ইনকিলাব মঞ্চের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে যা লিখলেন আজহারি

ইনকিলাব মঞ্চের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে যা লিখলেন আজহারি
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘের অধীনে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে সংগঠনটির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ একাধিক নেতাকর্মী আহত হন। শুক্রবারের (৬ ফেব্রুয়ারি) এ সংঘর্ষের ঘটনায় ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব ড. মিজানুর রহমান আজহারি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, হঠাৎ পুলিশের এমন আগ্রাসী মনোভাবের কারণ কী?
মিজানুর রহমান আজহারি লেখেন, ‘ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে– ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের বেধড়ক পেটাচ্ছে পুলিশ। চাইলেই অ্যাট্যাকের ভান করে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া যেতো। যেমনটি করে একজন পুলিশ কর্মকর্তা কয়েকমাস আগে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ পুলিশের এমন আগ্রাসী মনোভাবের কারণ কী?’
তিনি লেখেন, ‘বিচার চাইতে এসে শিক্ষার্থীদের এমন নির্মমতার শিকার হওয়া অত্যন্ত লজ্জার ও দুঃখজনক। যে কোনো পোশাকি বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালনে আরও বেশী সংযত, পেশাদার এবং মানবিক আচরণ করবেন সে প্রত্যাশা করি।’
সবশেষ জনপ্রিয় এই ইসলামি বক্তা লেখেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশের এমন মারমুখী আচরণ ও অতিরিক্ত বল প্রয়োগের নিন্দা জানাই।’
এর আগে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে গেলে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এরপর সন্ধ্যার দিকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের আরেক দফা সংঘর্ষ হয়। এতে সংগঠনটির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববদ্যিালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। নারী নেত্রী-সাংবাদিকসহ অন্তত ৬০ জন আহত হয়।
‘ইনকিলাব মঞ্চ’ নামে একটি ফেসবুক পেজে পোস্টে দিয়ে বলা হয়, ‘জাবের ভাই গুলিবিদ্ধ। জুমা-শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হইছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে পুলিশের নৃশংস আচরণের চিত্র ফুটে উঠেছে এসেছে। একটি ভিডিওতে এক পুলিশ সদস্যকে বলতে শোনা যায়, ‘আয়, হাদির লাশ নিয়ে যা’। অন্য একটি ভিডিওতে পুলিশ সদস্যদের অশালীন অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা গেছে। আরও একটি ভিডিওতে একজন সাংবাদিককে বেধড়ক মারধরের দৃশ্য রয়েছে। পাশাপাশি আরেকটি ভিডিওতে এক নারীকে নির্মমভাবে পেটানোর ঘটনাও দেখা যায়।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, হাসপাতালের বিছানায় জাবেরের বাঁ পায়ে রক্তাক্ত ক্ষতচিহ্ন। এছাড়া রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ কয়েকজনের শরীর রক্তাক্ত।
পুলিশের এমন আচরণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
যদিও সরকার ও পুলিশের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যমুনা ও আশপাশের এলাকায় বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করেনি পুলিশ।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ৬০ জন রোগি পেয়েছি। তবে কোনো গুলিবিদ্ধ রোগি পাইনি।
তিনি আরও বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের যারা কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসেছে। এখন পর্যন্ত আমরা ৬০ জনের মত রোগী রিসিভ করেছি। এখনো রোগী আসছে। এই রোগীগুলোর মধ্যে ৩০ জন রোগী পেয়েছি, যাদের এক্সটারনাল ইনজুরি আছে। তবে কোনো গুলিবিদ্ধ অথবা পিলেটের রোগী পাইনি। তাদের স্কাল্ব ইনজুরি, ফেস ইনজুরি, পায়ের ইনজুরি আছে।’

