ছাত্রদল নেতাকে থাপ্পড়, সেই ইউএনওকে প্রত্যাহার

ছাত্রদল নেতাকে থাপ্পড়, সেই ইউএনওকে প্রত্যাহার
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় বালুরঘাটে এক ছাত্রদল নেতাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকালে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ড. গোলাম মোরশেদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এদিকে, একই দিন সন্ধ্যায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান লিটনের মধ্যস্থতায় মারধরের ঘটনায় ইউএনও তার ভুল স্বীকার করে ‘সরি’ বলেন।
এর আগে, গতকাল বুধবার বেলা ২টার দিকে ত্রিশাল উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের কালীরবাজারের কুলুরবাড়ি এলাকায় বালুরঘাটে ইজারাদারের লোক সারোয়ার জাহান ওরফে বাচ্চু নামের ওই ছাত্রদল নেতাকে মারধর করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপকভাবে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ত্রিশালের ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকীর সঙ্গে আনসার ও র্যাবের সদস্যরা ওই বালু বিক্রির পয়েন্টে যান। ইউএনও ইজারার কাগজপত্র দেখতে চান। এ সময় সেখানে থাকা ঠিকাদারের ব্যবস্থাপক ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি সারোয়ার জাহান ওরফে বাচ্চু অভিযানে আসা ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চান। তখন আরাফাত সিদ্দিকী নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন, তিনি ত্রিশালের ইউএনও এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন।
কথাবার্তার একপর্যায়ে ইউএনও সারোয়ার জাহানকে পরপর দুটি থাপ্পড় দেন। তখন র্যাবের এক সদস্য সারোয়ারকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ইউএনও ওই সদস্যের হাত থেকে একটি লাঠি নিয়ে তাকে চারবার আঘাত করেন। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুর রহমান ইউএনওকে থামানোর চেষ্টা করেন।
সদর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও ঘাটের পরিচালক শাহরিয়ার আহমেদ সেলিম বলেন, সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে বিষয়টি সুরাহা করা হয়। ইউএনও নিজের ভুল স্বীকার করে সরি বলেছেন।
ঘটনাটি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, ‘আমাকে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে– এমন একটি আদেশ পেয়েছি।

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় বালুরঘাটে এক ছাত্রদল নেতাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকালে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ড. গোলাম মোরশেদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এদিকে, একই দিন সন্ধ্যায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান লিটনের মধ্যস্থতায় মারধরের ঘটনায় ইউএনও তার ভুল স্বীকার করে ‘সরি’ বলেন।
এর আগে, গতকাল বুধবার বেলা ২টার দিকে ত্রিশাল উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের কালীরবাজারের কুলুরবাড়ি এলাকায় বালুরঘাটে ইজারাদারের লোক সারোয়ার জাহান ওরফে বাচ্চু নামের ওই ছাত্রদল নেতাকে মারধর করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপকভাবে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ত্রিশালের ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকীর সঙ্গে আনসার ও র্যাবের সদস্যরা ওই বালু বিক্রির পয়েন্টে যান। ইউএনও ইজারার কাগজপত্র দেখতে চান। এ সময় সেখানে থাকা ঠিকাদারের ব্যবস্থাপক ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি সারোয়ার জাহান ওরফে বাচ্চু অভিযানে আসা ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চান। তখন আরাফাত সিদ্দিকী নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন, তিনি ত্রিশালের ইউএনও এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন।
কথাবার্তার একপর্যায়ে ইউএনও সারোয়ার জাহানকে পরপর দুটি থাপ্পড় দেন। তখন র্যাবের এক সদস্য সারোয়ারকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ইউএনও ওই সদস্যের হাত থেকে একটি লাঠি নিয়ে তাকে চারবার আঘাত করেন। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুর রহমান ইউএনওকে থামানোর চেষ্টা করেন।
সদর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও ঘাটের পরিচালক শাহরিয়ার আহমেদ সেলিম বলেন, সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে বিষয়টি সুরাহা করা হয়। ইউএনও নিজের ভুল স্বীকার করে সরি বলেছেন।
ঘটনাটি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, ‘আমাকে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে– এমন একটি আদেশ পেয়েছি।

ছাত্রদল নেতাকে থাপ্পড়, সেই ইউএনওকে প্রত্যাহার
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় বালুরঘাটে এক ছাত্রদল নেতাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকালে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ড. গোলাম মোরশেদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এদিকে, একই দিন সন্ধ্যায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান লিটনের মধ্যস্থতায় মারধরের ঘটনায় ইউএনও তার ভুল স্বীকার করে ‘সরি’ বলেন।
এর আগে, গতকাল বুধবার বেলা ২টার দিকে ত্রিশাল উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের কালীরবাজারের কুলুরবাড়ি এলাকায় বালুরঘাটে ইজারাদারের লোক সারোয়ার জাহান ওরফে বাচ্চু নামের ওই ছাত্রদল নেতাকে মারধর করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপকভাবে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ত্রিশালের ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকীর সঙ্গে আনসার ও র্যাবের সদস্যরা ওই বালু বিক্রির পয়েন্টে যান। ইউএনও ইজারার কাগজপত্র দেখতে চান। এ সময় সেখানে থাকা ঠিকাদারের ব্যবস্থাপক ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি সারোয়ার জাহান ওরফে বাচ্চু অভিযানে আসা ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চান। তখন আরাফাত সিদ্দিকী নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন, তিনি ত্রিশালের ইউএনও এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন।
কথাবার্তার একপর্যায়ে ইউএনও সারোয়ার জাহানকে পরপর দুটি থাপ্পড় দেন। তখন র্যাবের এক সদস্য সারোয়ারকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ইউএনও ওই সদস্যের হাত থেকে একটি লাঠি নিয়ে তাকে চারবার আঘাত করেন। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুর রহমান ইউএনওকে থামানোর চেষ্টা করেন।
সদর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও ঘাটের পরিচালক শাহরিয়ার আহমেদ সেলিম বলেন, সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে বিষয়টি সুরাহা করা হয়। ইউএনও নিজের ভুল স্বীকার করে সরি বলেছেন।
ঘটনাটি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, ‘আমাকে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে– এমন একটি আদেশ পেয়েছি।

ময়মনসিংহে প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হত্যা





