‘উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো বালিশকাণ্ড চলবে না’

‘উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো বালিশকাণ্ড চলবে না’
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ধরনের অপচয়, অনিয়ম বা ‘বালিশকাণ্ড’ যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের উন্নয়ন সংক্রান্ত এক সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণে যথাযথভাবে ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হবে এবং এ ধরনের উন্নয়ন উদ্যোগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ইস্কাটনের নিজস্ব জমিতে একটি আধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ভবনটি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ, সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা সংরক্ষণের উপযোগী করে নির্মাণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভবনটির জন্য একটি নান্দনিক, কার্যকর, ব্যয়-সাশ্রয়ী ও যুগোপযোগী নকশা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন। এ লক্ষ্যে স্থাপত্য অধিদপ্তর ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রতিনিধি এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ধরনের অপচয়, অনিয়ম বা ‘বালিশকাণ্ড’ যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের উন্নয়ন সংক্রান্ত এক সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণে যথাযথভাবে ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হবে এবং এ ধরনের উন্নয়ন উদ্যোগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ইস্কাটনের নিজস্ব জমিতে একটি আধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ভবনটি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ, সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা সংরক্ষণের উপযোগী করে নির্মাণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভবনটির জন্য একটি নান্দনিক, কার্যকর, ব্যয়-সাশ্রয়ী ও যুগোপযোগী নকশা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন। এ লক্ষ্যে স্থাপত্য অধিদপ্তর ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রতিনিধি এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

‘উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো বালিশকাণ্ড চলবে না’
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ধরনের অপচয়, অনিয়ম বা ‘বালিশকাণ্ড’ যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের উন্নয়ন সংক্রান্ত এক সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণে যথাযথভাবে ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হবে এবং এ ধরনের উন্নয়ন উদ্যোগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ইস্কাটনের নিজস্ব জমিতে একটি আধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ভবনটি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ, সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা সংরক্ষণের উপযোগী করে নির্মাণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভবনটির জন্য একটি নান্দনিক, কার্যকর, ব্যয়-সাশ্রয়ী ও যুগোপযোগী নকশা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন। এ লক্ষ্যে স্থাপত্য অধিদপ্তর ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রতিনিধি এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।