জাতিসংঘের অধীনে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে সংগঠনটির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ একাধিক নেতাকর্মী আহত হন। শুক্রবারের (৬ ফেব্রুয়ারি) এ সংঘর্ষের ঘটনায় ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব ড. মিজানুর রহমান আজহারি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, হঠাৎ পুলিশের এমন আগ্রাসী মনোভাবের কারণ কী?
মিজানুর রহমান আজহারি লেখেন, ‘ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে– ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের বেধড়ক পেটাচ্ছে পুলিশ। চাইলেই অ্যাট্যাকের ভান করে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া যেতো। যেমনটি করে একজন পুলিশ কর্মকর্তা কয়েকমাস আগে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ পুলিশের এমন আগ্রাসী মনোভাবের কারণ কী?’
তিনি লেখেন, ‘বিচার চাইতে এসে শিক্ষার্থীদের এমন নির্মমতার শিকার হওয়া অত্যন্ত লজ্জার ও দুঃখজনক। যে কোনো পোশাকি বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালনে আরও বেশী সংযত, পেশাদার এবং মানবিক আচরণ করবেন সে প্রত্যাশা করি।’
সবশেষ জনপ্রিয় এই ইসলামি বক্তা লেখেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশের এমন মারমুখী আচরণ ও অতিরিক্ত বল প্রয়োগের নিন্দা জানাই।’
এর আগে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে গেলে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এরপর সন্ধ্যার দিকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের আরেক দফা সংঘর্ষ হয়। এতে সংগঠনটির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববদ্যিালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। নারী নেত্রী-সাংবাদিকসহ অন্তত ৬০ জন আহত হয়।
‘ইনকিলাব মঞ্চ’ নামে একটি ফেসবুক পেজে পোস্টে দিয়ে বলা হয়, ‘জাবের ভাই গুলিবিদ্ধ। জুমা-শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হইছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে পুলিশের নৃশংস আচরণের চিত্র ফুটে উঠেছে এসেছে। একটি ভিডিওতে এক পুলিশ সদস্যকে বলতে শোনা যায়, ‘আয়, হাদির লাশ নিয়ে যা’। অন্য একটি ভিডিওতে পুলিশ সদস্যদের অশালীন অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা গেছে। আরও একটি ভিডিওতে একজন সাংবাদিককে বেধড়ক মারধরের দৃশ্য রয়েছে। পাশাপাশি আরেকটি ভিডিওতে এক নারীকে নির্মমভাবে পেটানোর ঘটনাও দেখা যায়।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, হাসপাতালের বিছানায় জাবেরের বাঁ পায়ে রক্তাক্ত ক্ষতচিহ্ন। এছাড়া রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ কয়েকজনের শরীর রক্তাক্ত।
পুলিশের এমন আচরণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
যদিও সরকার ও পুলিশের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যমুনা ও আশপাশের এলাকায় বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করেনি পুলিশ।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ৬০ জন রোগি পেয়েছি। তবে কোনো গুলিবিদ্ধ রোগি পাইনি।
তিনি আরও বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের যারা কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসেছে। এখন পর্যন্ত আমরা ৬০ জনের মত রোগী রিসিভ করেছি। এখনো রোগী আসছে। এই রোগীগুলোর মধ্যে ৩০ জন রোগী পেয়েছি, যাদের এক্সটারনাল ইনজুরি আছে। তবে কোনো গুলিবিদ্ধ অথবা পিলেটের রোগী পাইনি। তাদের স্কাল্ব ইনজুরি, ফেস ইনজুরি, পায়ের ইনজুরি আছে।’

ইনকিলাব মঞ্চের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে যা লিখলেন আজহারি
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘের অধীনে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে সংগঠনটির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ একাধিক নেতাকর্মী আহত হন। শুক্রবারের (৬ ফেব্রুয়ারি) এ সংঘর্ষের ঘটনায় ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব ড. মিজানুর রহমান আজহারি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, হঠাৎ পুলিশের এমন আগ্রাসী মনোভাবের কারণ কী?
মিজানুর রহমান আজহারি লেখেন, ‘ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে– ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের বেধড়ক পেটাচ্ছে পুলিশ। চাইলেই অ্যাট্যাকের ভান করে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া যেতো। যেমনটি করে একজন পুলিশ কর্মকর্তা কয়েকমাস আগে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ পুলিশের এমন আগ্রাসী মনোভাবের কারণ কী?’
তিনি লেখেন, ‘বিচার চাইতে এসে শিক্ষার্থীদের এমন নির্মমতার শিকার হওয়া অত্যন্ত লজ্জার ও দুঃখজনক। যে কোনো পোশাকি বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালনে আরও বেশী সংযত, পেশাদার এবং মানবিক আচরণ করবেন সে প্রত্যাশা করি।’
সবশেষ জনপ্রিয় এই ইসলামি বক্তা লেখেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশের এমন মারমুখী আচরণ ও অতিরিক্ত বল প্রয়োগের নিন্দা জানাই।’
এর আগে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে গেলে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এরপর সন্ধ্যার দিকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের আরেক দফা সংঘর্ষ হয়। এতে সংগঠনটির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববদ্যিালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। নারী নেত্রী-সাংবাদিকসহ অন্তত ৬০ জন আহত হয়।
‘ইনকিলাব মঞ্চ’ নামে একটি ফেসবুক পেজে পোস্টে দিয়ে বলা হয়, ‘জাবের ভাই গুলিবিদ্ধ। জুমা-শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হইছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে পুলিশের নৃশংস আচরণের চিত্র ফুটে উঠেছে এসেছে। একটি ভিডিওতে এক পুলিশ সদস্যকে বলতে শোনা যায়, ‘আয়, হাদির লাশ নিয়ে যা’। অন্য একটি ভিডিওতে পুলিশ সদস্যদের অশালীন অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা গেছে। আরও একটি ভিডিওতে একজন সাংবাদিককে বেধড়ক মারধরের দৃশ্য রয়েছে। পাশাপাশি আরেকটি ভিডিওতে এক নারীকে নির্মমভাবে পেটানোর ঘটনাও দেখা যায়।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, হাসপাতালের বিছানায় জাবেরের বাঁ পায়ে রক্তাক্ত ক্ষতচিহ্ন। এছাড়া রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ কয়েকজনের শরীর রক্তাক্ত।
পুলিশের এমন আচরণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
যদিও সরকার ও পুলিশের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যমুনা ও আশপাশের এলাকায় বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করেনি পুলিশ।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ৬০ জন রোগি পেয়েছি। তবে কোনো গুলিবিদ্ধ রোগি পাইনি।
তিনি আরও বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের যারা কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসেছে। এখন পর্যন্ত আমরা ৬০ জনের মত রোগী রিসিভ করেছি। এখনো রোগী আসছে। এই রোগীগুলোর মধ্যে ৩০ জন রোগী পেয়েছি, যাদের এক্সটারনাল ইনজুরি আছে। তবে কোনো গুলিবিদ্ধ অথবা পিলেটের রোগী পাইনি। তাদের স্কাল্ব ইনজুরি, ফেস ইনজুরি, পায়ের ইনজুরি আছে।’




