সরকারি খাদ্যশস্য ধারণক্ষমতা বেড়ে হবে সাড়ে ২৪ লাখ টন

সরকারি খাদ্যশস্য ধারণক্ষমতা বেড়ে হবে সাড়ে ২৪ লাখ টন
বিশেষ প্রতিনিধি

সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্য ধারণ ক্ষমতা ২৪ লাখ ৫০ হাজার টনে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী একথা জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্য ধারণ ক্ষমতা ২৪ লাখ ৫০ হাজার টন করা হবে। বর্তমানে ধারণক্ষমতা রয়েছে ২৩ লাখ ১৬ হাজার টন।
তিনি জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৪১ লাখ ২৯ হাজার টনে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের খাদ্যশস্য সংগ্রহের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৩৮ লাখ ১৯ হাজার টন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে ৫৫ লাখ উপকারভোগী পরিবারকে ৬ মাস ১৫ টাকা কেজি দরে প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হচ্ছে। সারা দেশে ১ হাজারের বেশি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে চাল ও আটা সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪১৯ উপজেলায় অতিরিক্ত খোলা বাজারে বিক্রির (ওএমএস) কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন ভর্তুকিমূল্যে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। খাদ্যশস্যের বাজারদর পর্যবেক্ষণে অনলাইন মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্য ধারণ ক্ষমতা ২৪ লাখ ৫০ হাজার টনে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী একথা জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্য ধারণ ক্ষমতা ২৪ লাখ ৫০ হাজার টন করা হবে। বর্তমানে ধারণক্ষমতা রয়েছে ২৩ লাখ ১৬ হাজার টন।
তিনি জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৪১ লাখ ২৯ হাজার টনে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের খাদ্যশস্য সংগ্রহের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৩৮ লাখ ১৯ হাজার টন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে ৫৫ লাখ উপকারভোগী পরিবারকে ৬ মাস ১৫ টাকা কেজি দরে প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হচ্ছে। সারা দেশে ১ হাজারের বেশি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে চাল ও আটা সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪১৯ উপজেলায় অতিরিক্ত খোলা বাজারে বিক্রির (ওএমএস) কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন ভর্তুকিমূল্যে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। খাদ্যশস্যের বাজারদর পর্যবেক্ষণে অনলাইন মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

সরকারি খাদ্যশস্য ধারণক্ষমতা বেড়ে হবে সাড়ে ২৪ লাখ টন
বিশেষ প্রতিনিধি

সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্য ধারণ ক্ষমতা ২৪ লাখ ৫০ হাজার টনে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী একথা জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্য ধারণ ক্ষমতা ২৪ লাখ ৫০ হাজার টন করা হবে। বর্তমানে ধারণক্ষমতা রয়েছে ২৩ লাখ ১৬ হাজার টন।
তিনি জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৪১ লাখ ২৯ হাজার টনে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের খাদ্যশস্য সংগ্রহের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৩৮ লাখ ১৯ হাজার টন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে ৫৫ লাখ উপকারভোগী পরিবারকে ৬ মাস ১৫ টাকা কেজি দরে প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হচ্ছে। সারা দেশে ১ হাজারের বেশি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে চাল ও আটা সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪১৯ উপজেলায় অতিরিক্ত খোলা বাজারে বিক্রির (ওএমএস) কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন ভর্তুকিমূল্যে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। খাদ্যশস্যের বাজারদর পর্যবেক্ষণে অনলাইন মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ বাড়লো ৩৯৩ কোটি টাকা

