসে সরকারের লোকসান গুনতে হচ্ছে প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা।
জানা গেছে, গ্যাস সংকটের কারণে গত ১৬ মাস ধরেই এটি বন্ধ রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানা দেশের কৃষিখাত ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের অন্যতম চালিকাশক্তি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কারখানাটি পূর্ণ ক্ষমতায় সচল রাখতে দৈনিক প্রায় ৪৭ থেকে ৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। কিন্তু চাহিদার বিপরীতে গ্যাস সরবরাহ শূন্যের কোঠায় নামায় বাধ্য হয়েই উৎপাদন বন্ধ করতে হয়েছে।
আশুগঞ্জ সার কারখানা উপ-মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, কারখানা বন্ধের কারণে অর্থনৈতিকভাবে বিশাল ক্ষতি হচ্ছে। উৎপাদন না থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ব্যাংক ঋণ ও কারখানার যন্ত্রাংশের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় থেমে নেই। ফলে প্রতি মাসে ১৩৫ কোটি টাকা টাকার বিশাল লোকশান গুনতে হচ্ছে।
শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু কাউসার জানান, কারখাটিতে প্রতি বছর ৪ লাখ থেকে ৫ লাখ টন সার উৎপাদন হয়। তবে গ্যাস সংকটের কারণে এটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ আছে। এর ফলে মেশিন আবার চালাতে গেলে কিছুটা যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেবে এটাই স্বাভাবিক। আমরা যখন এই যান্ত্রিক সমস্যাগুলো সমাধান করে উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হই, তখনিই আবার গ্যাস সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
সরকারের পক্ষ থেকে যদি সারা বছর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়, তাহলে যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।
শ্রমিকরা বলছেন, দীর্ঘনিদ ধরেই তারা কাজ ছাড়া বসে আছেন। এতে তাদের পেশাগত দক্ষতার ক্ষতি হচ্ছে। পাশাপাশি মাসের পর মাস উৎপাদন না হওয়ায়, সময়মতো বেতন-ভাতা পাওয়া এবং বোনাস কাটায় আর্থিক অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে।

জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া উৎপাদনকারী কারখানা আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আসন্ন চাষাবাদ মৌসুমে সারের সংকট ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে উৎপাদন বন্ধ থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে প্রতি মাসে সরকারের লোকসান গুনতে হচ্ছে প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা।
জানা গেছে, গ্যাস সংকটের কারণে গত ১৬ মাস ধরেই এটি বন্ধ রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানা দেশের কৃষিখাত ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের অন্যতম চালিকাশক্তি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কারখানাটি পূর্ণ ক্ষমতায় সচল রাখতে দৈনিক প্রায় ৪৭ থেকে ৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। কিন্তু চাহিদার বিপরীতে গ্যাস সরবরাহ শূন্যের কোঠায় নামায় বাধ্য হয়েই উৎপাদন বন্ধ করতে হয়েছে।
আশুগঞ্জ সার কারখানা উপ-মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, কারখানা বন্ধের কারণে অর্থনৈতিকভাবে বিশাল ক্ষতি হচ্ছে। উৎপাদন না থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ব্যাংক ঋণ ও কারখানার যন্ত্রাংশের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় থেমে নেই। ফলে প্রতি মাসে ১৩৫ কোটি টাকা টাকার বিশাল লোকশান গুনতে হচ্ছে।
শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু কাউসার জানান, কারখাটিতে প্রতি বছর ৪ লাখ থেকে ৫ লাখ টন সার উৎপাদন হয়। তবে গ্যাস সংকটের কারণে এটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ আছে। এর ফলে মেশিন আবার চালাতে গেলে কিছুটা যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেবে এটাই স্বাভাবিক। আমরা যখন এই যান্ত্রিক সমস্যাগুলো সমাধান করে উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হই, তখনিই আবার গ্যাস সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
সরকারের পক্ষ থেকে যদি সারা বছর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়, তাহলে যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।
শ্রমিকরা বলছেন, দীর্ঘনিদ ধরেই তারা কাজ ছাড়া বসে আছেন। এতে তাদের পেশাগত দক্ষতার ক্ষতি হচ্ছে। পাশাপাশি মাসের পর মাস উৎপাদন না হওয়ায়, সময়মতো বেতন-ভাতা পাওয়া এবং বোনাস কাটায় আর্থিক অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে।

জ্বালানি সংকটে ১৬ মাস ধরে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা
নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া উৎপাদনকারী কারখানা আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আসন্ন চাষাবাদ মৌসুমে সারের সংকট ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে উৎপাদন বন্ধ থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে প্রতি মাসে সরকারের লোকসান গুনতে হচ্ছে প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা।
জানা গেছে, গ্যাস সংকটের কারণে গত ১৬ মাস ধরেই এটি বন্ধ রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানা দেশের কৃষিখাত ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের অন্যতম চালিকাশক্তি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কারখানাটি পূর্ণ ক্ষমতায় সচল রাখতে দৈনিক প্রায় ৪৭ থেকে ৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। কিন্তু চাহিদার বিপরীতে গ্যাস সরবরাহ শূন্যের কোঠায় নামায় বাধ্য হয়েই উৎপাদন বন্ধ করতে হয়েছে।
আশুগঞ্জ সার কারখানা উপ-মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, কারখানা বন্ধের কারণে অর্থনৈতিকভাবে বিশাল ক্ষতি হচ্ছে। উৎপাদন না থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ব্যাংক ঋণ ও কারখানার যন্ত্রাংশের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় থেমে নেই। ফলে প্রতি মাসে ১৩৫ কোটি টাকা টাকার বিশাল লোকশান গুনতে হচ্ছে।
শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু কাউসার জানান, কারখাটিতে প্রতি বছর ৪ লাখ থেকে ৫ লাখ টন সার উৎপাদন হয়। তবে গ্যাস সংকটের কারণে এটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ আছে। এর ফলে মেশিন আবার চালাতে গেলে কিছুটা যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেবে এটাই স্বাভাবিক। আমরা যখন এই যান্ত্রিক সমস্যাগুলো সমাধান করে উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হই, তখনিই আবার গ্যাস সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
সরকারের পক্ষ থেকে যদি সারা বছর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়, তাহলে যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।
শ্রমিকরা বলছেন, দীর্ঘনিদ ধরেই তারা কাজ ছাড়া বসে আছেন। এতে তাদের পেশাগত দক্ষতার ক্ষতি হচ্ছে। পাশাপাশি মাসের পর মাস উৎপাদন না হওয়ায়, সময়মতো বেতন-ভাতা পাওয়া এবং বোনাস কাটায় আর্থিক অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে।

গ্যাস-সংকটের সঙ্গে বেড়েছে লোডশেডিং, ভোগান্তিতে গ্রাহক





