জুলাই সনদ জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর একটি চুক্তি: আলী রীয়াজ

জুলাই সনদ জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর একটি চুক্তি: আলী রীয়াজ

জুলাই জাতীয় সনদ বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর একটি চুক্তি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি আরও বলেন, ত্রিশটি রাজনৈতিক দল দীর্ঘ নয় মাস নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার মাধ্যমে এজেন্ডাগুলো তৈরি করেছে। তাই এ চুক্তির বাস্তবে রূপ দেয়ার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর ওপরও বর্তায়। এটি কোনো চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ও সহিংসতা প্রতিরোধ: মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার আলোকে’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এসব কথা বলেন। এ আলোচনা সভার আয়োজন করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট।
সভায় অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং যারা অন্যায় করেছে তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, আর কেউ দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন বা জমিদারতন্ত্র কায়েম করতে পারবে না। ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রেখে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যার জন্য নির্বাচন দরকার।
তিনি বলেন, মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচনের বিকল্প নেই। যদি আমরা ন্যায়বিচার, সংস্কার এবং নতুন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, তাহলে নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। গণভোট, নির্বাচন, সংবিধান সংস্কার- সবকিছুর ক্ষমতা জনগণের হাতেই।
তিনি আরও বলেন, ছাত্র-জনতার জীবন বিনিময়ের মাধ্যমে দেশ ফ্যাসিবাদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে। বর্তমানে আমরা গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথযাত্রায়– সেই গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। যাতে সবাই মনে করতে পারে আমরা এ রাষ্ট্রের মালিক।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে স্বাধীন ও মুক্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’-তে রায় দিতে হবে।
‘ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভবিষ্যতে আমরা একটি সমৃদ্ধিশালী, সাম্যভিত্তিক, মানবিক, মর্যাদাভিত্তিক সুবিচারের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব। সেই প্রতিষ্ঠার জন্য প্রত্যেককেই ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচারণা চালাতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি, সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ূন কবির এবং ইনস্টিটিউটের ডিসটিংগুয়েড ফেলো, সাবেক রাষ্ট্রদূত ফারুক সোবহান বক্তব্য রাখেন। সার্ভে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন চৌধুরী সামিউল হক। আলোচনায় বিভিন্ন শ্রেণি, পেশা, সংস্থা এবং রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

জুলাই জাতীয় সনদ বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর একটি চুক্তি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি আরও বলেন, ত্রিশটি রাজনৈতিক দল দীর্ঘ নয় মাস নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার মাধ্যমে এজেন্ডাগুলো তৈরি করেছে। তাই এ চুক্তির বাস্তবে রূপ দেয়ার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর ওপরও বর্তায়। এটি কোনো চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ও সহিংসতা প্রতিরোধ: মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার আলোকে’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এসব কথা বলেন। এ আলোচনা সভার আয়োজন করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট।
সভায় অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং যারা অন্যায় করেছে তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, আর কেউ দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন বা জমিদারতন্ত্র কায়েম করতে পারবে না। ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রেখে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যার জন্য নির্বাচন দরকার।
তিনি বলেন, মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচনের বিকল্প নেই। যদি আমরা ন্যায়বিচার, সংস্কার এবং নতুন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, তাহলে নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। গণভোট, নির্বাচন, সংবিধান সংস্কার- সবকিছুর ক্ষমতা জনগণের হাতেই।
তিনি আরও বলেন, ছাত্র-জনতার জীবন বিনিময়ের মাধ্যমে দেশ ফ্যাসিবাদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে। বর্তমানে আমরা গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথযাত্রায়– সেই গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। যাতে সবাই মনে করতে পারে আমরা এ রাষ্ট্রের মালিক।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে স্বাধীন ও মুক্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’-তে রায় দিতে হবে।
‘ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভবিষ্যতে আমরা একটি সমৃদ্ধিশালী, সাম্যভিত্তিক, মানবিক, মর্যাদাভিত্তিক সুবিচারের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব। সেই প্রতিষ্ঠার জন্য প্রত্যেককেই ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচারণা চালাতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি, সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ূন কবির এবং ইনস্টিটিউটের ডিসটিংগুয়েড ফেলো, সাবেক রাষ্ট্রদূত ফারুক সোবহান বক্তব্য রাখেন। সার্ভে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন চৌধুরী সামিউল হক। আলোচনায় বিভিন্ন শ্রেণি, পেশা, সংস্থা এবং রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

জুলাই সনদ জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর একটি চুক্তি: আলী রীয়াজ

জুলাই জাতীয় সনদ বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর একটি চুক্তি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি আরও বলেন, ত্রিশটি রাজনৈতিক দল দীর্ঘ নয় মাস নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার মাধ্যমে এজেন্ডাগুলো তৈরি করেছে। তাই এ চুক্তির বাস্তবে রূপ দেয়ার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর ওপরও বর্তায়। এটি কোনো চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ও সহিংসতা প্রতিরোধ: মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার আলোকে’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এসব কথা বলেন। এ আলোচনা সভার আয়োজন করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট।
সভায় অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং যারা অন্যায় করেছে তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, আর কেউ দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন বা জমিদারতন্ত্র কায়েম করতে পারবে না। ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রেখে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যার জন্য নির্বাচন দরকার।
তিনি বলেন, মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচনের বিকল্প নেই। যদি আমরা ন্যায়বিচার, সংস্কার এবং নতুন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, তাহলে নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। গণভোট, নির্বাচন, সংবিধান সংস্কার- সবকিছুর ক্ষমতা জনগণের হাতেই।
তিনি আরও বলেন, ছাত্র-জনতার জীবন বিনিময়ের মাধ্যমে দেশ ফ্যাসিবাদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে। বর্তমানে আমরা গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথযাত্রায়– সেই গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। যাতে সবাই মনে করতে পারে আমরা এ রাষ্ট্রের মালিক।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে স্বাধীন ও মুক্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’-তে রায় দিতে হবে।
‘ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভবিষ্যতে আমরা একটি সমৃদ্ধিশালী, সাম্যভিত্তিক, মানবিক, মর্যাদাভিত্তিক সুবিচারের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব। সেই প্রতিষ্ঠার জন্য প্রত্যেককেই ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচারণা চালাতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি, সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ূন কবির এবং ইনস্টিটিউটের ডিসটিংগুয়েড ফেলো, সাবেক রাষ্ট্রদূত ফারুক সোবহান বক্তব্য রাখেন। সার্ভে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন চৌধুরী সামিউল হক। আলোচনায় বিভিন্ন শ্রেণি, পেশা, সংস্থা এবং রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।




