যে কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে গ্যাস সরবরাহ

যে কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে গ্যাস সরবরাহ
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দাম একলাফে অনেকটা বেড়ে গেছে। এজন্য চড়া মাশুল গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে। আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং অর্থসংকটে পড়া পেট্রোবাংলার সময়মতো বিল পরিশোধ নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
পাওনা টাকা না পেলে বিদেশি সরবরাহকারীরা নতুন কার্গো পাঠানো বন্ধ করে দিতে পারে। তেমনটি হলে দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা ও সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অর্থ বিভাগ চলতি জুলাই মাসের শেষ ১৫ দিনের জন্যই পেট্রোবাংলার অনুকূলে জরুরি ভিত্তিতে এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার ভর্তুকি ছাড়ের সুপারিশ করেছে।
দেশের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা যখন হুমকির মুখে, তখন এ সংকট মোকাবিলায় নড়েচড়ে বসেছে সরকার। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে দ্রুত অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়, যেন গ্যাস সরবরাহে বিন্দুমাত্র বিঘ্ন না ঘটে। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর এ বৈঠকে একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজার প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করা এবং কোনো একটি উৎসের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত বিকল্প আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী অনুসন্ধানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন সূত্র জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের বর্তমান চড়া ভাব বজায় থাকলে চলতি অর্থবছরে কেবল এলএনজি আমদানির পেছনেই অতিরিক্ত ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত গুনতে হতে পারে। এর ফলে বাজেট ঘাটতি রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে যাবে এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতার ওপর অভূতপূর্ব চাপ তৈরি হবে। আগে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির কারণে কম দামে জ্বালানি পেলেও, এখন স্পট মার্কেট বা খোলা বাজার থেকে চড়া দামে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। যেখানে আগে একটি এলএনজি কার্গো কিনতে ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি টাকা লাগত, এখন স্পট মার্কেট থেকে একই পরিমাণ গ্যাস কিনতে প্রাক্কলিত ব্যয় হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৯৫০ কোটি টাকা, ক্ষেত্রবিশেষে তার চেয়েও বেশি।
দেখা গেছে, চলতি বছরের জুন থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত পেট্রোবাংলার ঘাটতির পরিমাণ ইতোমধ্যে দুই হাজার ২৯৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। পাশাপাশি জুলাইয়ের প্রথমার্ধে গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করেও রাজস্ব আদায়ে প্রায় ১৯০ কোটি টাকা ঘাটতি হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে পেট্রোবাংলার বকেয়া মেটাতে না পারলে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীরা জাহাজ পাঠাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন, যার করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে দেশের শিল্প উৎপাদন খাতকে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাময়িকভাবে ভর্তুকি দিয়ে এই জরুরি পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হলেও এটি স্থায়ী কোনো পথ নয়। গবেষণা সংস্থা সিপিডির প্রধান ড. ফাহমিদা খাতুন জানান, দীর্ঘমেয়াদে সংকট কাটাতে হলে নিজেদের গভীর ও অগভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং গ্যাসের অপচয় বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও (আইএমএফ) বাজেটের চাপ কমাতে এবং আর্থিক শৃঙ্খলা ফেরাতে জ্বালানি খাতে দেওয়া ভর্তুকি ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার তাগিদ দিয়ে আসছে। ফলে এখন একদিকে বকেয়া পরিশোধ করে তাৎক্ষণিক গ্যাস সরবরাহ সচল রাখা, আর অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনা গ্রহণ করাই সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দাম একলাফে অনেকটা বেড়ে গেছে। এজন্য চড়া মাশুল গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে। আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং অর্থসংকটে পড়া পেট্রোবাংলার সময়মতো বিল পরিশোধ নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
পাওনা টাকা না পেলে বিদেশি সরবরাহকারীরা নতুন কার্গো পাঠানো বন্ধ করে দিতে পারে। তেমনটি হলে দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা ও সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অর্থ বিভাগ চলতি জুলাই মাসের শেষ ১৫ দিনের জন্যই পেট্রোবাংলার অনুকূলে জরুরি ভিত্তিতে এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার ভর্তুকি ছাড়ের সুপারিশ করেছে।
দেশের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা যখন হুমকির মুখে, তখন এ সংকট মোকাবিলায় নড়েচড়ে বসেছে সরকার। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে দ্রুত অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়, যেন গ্যাস সরবরাহে বিন্দুমাত্র বিঘ্ন না ঘটে। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর এ বৈঠকে একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজার প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করা এবং কোনো একটি উৎসের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত বিকল্প আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী অনুসন্ধানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন সূত্র জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের বর্তমান চড়া ভাব বজায় থাকলে চলতি অর্থবছরে কেবল এলএনজি আমদানির পেছনেই অতিরিক্ত ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত গুনতে হতে পারে। এর ফলে বাজেট ঘাটতি রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে যাবে এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতার ওপর অভূতপূর্ব চাপ তৈরি হবে। আগে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির কারণে কম দামে জ্বালানি পেলেও, এখন স্পট মার্কেট বা খোলা বাজার থেকে চড়া দামে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। যেখানে আগে একটি এলএনজি কার্গো কিনতে ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি টাকা লাগত, এখন স্পট মার্কেট থেকে একই পরিমাণ গ্যাস কিনতে প্রাক্কলিত ব্যয় হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৯৫০ কোটি টাকা, ক্ষেত্রবিশেষে তার চেয়েও বেশি।
দেখা গেছে, চলতি বছরের জুন থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত পেট্রোবাংলার ঘাটতির পরিমাণ ইতোমধ্যে দুই হাজার ২৯৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। পাশাপাশি জুলাইয়ের প্রথমার্ধে গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করেও রাজস্ব আদায়ে প্রায় ১৯০ কোটি টাকা ঘাটতি হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে পেট্রোবাংলার বকেয়া মেটাতে না পারলে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীরা জাহাজ পাঠাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন, যার করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে দেশের শিল্প উৎপাদন খাতকে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাময়িকভাবে ভর্তুকি দিয়ে এই জরুরি পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হলেও এটি স্থায়ী কোনো পথ নয়। গবেষণা সংস্থা সিপিডির প্রধান ড. ফাহমিদা খাতুন জানান, দীর্ঘমেয়াদে সংকট কাটাতে হলে নিজেদের গভীর ও অগভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং গ্যাসের অপচয় বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও (আইএমএফ) বাজেটের চাপ কমাতে এবং আর্থিক শৃঙ্খলা ফেরাতে জ্বালানি খাতে দেওয়া ভর্তুকি ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার তাগিদ দিয়ে আসছে। ফলে এখন একদিকে বকেয়া পরিশোধ করে তাৎক্ষণিক গ্যাস সরবরাহ সচল রাখা, আর অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনা গ্রহণ করাই সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

