ঈদে মিলছে না নতুন টাকার নোট

ঈদে মিলছে না নতুন টাকার নোট
সিটিজেন ডেস্ক

প্রতি বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে ছোটদের ঈদ সালামি আর প্রিয়জনদের উপহার দিতে নতুন চকচকে নোটের ব্যাপক চাহিদা থাকে। তবে, এবার সেই চিরচেনা সুযোগটি থাকছে না। এবারের ঈদ উপলক্ষে বাজারে কোনো নতুন টাকা সরবরাহ বা বিনিময় করা হবে না।
আজ রবিবার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সাধারণত প্রতিবছর ঈদের ১০-১৫ দিন আগে থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন মানের (৫, ১০, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকা) নতুন নোট গ্রাহকদের মাঝে সরবরাহ করা হয়। এটি আমাদের এক ধরনের সাংস্কৃতিক আবহে পরিণত হয়েছে। তবে এবারের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত মুদ্রা সরবরাহ থাকায় এবং বিশেষ কিছু নীতিগত কারণে নতুন নোট ছাপিয়ে বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ঈদের আগে নতুন টাকা দেওয়া হচ্ছে—এমন কোনও তথ্য আমার কাছে নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন ঈদের আগে নতুন নোট বিতরণের প্রচলিত রেওয়াজ থেকে সরে আসছে। বরং সারা বছর ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে নতুন নোট সরবরাহ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ কোনো উৎসব বা নির্দিষ্ট দিন উপলক্ষে নতুন নোট ছাড়ার পরিকল্পনা আপাতত নেই। বাজারে চাহিদা অনুযায়ী সারা বছরই নতুন নোট সরবরাহ করা হবে।’
ঈদের সকালে বড়দের কাছ থেকে ছোটদের নতুন নোটের সালামি পাওয়াটা উৎসবের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। নতুন নোট না পাওয়ায় এবার সেই আনন্দে কিছুটা ভাটা পড়তে পারে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। ব্যাংকে নতুন টাকা না পাওয়ায় অবৈধ উপায়ে বেশি দামে টাকা কেনাবেচার কালোবাজারি চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
বিগত কয়েক বছর ধরে ব্যাংকগুলোতে নতুন নোটের জন্য দীর্ঘ সারি দেখা যেত। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের ফলে এবার সেই ভিড় থাকছে না। সাধারণ গ্রাহকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রচলিত নোটের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। শুধু বাড়তি কোনো নতুন নোট মুদ্রণ করে ছাড়া হবে না।

প্রতি বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে ছোটদের ঈদ সালামি আর প্রিয়জনদের উপহার দিতে নতুন চকচকে নোটের ব্যাপক চাহিদা থাকে। তবে, এবার সেই চিরচেনা সুযোগটি থাকছে না। এবারের ঈদ উপলক্ষে বাজারে কোনো নতুন টাকা সরবরাহ বা বিনিময় করা হবে না।
আজ রবিবার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সাধারণত প্রতিবছর ঈদের ১০-১৫ দিন আগে থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন মানের (৫, ১০, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকা) নতুন নোট গ্রাহকদের মাঝে সরবরাহ করা হয়। এটি আমাদের এক ধরনের সাংস্কৃতিক আবহে পরিণত হয়েছে। তবে এবারের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত মুদ্রা সরবরাহ থাকায় এবং বিশেষ কিছু নীতিগত কারণে নতুন নোট ছাপিয়ে বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ঈদের আগে নতুন টাকা দেওয়া হচ্ছে—এমন কোনও তথ্য আমার কাছে নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন ঈদের আগে নতুন নোট বিতরণের প্রচলিত রেওয়াজ থেকে সরে আসছে। বরং সারা বছর ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে নতুন নোট সরবরাহ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ কোনো উৎসব বা নির্দিষ্ট দিন উপলক্ষে নতুন নোট ছাড়ার পরিকল্পনা আপাতত নেই। বাজারে চাহিদা অনুযায়ী সারা বছরই নতুন নোট সরবরাহ করা হবে।’
ঈদের সকালে বড়দের কাছ থেকে ছোটদের নতুন নোটের সালামি পাওয়াটা উৎসবের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। নতুন নোট না পাওয়ায় এবার সেই আনন্দে কিছুটা ভাটা পড়তে পারে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। ব্যাংকে নতুন টাকা না পাওয়ায় অবৈধ উপায়ে বেশি দামে টাকা কেনাবেচার কালোবাজারি চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
বিগত কয়েক বছর ধরে ব্যাংকগুলোতে নতুন নোটের জন্য দীর্ঘ সারি দেখা যেত। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের ফলে এবার সেই ভিড় থাকছে না। সাধারণ গ্রাহকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রচলিত নোটের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। শুধু বাড়তি কোনো নতুন নোট মুদ্রণ করে ছাড়া হবে না।

ঈদে মিলছে না নতুন টাকার নোট
সিটিজেন ডেস্ক

প্রতি বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে ছোটদের ঈদ সালামি আর প্রিয়জনদের উপহার দিতে নতুন চকচকে নোটের ব্যাপক চাহিদা থাকে। তবে, এবার সেই চিরচেনা সুযোগটি থাকছে না। এবারের ঈদ উপলক্ষে বাজারে কোনো নতুন টাকা সরবরাহ বা বিনিময় করা হবে না।
আজ রবিবার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সাধারণত প্রতিবছর ঈদের ১০-১৫ দিন আগে থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন মানের (৫, ১০, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকা) নতুন নোট গ্রাহকদের মাঝে সরবরাহ করা হয়। এটি আমাদের এক ধরনের সাংস্কৃতিক আবহে পরিণত হয়েছে। তবে এবারের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত মুদ্রা সরবরাহ থাকায় এবং বিশেষ কিছু নীতিগত কারণে নতুন নোট ছাপিয়ে বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ঈদের আগে নতুন টাকা দেওয়া হচ্ছে—এমন কোনও তথ্য আমার কাছে নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন ঈদের আগে নতুন নোট বিতরণের প্রচলিত রেওয়াজ থেকে সরে আসছে। বরং সারা বছর ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে নতুন নোট সরবরাহ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ কোনো উৎসব বা নির্দিষ্ট দিন উপলক্ষে নতুন নোট ছাড়ার পরিকল্পনা আপাতত নেই। বাজারে চাহিদা অনুযায়ী সারা বছরই নতুন নোট সরবরাহ করা হবে।’
ঈদের সকালে বড়দের কাছ থেকে ছোটদের নতুন নোটের সালামি পাওয়াটা উৎসবের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। নতুন নোট না পাওয়ায় এবার সেই আনন্দে কিছুটা ভাটা পড়তে পারে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। ব্যাংকে নতুন টাকা না পাওয়ায় অবৈধ উপায়ে বেশি দামে টাকা কেনাবেচার কালোবাজারি চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
বিগত কয়েক বছর ধরে ব্যাংকগুলোতে নতুন নোটের জন্য দীর্ঘ সারি দেখা যেত। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের ফলে এবার সেই ভিড় থাকছে না। সাধারণ গ্রাহকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রচলিত নোটের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। শুধু বাড়তি কোনো নতুন নোট মুদ্রণ করে ছাড়া হবে না।




