৫৪ বছরে প্রথমবার ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিপ হুইপ

৫৪ বছরে প্রথমবার ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিপ হুইপ
সিটিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের ৫৪ বছরের সংসদীয় ইতিহাসে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে তারেক রহমানের বাজেট। সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ‘স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও বাজেটে বিরোধী দল আগাগোড়া অংশগ্রহণ করেছে এবং সরকার ও বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। তাই প্রধানমন্ত্রী এই বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব বাজেট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের এক নতুন রূপরেখা।’
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বাজেট পরবর্তী সংসদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।
চিফ হুইপ বলেন, ‘বাজেট নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে অনেক বিশ্লেষণ ও আলোচনা হয়েছে। কেউ বলেছেন এটি খুব ভালো বাজেট, আবার কেউ বলেছেন বাজেট ভালো হয়নি। সেসব বিতর্ক আপনারা জানেন। আমি শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরতে চাই। এটি তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রণীত প্রথম বাজেট। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও বাজেটে বিরোধী দল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী বিরোধী দলের জন্য ২৬ শতাংশ সময় বরাদ্দ থাকলেও আমরা তাদের অতিরিক্ত সময় দিয়েছি। ফলে তারা প্রায় ৩১ শতাংশ সময় বক্তব্য রাখার সুযোগ পেয়েছেন। বিরোধী দলের নেতারা ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট পর্যন্ত বক্তব্য দিয়েছেন এবং বিরোধীদলীয় নেতার জন্য কোনও সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়নি।’
বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতার স্পিকারের কাছে গিলোটিন প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে চিফ হুইপ বলেন, ‘সাধারণত বাজেট আলোচনার নির্দিষ্ট সময় শেষে সরকার গিলোটিন প্রস্তাব আনেন। কিন্তু বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে এই প্রথম বিরোধীদলীয় নেতা নিজেই স্পিকারের কাছে গিলোটিন প্রস্তাব দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। বিরোধী দল ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নিয়েছে। অর্থাৎ তারা মনে করেছেন বাজেট নিয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাইকেল পার্টসের ওপর কর ছাড়ের দাবি ছাড়া বিরোধী দলের অন্য কোনও দাবি ছিল না। তারা দাবি জানালে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সেটি বিবেচনার নির্দেশ দেন। এসব ঘটনা একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়—সরকার ও বিরোধী দল উভয়েই দেশ গঠনে একসঙ্গে কাজ করতে চায়।’
কর ছাড় দিলে সরকারের চলতে সমস্যা হবে এমন ধারণার উত্তর দিতে গিয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘অনেকে প্রশ্ন করেন, এত কর ছাড় দিয়ে সরকার চলবে কীভাবে? এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রতিবছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হয়েছে। এই অর্থপাচার বন্ধ করা এবং দুর্নীতি কমানো গেলেই রাষ্ট্রের অর্থসংকট অনেকটাই দূর হবে।’

বাংলাদেশের ৫৪ বছরের সংসদীয় ইতিহাসে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে তারেক রহমানের বাজেট। সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ‘স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও বাজেটে বিরোধী দল আগাগোড়া অংশগ্রহণ করেছে এবং সরকার ও বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। তাই প্রধানমন্ত্রী এই বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব বাজেট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের এক নতুন রূপরেখা।’
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বাজেট পরবর্তী সংসদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।
চিফ হুইপ বলেন, ‘বাজেট নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে অনেক বিশ্লেষণ ও আলোচনা হয়েছে। কেউ বলেছেন এটি খুব ভালো বাজেট, আবার কেউ বলেছেন বাজেট ভালো হয়নি। সেসব বিতর্ক আপনারা জানেন। আমি শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরতে চাই। এটি তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রণীত প্রথম বাজেট। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও বাজেটে বিরোধী দল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী বিরোধী দলের জন্য ২৬ শতাংশ সময় বরাদ্দ থাকলেও আমরা তাদের অতিরিক্ত সময় দিয়েছি। ফলে তারা প্রায় ৩১ শতাংশ সময় বক্তব্য রাখার সুযোগ পেয়েছেন। বিরোধী দলের নেতারা ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট পর্যন্ত বক্তব্য দিয়েছেন এবং বিরোধীদলীয় নেতার জন্য কোনও সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়নি।’
বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতার স্পিকারের কাছে গিলোটিন প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে চিফ হুইপ বলেন, ‘সাধারণত বাজেট আলোচনার নির্দিষ্ট সময় শেষে সরকার গিলোটিন প্রস্তাব আনেন। কিন্তু বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে এই প্রথম বিরোধীদলীয় নেতা নিজেই স্পিকারের কাছে গিলোটিন প্রস্তাব দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। বিরোধী দল ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নিয়েছে। অর্থাৎ তারা মনে করেছেন বাজেট নিয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাইকেল পার্টসের ওপর কর ছাড়ের দাবি ছাড়া বিরোধী দলের অন্য কোনও দাবি ছিল না। তারা দাবি জানালে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সেটি বিবেচনার নির্দেশ দেন। এসব ঘটনা একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়—সরকার ও বিরোধী দল উভয়েই দেশ গঠনে একসঙ্গে কাজ করতে চায়।’
কর ছাড় দিলে সরকারের চলতে সমস্যা হবে এমন ধারণার উত্তর দিতে গিয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘অনেকে প্রশ্ন করেন, এত কর ছাড় দিয়ে সরকার চলবে কীভাবে? এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রতিবছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হয়েছে। এই অর্থপাচার বন্ধ করা এবং দুর্নীতি কমানো গেলেই রাষ্ট্রের অর্থসংকট অনেকটাই দূর হবে।’

