জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়
সিটিজেন ডেস্ক

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৭টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম আশা প্রকাশ করেছেন যে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিচারপতি, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও বিদেশি কূটনীতিকরা এ জামাতে অংশ নেবেন।
আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, কঠোর নিরাপত্তা এবং নারী-পুরুষের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঈদ জামাতকে সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক করতে ডিএসসিসি ব্যাপক আয়োজন করেছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের মোট ৩০ হাজার বর্গমিটার এলাকার মধ্যে ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার জুড়ে তৈরি করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল। এখানে মোট ১২১টি কাতারে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (ভিআইপি) জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ২৫০ জন পুরুষ এবং ৮০ জন নারীর নামাজের স্থান রাখা হয়েছে। সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ এবং প্রায় সাড়ে ৩ হাজার নারী মুসল্লির জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মুসল্লিদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঈদগাহে প্রবেশের জন্য ৪টি এবং বের হওয়ার জন্য ৭টি ফটকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিআইপিদের জন্য ১টি, সাধারণ পুরুষদের জন্য ২টি এবং নারীদের জন্য ১টি পৃথক ফটক থাকবে। একইভাবে বের হওয়ার জন্য ভিআইপিদের ১টি, সাধারণ পুরুষদের ৫টি এবং নারীদের জন্য ১টি পৃথক বহির্গমন ফটক থাকবে। মাঠের মোট ১২১টি কাতারের মধ্যে ভিআইপি পুরুষদের জন্য ৫টি ও নারীদের জন্য ১টি কাতার, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য ৬৫টি বড় আকারের কাতার এবং নারী মুসল্লিদের জন্য ৫০টি ছোট আকারের কাতার সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।
অজুর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরুষদের জন্য ১১৩ জন এবং নারীদের জন্য ২৭ জনের পৃথক ব্যবস্থাসহ একসঙ্গে ১৪০ জন মুসল্লি অজু করতে পারবেন। মুসল্লিদের স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুরো ময়দানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, পর্যাপ্ত ফ্যান ও আলোর ব্যবস্থা, নিরাপদ খাবার পানি, কার্পেট এবং ভিআইপি কাতারে জায়নামাজ সরবরাহ করা হবে।
ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট এবং বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে মুসল্লিদের স্বাগত জানাতে ঈদগাহে ৩টি দৃষ্টিনন্দন ফটক নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে করে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে সবাই ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৭টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম আশা প্রকাশ করেছেন যে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিচারপতি, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও বিদেশি কূটনীতিকরা এ জামাতে অংশ নেবেন।
আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, কঠোর নিরাপত্তা এবং নারী-পুরুষের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঈদ জামাতকে সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক করতে ডিএসসিসি ব্যাপক আয়োজন করেছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের মোট ৩০ হাজার বর্গমিটার এলাকার মধ্যে ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার জুড়ে তৈরি করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল। এখানে মোট ১২১টি কাতারে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (ভিআইপি) জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ২৫০ জন পুরুষ এবং ৮০ জন নারীর নামাজের স্থান রাখা হয়েছে। সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ এবং প্রায় সাড়ে ৩ হাজার নারী মুসল্লির জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মুসল্লিদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঈদগাহে প্রবেশের জন্য ৪টি এবং বের হওয়ার জন্য ৭টি ফটকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিআইপিদের জন্য ১টি, সাধারণ পুরুষদের জন্য ২টি এবং নারীদের জন্য ১টি পৃথক ফটক থাকবে। একইভাবে বের হওয়ার জন্য ভিআইপিদের ১টি, সাধারণ পুরুষদের ৫টি এবং নারীদের জন্য ১টি পৃথক বহির্গমন ফটক থাকবে। মাঠের মোট ১২১টি কাতারের মধ্যে ভিআইপি পুরুষদের জন্য ৫টি ও নারীদের জন্য ১টি কাতার, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য ৬৫টি বড় আকারের কাতার এবং নারী মুসল্লিদের জন্য ৫০টি ছোট আকারের কাতার সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।
অজুর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরুষদের জন্য ১১৩ জন এবং নারীদের জন্য ২৭ জনের পৃথক ব্যবস্থাসহ একসঙ্গে ১৪০ জন মুসল্লি অজু করতে পারবেন। মুসল্লিদের স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুরো ময়দানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, পর্যাপ্ত ফ্যান ও আলোর ব্যবস্থা, নিরাপদ খাবার পানি, কার্পেট এবং ভিআইপি কাতারে জায়নামাজ সরবরাহ করা হবে।
ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট এবং বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে মুসল্লিদের স্বাগত জানাতে ঈদগাহে ৩টি দৃষ্টিনন্দন ফটক নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে করে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে সবাই ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন।

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়
সিটিজেন ডেস্ক

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৭টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম আশা প্রকাশ করেছেন যে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিচারপতি, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও বিদেশি কূটনীতিকরা এ জামাতে অংশ নেবেন।
আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, কঠোর নিরাপত্তা এবং নারী-পুরুষের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঈদ জামাতকে সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক করতে ডিএসসিসি ব্যাপক আয়োজন করেছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের মোট ৩০ হাজার বর্গমিটার এলাকার মধ্যে ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার জুড়ে তৈরি করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল। এখানে মোট ১২১টি কাতারে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (ভিআইপি) জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ২৫০ জন পুরুষ এবং ৮০ জন নারীর নামাজের স্থান রাখা হয়েছে। সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ এবং প্রায় সাড়ে ৩ হাজার নারী মুসল্লির জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মুসল্লিদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঈদগাহে প্রবেশের জন্য ৪টি এবং বের হওয়ার জন্য ৭টি ফটকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিআইপিদের জন্য ১টি, সাধারণ পুরুষদের জন্য ২টি এবং নারীদের জন্য ১টি পৃথক ফটক থাকবে। একইভাবে বের হওয়ার জন্য ভিআইপিদের ১টি, সাধারণ পুরুষদের ৫টি এবং নারীদের জন্য ১টি পৃথক বহির্গমন ফটক থাকবে। মাঠের মোট ১২১টি কাতারের মধ্যে ভিআইপি পুরুষদের জন্য ৫টি ও নারীদের জন্য ১টি কাতার, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য ৬৫টি বড় আকারের কাতার এবং নারী মুসল্লিদের জন্য ৫০টি ছোট আকারের কাতার সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।
অজুর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরুষদের জন্য ১১৩ জন এবং নারীদের জন্য ২৭ জনের পৃথক ব্যবস্থাসহ একসঙ্গে ১৪০ জন মুসল্লি অজু করতে পারবেন। মুসল্লিদের স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুরো ময়দানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, পর্যাপ্ত ফ্যান ও আলোর ব্যবস্থা, নিরাপদ খাবার পানি, কার্পেট এবং ভিআইপি কাতারে জায়নামাজ সরবরাহ করা হবে।
ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট এবং বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে মুসল্লিদের স্বাগত জানাতে ঈদগাহে ৩টি দৃষ্টিনন্দন ফটক নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে করে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে সবাই ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন।

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ঈদের দিনে বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

