নির্বাচন ঘিরে মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান অ্যামনেস্টির

নির্বাচন ঘিরে মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান অ্যামনেস্টির

আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পাঠানো এক এক খোলা চিঠিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড এই আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই নির্বাচন এবং তার আগের সময়টিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে মানুষের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস সৃষ্টির মাধ্যমে মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) লেখা এই চিঠি বুধবার (২৮ জানুয়ারি) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
ওই চিঠিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব লিখেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের মেনে চলার বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতা থাকায় মানবাধিকার পরিস্থিতি পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আনার কাজটি অন্তর্বর্তী সরকারকেই করতে হবে। আগামী সপ্তাহগুলোতে সঠিকভাবে সেই দায়িত্বগুলো পালন করছে কিনা সেটি হবে এই সরকারের জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা।
ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, অতীতের সরকারগুলোর আমলে বাংলাদেশে “গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচার আটক, নির্যাতন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত করা এবং সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে বড় ধরনের আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।
নির্বাচনের আগে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে অ্যামনেস্টি বলছে, এসব মৌলিক স্বাধীনতায় বাধা এলে তা নির্বাচনের পরিবেশকে ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ করে এবং জনগণের আস্থা ‘দুর্বল’ করে।
সন্ত্রাসবিরোধী আইন ব্যবহার করে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারের ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে চিঠিতে। সেখানে বলা হয়েছে, “এ আইনের অপব্যবহার করে সাংবাদিকদের তাদের কথিত রাজনৈতিক মতাদর্শ বা সম্পৃক্ততার কারণে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে,” যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার পরিপন্থী।
উদাহরণ হিসেবে সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার এবং সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রচার চালানোর অভিযোগে একই আইনে গ্রেপ্তারের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে চিঠিতে।
পাশাপাশি শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনার পর বিক্ষোভকারীদের সহিংসতা, দুটি সংবাদপত্রের কার্যালয়ে হামলা ও আগুন দেওয়া, সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ও উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর কার্যালয়ে হামলা, নিউ এজ-এর সম্পাদক নুরুল কবিরকে হেনস্তা এবং ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পোশাকশ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাগুলো মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই চিঠিতে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলছেন, এসব ঘটনা মানবাধিকার সুরক্ষায় ‘গুরুতর ব্যর্থতার’ ইঙ্গিত দেয়।

আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পাঠানো এক এক খোলা চিঠিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড এই আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই নির্বাচন এবং তার আগের সময়টিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে মানুষের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস সৃষ্টির মাধ্যমে মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) লেখা এই চিঠি বুধবার (২৮ জানুয়ারি) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
ওই চিঠিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব লিখেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের মেনে চলার বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতা থাকায় মানবাধিকার পরিস্থিতি পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আনার কাজটি অন্তর্বর্তী সরকারকেই করতে হবে। আগামী সপ্তাহগুলোতে সঠিকভাবে সেই দায়িত্বগুলো পালন করছে কিনা সেটি হবে এই সরকারের জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা।
ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, অতীতের সরকারগুলোর আমলে বাংলাদেশে “গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচার আটক, নির্যাতন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত করা এবং সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে বড় ধরনের আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।
নির্বাচনের আগে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে অ্যামনেস্টি বলছে, এসব মৌলিক স্বাধীনতায় বাধা এলে তা নির্বাচনের পরিবেশকে ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ করে এবং জনগণের আস্থা ‘দুর্বল’ করে।
সন্ত্রাসবিরোধী আইন ব্যবহার করে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারের ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে চিঠিতে। সেখানে বলা হয়েছে, “এ আইনের অপব্যবহার করে সাংবাদিকদের তাদের কথিত রাজনৈতিক মতাদর্শ বা সম্পৃক্ততার কারণে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে,” যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার পরিপন্থী।
উদাহরণ হিসেবে সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার এবং সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রচার চালানোর অভিযোগে একই আইনে গ্রেপ্তারের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে চিঠিতে।
পাশাপাশি শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনার পর বিক্ষোভকারীদের সহিংসতা, দুটি সংবাদপত্রের কার্যালয়ে হামলা ও আগুন দেওয়া, সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ও উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর কার্যালয়ে হামলা, নিউ এজ-এর সম্পাদক নুরুল কবিরকে হেনস্তা এবং ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পোশাকশ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাগুলো মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই চিঠিতে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলছেন, এসব ঘটনা মানবাধিকার সুরক্ষায় ‘গুরুতর ব্যর্থতার’ ইঙ্গিত দেয়।

নির্বাচন ঘিরে মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান অ্যামনেস্টির

আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পাঠানো এক এক খোলা চিঠিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড এই আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই নির্বাচন এবং তার আগের সময়টিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে মানুষের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস সৃষ্টির মাধ্যমে মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) লেখা এই চিঠি বুধবার (২৮ জানুয়ারি) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
ওই চিঠিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব লিখেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের মেনে চলার বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতা থাকায় মানবাধিকার পরিস্থিতি পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আনার কাজটি অন্তর্বর্তী সরকারকেই করতে হবে। আগামী সপ্তাহগুলোতে সঠিকভাবে সেই দায়িত্বগুলো পালন করছে কিনা সেটি হবে এই সরকারের জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা।
ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, অতীতের সরকারগুলোর আমলে বাংলাদেশে “গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচার আটক, নির্যাতন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত করা এবং সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে বড় ধরনের আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।
নির্বাচনের আগে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে অ্যামনেস্টি বলছে, এসব মৌলিক স্বাধীনতায় বাধা এলে তা নির্বাচনের পরিবেশকে ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ করে এবং জনগণের আস্থা ‘দুর্বল’ করে।
সন্ত্রাসবিরোধী আইন ব্যবহার করে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারের ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে চিঠিতে। সেখানে বলা হয়েছে, “এ আইনের অপব্যবহার করে সাংবাদিকদের তাদের কথিত রাজনৈতিক মতাদর্শ বা সম্পৃক্ততার কারণে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে,” যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার পরিপন্থী।
উদাহরণ হিসেবে সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার এবং সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রচার চালানোর অভিযোগে একই আইনে গ্রেপ্তারের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে চিঠিতে।
পাশাপাশি শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনার পর বিক্ষোভকারীদের সহিংসতা, দুটি সংবাদপত্রের কার্যালয়ে হামলা ও আগুন দেওয়া, সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ও উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর কার্যালয়ে হামলা, নিউ এজ-এর সম্পাদক নুরুল কবিরকে হেনস্তা এবং ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পোশাকশ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাগুলো মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই চিঠিতে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলছেন, এসব ঘটনা মানবাধিকার সুরক্ষায় ‘গুরুতর ব্যর্থতার’ ইঙ্গিত দেয়।




