‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে, তবে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন’

‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে, তবে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন’
নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে, তবে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। আইনের চোখে সবাই সমান। রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এমপি হাসনাত আবদুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
এদিন হাসনাত আবদুল্লাহর ‘হাসিনার পক্ষের মিডিয়াগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা’- এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা গণতন্ত্র সমুন্নত রাখার বিপক্ষে কাজ করবে, যারা গণতন্ত্র ধূলিসাৎ করার কাজ করবে, কোনো সন্ত্রাসের কাজ করবে, সে যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশে আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ। অপরাধ বা অন্যায়ের সাথে যুক্ত থাকলে কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। অন্যায়কারী সাংবাদিক হন বা ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ কিংবা চাকুরিজীবী– আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। অপরাধের সাথে সম্পৃক্ততা থাকলে সবার ক্ষেত্রেই আইন নিজস্ব গতিতে চলবে।
তিনি আরও বলেন, জনবিরোধী কাজ বা প্রচারণায় লিপ্ত থাকা গণমাধ্যম ও ব্যক্তিদের কার্যক্রম খতিয়ে দেখে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, তবে স্বাধীনতার নামে যারা দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড বা অপপ্রচার চালাবে, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, দেশের প্রতিটি খাতে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং আইনের শাসন বজায় রাখতে সরকারি প্রক্রিয়া ও আইনি পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে, তবে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। আইনের চোখে সবাই সমান। রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এমপি হাসনাত আবদুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
এদিন হাসনাত আবদুল্লাহর ‘হাসিনার পক্ষের মিডিয়াগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা’- এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা গণতন্ত্র সমুন্নত রাখার বিপক্ষে কাজ করবে, যারা গণতন্ত্র ধূলিসাৎ করার কাজ করবে, কোনো সন্ত্রাসের কাজ করবে, সে যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশে আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ। অপরাধ বা অন্যায়ের সাথে যুক্ত থাকলে কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। অন্যায়কারী সাংবাদিক হন বা ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ কিংবা চাকুরিজীবী– আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। অপরাধের সাথে সম্পৃক্ততা থাকলে সবার ক্ষেত্রেই আইন নিজস্ব গতিতে চলবে।
তিনি আরও বলেন, জনবিরোধী কাজ বা প্রচারণায় লিপ্ত থাকা গণমাধ্যম ও ব্যক্তিদের কার্যক্রম খতিয়ে দেখে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, তবে স্বাধীনতার নামে যারা দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড বা অপপ্রচার চালাবে, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, দেশের প্রতিটি খাতে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং আইনের শাসন বজায় রাখতে সরকারি প্রক্রিয়া ও আইনি পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।

‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে, তবে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন’
নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে, তবে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। আইনের চোখে সবাই সমান। রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এমপি হাসনাত আবদুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
এদিন হাসনাত আবদুল্লাহর ‘হাসিনার পক্ষের মিডিয়াগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা’- এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা গণতন্ত্র সমুন্নত রাখার বিপক্ষে কাজ করবে, যারা গণতন্ত্র ধূলিসাৎ করার কাজ করবে, কোনো সন্ত্রাসের কাজ করবে, সে যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশে আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ। অপরাধ বা অন্যায়ের সাথে যুক্ত থাকলে কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। অন্যায়কারী সাংবাদিক হন বা ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ কিংবা চাকুরিজীবী– আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। অপরাধের সাথে সম্পৃক্ততা থাকলে সবার ক্ষেত্রেই আইন নিজস্ব গতিতে চলবে।
তিনি আরও বলেন, জনবিরোধী কাজ বা প্রচারণায় লিপ্ত থাকা গণমাধ্যম ও ব্যক্তিদের কার্যক্রম খতিয়ে দেখে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, তবে স্বাধীনতার নামে যারা দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড বা অপপ্রচার চালাবে, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, দেশের প্রতিটি খাতে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং আইনের শাসন বজায় রাখতে সরকারি প্রক্রিয়া ও আইনি পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।

১১ জুন সংসদে বাজেট পেশ করা হবে: চিফ হুইপ 