৫৪ বছরে প্রথমবার ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিপ হুইপ
সিটিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের ৫৪ বছরের সংসদীয় ইতিহাসে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে তারেক রহমানের বাজেট। সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ‘স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও বাজেটে বিরোধী দল আগাগোড়া অংশগ্রহণ করেছে এবং সরকার ও বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। তাই প্রধানমন্ত্রী এই বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব বাজেট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের এক নতুন রূপরেখা।’
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বাজেট পরবর্তী সংসদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।
চিফ হুইপ বলেন, ‘বাজেট নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে অনেক বিশ্লেষণ ও আলোচনা হয়েছে। কেউ বলেছেন এটি খুব ভালো বাজেট, আবার কেউ বলেছেন বাজেট ভালো হয়নি। সেসব বিতর্ক আপনারা জানেন। আমি শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরতে চাই। এটি তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রণীত প্রথম বাজেট। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও বাজেটে বিরোধী দল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী বিরোধী দলের জন্য ২৬ শতাংশ সময় বরাদ্দ থাকলেও আমরা তাদের অতিরিক্ত সময় দিয়েছি। ফলে তারা প্রায় ৩১ শতাংশ সময় বক্তব্য রাখার সুযোগ পেয়েছেন। বিরোধী দলের নেতারা ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট পর্যন্ত বক্তব্য দিয়েছেন এবং বিরোধীদলীয় নেতার জন্য কোনও সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়নি।’
বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতার স্পিকারের কাছে গিলোটিন প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে চিফ হুইপ বলেন, ‘সাধারণত বাজেট আলোচনার নির্দিষ্ট সময় শেষে সরকার গিলোটিন প্রস্তাব আনেন। কিন্তু বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে এই প্রথম বিরোধীদলীয় নেতা নিজেই স্পিকারের কাছে গিলোটিন প্রস্তাব দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। বিরোধী দল ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নিয়েছে। অর্থাৎ তারা মনে করেছেন বাজেট নিয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাইকেল পার্টসের ওপর কর ছাড়ের দাবি ছাড়া বিরোধী দলের অন্য কোনও দাবি ছিল না। তারা দাবি জানালে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সেটি বিবেচনার নির্দেশ দেন। এসব ঘটনা একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়—সরকার ও বিরোধী দল উভয়েই দেশ গঠনে একসঙ্গে কাজ করতে চায়।’
কর ছাড় দিলে সরকারের চলতে সমস্যা হবে এমন ধারণার উত্তর দিতে গিয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘অনেকে প্রশ্ন করেন, এত কর ছাড় দিয়ে সরকার চলবে কীভাবে? এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রতিবছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হয়েছে। এই অর্থপাচার বন্ধ করা এবং দুর্নীতি কমানো গেলেই রাষ্ট্রের অর্থসংকট অনেকটাই দূর হবে।’

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রপ্তানি আয় কমেছে ০.৫৮ শতাংশ


