পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে যমুনা ঘেরাও, পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ

পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে যমুনা ঘেরাও, পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদনের আলোকে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে ব্যারিকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘেরাও করেছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার প্রবেশ মুখে অবস্থান নেন তারা। এ সময় সরকারি চাকরিজীবীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ।

আন্দোলনকারীরা জানান, আজকের মধ্যেই ৯ম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হলে আন্দোলন থেকে একচুলও সরবেন না তারা।
পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কিছুক্ষণ পর আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে সেখানে হইচই ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের পরও অনেক আন্দোলনকারী এলাকা ছাড়েননি। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নবম পে কমিশন গঠন হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেছে, তবুও গেজেট প্রকাশ করা হয়নি। বারবার আশ্বাস দিয়েও তা বাস্তবায়ন না করায় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে বলেও দাবি তাদের।

এর আগে শুক্রবার সকালে সরকারি চাকরিজীবীরা ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়ে আন্দোলন শুরু করেন। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে তারা যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেন। পথে পুলিশের বাধা, ব্যারিকেড এবং জলকামান থেকে পানি নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
দাবি আদায়ের জন্য এর আগে তারা টানা তিন দিন প্রতিদিন দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেন। বৃহস্পতিবার সেই কর্মবিরতি চার ঘণ্টায় বৃদ্ধি করা হয়। ধারাবাহিক এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ যমুনা ঘেরাও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মসূচি আরও কঠোর করার প্রস্তুতি রাখছেন।

জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদনের আলোকে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে ব্যারিকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘেরাও করেছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার প্রবেশ মুখে অবস্থান নেন তারা। এ সময় সরকারি চাকরিজীবীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ।

আন্দোলনকারীরা জানান, আজকের মধ্যেই ৯ম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হলে আন্দোলন থেকে একচুলও সরবেন না তারা।
পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কিছুক্ষণ পর আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে সেখানে হইচই ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের পরও অনেক আন্দোলনকারী এলাকা ছাড়েননি। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নবম পে কমিশন গঠন হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেছে, তবুও গেজেট প্রকাশ করা হয়নি। বারবার আশ্বাস দিয়েও তা বাস্তবায়ন না করায় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে বলেও দাবি তাদের।

এর আগে শুক্রবার সকালে সরকারি চাকরিজীবীরা ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়ে আন্দোলন শুরু করেন। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে তারা যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেন। পথে পুলিশের বাধা, ব্যারিকেড এবং জলকামান থেকে পানি নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
দাবি আদায়ের জন্য এর আগে তারা টানা তিন দিন প্রতিদিন দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেন। বৃহস্পতিবার সেই কর্মবিরতি চার ঘণ্টায় বৃদ্ধি করা হয়। ধারাবাহিক এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ যমুনা ঘেরাও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মসূচি আরও কঠোর করার প্রস্তুতি রাখছেন।

পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে যমুনা ঘেরাও, পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদনের আলোকে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে ব্যারিকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘেরাও করেছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার প্রবেশ মুখে অবস্থান নেন তারা। এ সময় সরকারি চাকরিজীবীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ।

আন্দোলনকারীরা জানান, আজকের মধ্যেই ৯ম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হলে আন্দোলন থেকে একচুলও সরবেন না তারা।
পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কিছুক্ষণ পর আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে সেখানে হইচই ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের পরও অনেক আন্দোলনকারী এলাকা ছাড়েননি। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নবম পে কমিশন গঠন হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেছে, তবুও গেজেট প্রকাশ করা হয়নি। বারবার আশ্বাস দিয়েও তা বাস্তবায়ন না করায় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে বলেও দাবি তাদের।

এর আগে শুক্রবার সকালে সরকারি চাকরিজীবীরা ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়ে আন্দোলন শুরু করেন। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে তারা যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেন। পথে পুলিশের বাধা, ব্যারিকেড এবং জলকামান থেকে পানি নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
দাবি আদায়ের জন্য এর আগে তারা টানা তিন দিন প্রতিদিন দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেন। বৃহস্পতিবার সেই কর্মবিরতি চার ঘণ্টায় বৃদ্ধি করা হয়। ধারাবাহিক এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ যমুনা ঘেরাও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মসূচি আরও কঠোর করার প্রস্তুতি রাখছেন।