যে কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে গ্যাস সরবরাহ
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দাম একলাফে অনেকটা বেড়ে গেছে। এজন্য চড়া মাশুল গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে। আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং অর্থসংকটে পড়া পেট্রোবাংলার সময়মতো বিল পরিশোধ নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
পাওনা টাকা না পেলে বিদেশি সরবরাহকারীরা নতুন কার্গো পাঠানো বন্ধ করে দিতে পারে। তেমনটি হলে দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা ও সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অর্থ বিভাগ চলতি জুলাই মাসের শেষ ১৫ দিনের জন্যই পেট্রোবাংলার অনুকূলে জরুরি ভিত্তিতে এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার ভর্তুকি ছাড়ের সুপারিশ করেছে।
দেশের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা যখন হুমকির মুখে, তখন এ সংকট মোকাবিলায় নড়েচড়ে বসেছে সরকার। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে দ্রুত অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়, যেন গ্যাস সরবরাহে বিন্দুমাত্র বিঘ্ন না ঘটে। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর এ বৈঠকে একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজার প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করা এবং কোনো একটি উৎসের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত বিকল্প আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী অনুসন্ধানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন সূত্র জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের বর্তমান চড়া ভাব বজায় থাকলে চলতি অর্থবছরে কেবল এলএনজি আমদানির পেছনেই অতিরিক্ত ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত গুনতে হতে পারে। এর ফলে বাজেট ঘাটতি রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে যাবে এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতার ওপর অভূতপূর্ব চাপ তৈরি হবে। আগে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির কারণে কম দামে জ্বালানি পেলেও, এখন স্পট মার্কেট বা খোলা বাজার থেকে চড়া দামে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। যেখানে আগে একটি এলএনজি কার্গো কিনতে ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি টাকা লাগত, এখন স্পট মার্কেট থেকে একই পরিমাণ গ্যাস কিনতে প্রাক্কলিত ব্যয় হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৯৫০ কোটি টাকা, ক্ষেত্রবিশেষে তার চেয়েও বেশি।
দেখা গেছে, চলতি বছরের জুন থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত পেট্রোবাংলার ঘাটতির পরিমাণ ইতোমধ্যে দুই হাজার ২৯৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। পাশাপাশি জুলাইয়ের প্রথমার্ধে গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করেও রাজস্ব আদায়ে প্রায় ১৯০ কোটি টাকা ঘাটতি হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে পেট্রোবাংলার বকেয়া মেটাতে না পারলে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীরা জাহাজ পাঠাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন, যার করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে দেশের শিল্প উৎপাদন খাতকে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাময়িকভাবে ভর্তুকি দিয়ে এই জরুরি পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হলেও এটি স্থায়ী কোনো পথ নয়। গবেষণা সংস্থা সিপিডির প্রধান ড. ফাহমিদা খাতুন জানান, দীর্ঘমেয়াদে সংকট কাটাতে হলে নিজেদের গভীর ও অগভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং গ্যাসের অপচয় বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও (আইএমএফ) বাজেটের চাপ কমাতে এবং আর্থিক শৃঙ্খলা ফেরাতে জ্বালানি খাতে দেওয়া ভর্তুকি ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার তাগিদ দিয়ে আসছে। ফলে এখন একদিকে বকেয়া পরিশোধ করে তাৎক্ষণিক গ্যাস সরবরাহ সচল রাখা, আর অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনা গ্রহণ করাই সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

গ্যাস সংকট ও লোডশেডিং আর কতদিন চলবে
শিগগিরই গ্যাস সংকট কাটছে না, বাসা-বাড়িতে ভয়াবহ ভোগান্তি






