
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

৬০ মিনিটে একসঙ্গে দুটি বদল আনেন অস্ট্রিয়ার কোচ। এর পরের মিনিটেই স্পেনের গোলমুখে আক্রমণ করে অস্ট্রিয়া। মাঠের বাঁ-প্রান্ত থেকে ক্রসে হেড করেন কালাইজিক। তবে তা বারের উপর দিয়ে যায়। ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করছে অস্ট্রিয়া। আর স্পেন চাইছে গোল ব্যবধান বাড়িয়ে জয়টা নিশ্চিত করতে।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে ৬৪ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে স্পেন গোলের উদ্দেশ্যে শট নিয়েছে ১১টি। যার ৬টি ছিল লক্ষ্যে। একাধিক গোল করতে পারতো দলটি। তবে অস্ট্রিয়ার গোলকিপার আলেকজান্ডার শ্লাজার ও গোল পোস্ট বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।
৩৬ মিনিটে ওইয়ারসাবালের দেওয়া গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে স্পেন। লামিনে ইয়ামালকে রুখতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে অস্ট্রিয়া ডিফেন্ডারদের। ৩০ মিনিটে কুকুরেয়া একবার বল জালে জড়িয়েছিলেন। তবে রেফারি সেটি গোল দেননি কর্নারের সময় অস্ট্রিয়া গোলকিপারকে ফাউল করায়।

আক্রমণের ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ৩৬ মিনিটে এগিয়ে গেলো স্পেন। মার্ক কুকুয়েরার পাস থেকে ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ান মিকেল ওইয়ারসাবাল। চলতি বিশ্বকাপে এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডের এটি তৃতীয় গোল।

ম্যাচের ৩০ মিনিটে কর্নার পায় স্পেন। কর্নার প্রথমে অস্ট্রিয়া গোলকিপার পাঞ্চ মেরে রুখে দেন। বলটি অস্ট্রিয়ার এক খেলোয়াড়ের বাহুতে লেগে পরে কুকুরেয়ার সামনে। তিনি বল জালে পাঠালেও গোল দেননি রেফারি। ভিএআর চেকও গোল দেওয়া হয়নি। স্পেনের এক খেলোয়াড় গোলকিপারকে ফাউল করেছিলেন।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলছে স্পেন। ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটে তারা অস্ট্রিয়ার গোল বরাবর শট নিয়েছে দুটি। কর্নার পেয়েছে একটি। বল অস্ট্রিয়ার অর্ধেই ঘোরাফেরা করছে। উল্লেখ্য, ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে স্পেন সর্বশেষ হেরেছিল ১,১৯২ দিন আগে। ২০২৩ সালের ২৮ মার্চ স্কটল্যান্ডের কাছে ২–০ গোলে পরাজিত হওয়ার পর আর কোনো ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের কাছে হারেনি তারা।
স্পেনের একাদশ: উনাই সিমোন, পেদ্রো পোরো, পাও কুবারসি, এমেরিক লাপোর্তে, মার্ক কুকুরেয়া, রদ্রি, পেদ্রি, লামিনে ইয়ামাল, দানি ওলমো, আলেক্স বায়েনা, মিকেল ওইয়ারসাবাল।
অস্ট্রিয়ার একাদশ: আলেকজান্ডার শ্লাগার, স্টেফান পশ, কেভিন ডানসো, ডেভিড আলাবা, কনরাড লামের, নিকোলাস সাইভাল্ড, সাভের শ্লাগার, রোমানো স্মিড, পল ভানার, মার্সেল সাবিটসার, মাইকেল গ্রেগরিশ।