বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে উদ্বেগ জাতিসংঘের

বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে উদ্বেগ জাতিসংঘের
সিজেডএন ডেস্ক

বাংলাদেশে সেল গঠনের চেষ্টা করছে আল-কায়েদার ভারত উপমহাদেশ শাখা (একিউআইএস)। গতকাল বুধবার (১২ আগস্ট) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি তদারককারী দল এই বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তদারককারী এই দল সন্ত্রাসবাদে যুক্ত বিভিন্ন নিষিদ্ধ গোষ্ঠী বা সংগঠনের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি চালায়।
ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আফগানিস্তানে আল-কায়েদার অবস্থান ও শক্তি এখনও অপরিবর্তিত আছে। এর ভারতীয় উপমহাদেশের শাখা বা ‘একিউআইএস’ একটি খণ্ডিত গোষ্ঠী থেকে আঞ্চলিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে। তারা বৃহৎ ইউনিটের পরিবর্তে ছোট বা বিচ্ছিন্ন সেল গঠন করে রসদ সরবরাহ ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশেও তাদের সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।
আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটের ওপর নিষেধাজ্ঞায় নজরদারি করা ওই দলের সদস্যরা জানিয়েছে, গত বছরের ২৫ নভেম্বর ভারতের দিল্লির লালকেল্লায় যে গাড়ি বোমা হামলা হয় সেটি চালায় ‘আল-কায়েদা ভারত উপমহাদেশ’ শাখা। আর তারা এখন বাংলাদেশেরও সেল গঠনের চেষ্টা করছে।
নিরাপত্তা পরিষদের এই সহযোগী সংস্থার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আল-কায়েদার নেতারা বর্তমানে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে রয়েছেন। তাদের আফগানিস্তানের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে। যা নির্দেশ করছে আল-কায়েদা ভারত উপমহাদেশ শাখার সঙ্গে তালেবানের সম্পর্ক রয়েছে।
এছাড়া তারা পাকিস্তানে ইত্তেহাদ-উল-মুজাহিদিন পাকিস্তান নামে একটি সন্ত্রাসী দলের শক্তি বাড়াতে কাজ করেছে। যারা গত ৯ মে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় একটি হামলা চালিয়ে ২১ জনকে হত্যা করে।
নিরাপত্তা পরিষদের এই সহযোগী সংস্থার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আল-কায়েদা ভারত উপমহাদেশ শাখা এবং ইসলামিক স্টেট এখন রাসায়নিক এবং জৈব অস্ত্র তৈরির দিকে মনোযোগ দিয়েছে। এর মধ্যে ভারত এক চিকিৎসকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল যারা রিসিন নামে একটি বিষ তৈরির চেষ্টা করছিল।
মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে হামলা অব্যাহত থাকায় দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক উত্তেজনা বহাল আছে। তালেবান সরকার ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ বা টিটিপিকে সমর্থন দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু প্রকাশ্যে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার কথা অস্বীকার করে আসছে তালেবান সরকার। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর উদ্বেগ, এই সংঘাত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। যা এই অঞ্চলে অতিরিক্ত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

বাংলাদেশে সেল গঠনের চেষ্টা করছে আল-কায়েদার ভারত উপমহাদেশ শাখা (একিউআইএস)। গতকাল বুধবার (১২ আগস্ট) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি তদারককারী দল এই বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তদারককারী এই দল সন্ত্রাসবাদে যুক্ত বিভিন্ন নিষিদ্ধ গোষ্ঠী বা সংগঠনের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি চালায়।
ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আফগানিস্তানে আল-কায়েদার অবস্থান ও শক্তি এখনও অপরিবর্তিত আছে। এর ভারতীয় উপমহাদেশের শাখা বা ‘একিউআইএস’ একটি খণ্ডিত গোষ্ঠী থেকে আঞ্চলিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে। তারা বৃহৎ ইউনিটের পরিবর্তে ছোট বা বিচ্ছিন্ন সেল গঠন করে রসদ সরবরাহ ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশেও তাদের সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।
আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটের ওপর নিষেধাজ্ঞায় নজরদারি করা ওই দলের সদস্যরা জানিয়েছে, গত বছরের ২৫ নভেম্বর ভারতের দিল্লির লালকেল্লায় যে গাড়ি বোমা হামলা হয় সেটি চালায় ‘আল-কায়েদা ভারত উপমহাদেশ’ শাখা। আর তারা এখন বাংলাদেশেরও সেল গঠনের চেষ্টা করছে।
নিরাপত্তা পরিষদের এই সহযোগী সংস্থার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আল-কায়েদার নেতারা বর্তমানে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে রয়েছেন। তাদের আফগানিস্তানের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে। যা নির্দেশ করছে আল-কায়েদা ভারত উপমহাদেশ শাখার সঙ্গে তালেবানের সম্পর্ক রয়েছে।
এছাড়া তারা পাকিস্তানে ইত্তেহাদ-উল-মুজাহিদিন পাকিস্তান নামে একটি সন্ত্রাসী দলের শক্তি বাড়াতে কাজ করেছে। যারা গত ৯ মে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় একটি হামলা চালিয়ে ২১ জনকে হত্যা করে।
নিরাপত্তা পরিষদের এই সহযোগী সংস্থার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আল-কায়েদা ভারত উপমহাদেশ শাখা এবং ইসলামিক স্টেট এখন রাসায়নিক এবং জৈব অস্ত্র তৈরির দিকে মনোযোগ দিয়েছে। এর মধ্যে ভারত এক চিকিৎসকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল যারা রিসিন নামে একটি বিষ তৈরির চেষ্টা করছিল।
মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে হামলা অব্যাহত থাকায় দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক উত্তেজনা বহাল আছে। তালেবান সরকার ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ বা টিটিপিকে সমর্থন দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু প্রকাশ্যে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার কথা অস্বীকার করে আসছে তালেবান সরকার। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর উদ্বেগ, এই সংঘাত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। যা এই অঞ্চলে অতিরিক্ত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা নিয়ে উদ্বেগ জাতিসংঘের
সিজেডএন ডেস্ক

বাংলাদেশে সেল গঠনের চেষ্টা করছে আল-কায়েদার ভারত উপমহাদেশ শাখা (একিউআইএস)। গতকাল বুধবার (১২ আগস্ট) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি তদারককারী দল এই বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তদারককারী এই দল সন্ত্রাসবাদে যুক্ত বিভিন্ন নিষিদ্ধ গোষ্ঠী বা সংগঠনের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি চালায়।
ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আফগানিস্তানে আল-কায়েদার অবস্থান ও শক্তি এখনও অপরিবর্তিত আছে। এর ভারতীয় উপমহাদেশের শাখা বা ‘একিউআইএস’ একটি খণ্ডিত গোষ্ঠী থেকে আঞ্চলিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে। তারা বৃহৎ ইউনিটের পরিবর্তে ছোট বা বিচ্ছিন্ন সেল গঠন করে রসদ সরবরাহ ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশেও তাদের সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।
আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটের ওপর নিষেধাজ্ঞায় নজরদারি করা ওই দলের সদস্যরা জানিয়েছে, গত বছরের ২৫ নভেম্বর ভারতের দিল্লির লালকেল্লায় যে গাড়ি বোমা হামলা হয় সেটি চালায় ‘আল-কায়েদা ভারত উপমহাদেশ’ শাখা। আর তারা এখন বাংলাদেশেরও সেল গঠনের চেষ্টা করছে।
নিরাপত্তা পরিষদের এই সহযোগী সংস্থার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আল-কায়েদার নেতারা বর্তমানে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে রয়েছেন। তাদের আফগানিস্তানের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে। যা নির্দেশ করছে আল-কায়েদা ভারত উপমহাদেশ শাখার সঙ্গে তালেবানের সম্পর্ক রয়েছে।
এছাড়া তারা পাকিস্তানে ইত্তেহাদ-উল-মুজাহিদিন পাকিস্তান নামে একটি সন্ত্রাসী দলের শক্তি বাড়াতে কাজ করেছে। যারা গত ৯ মে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় একটি হামলা চালিয়ে ২১ জনকে হত্যা করে।
নিরাপত্তা পরিষদের এই সহযোগী সংস্থার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আল-কায়েদা ভারত উপমহাদেশ শাখা এবং ইসলামিক স্টেট এখন রাসায়নিক এবং জৈব অস্ত্র তৈরির দিকে মনোযোগ দিয়েছে। এর মধ্যে ভারত এক চিকিৎসকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল যারা রিসিন নামে একটি বিষ তৈরির চেষ্টা করছিল।
মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে হামলা অব্যাহত থাকায় দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক উত্তেজনা বহাল আছে। তালেবান সরকার ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ বা টিটিপিকে সমর্থন দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু প্রকাশ্যে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার কথা অস্বীকার করে আসছে তালেবান সরকার। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর উদ্বেগ, এই সংঘাত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। যা এই অঞ্চলে অতিরিক্ত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।








