সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
বিশেষ প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে নয়টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
সভায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনিক সংস্কারসহ বেশ কিছু নীতিনির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যগণ এবং সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী দেশের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে মন্ত্রীদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণের পর সপ্তম বারের মতো আজ সচিবালয় আসেন। সকাল ৯ টা ৫ মিনিটে তিনি সচিবালাযয়ে এসে পৌঁছান। সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন।
বৈঠকের সবচেয়ে আলোচিত দিক ছিল প্রধানমন্ত্রীর অনাড়ম্বর উপস্থিতি। প্রথা ভেঙে প্রধানমন্ত্রী নিজেই নিজের ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় ফাইল-পত্র বহন করে সম্মেলন কক্ষে প্রবেশ করেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পায়ে হেঁটে সচিবালয়ের পাশে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে যান। সেখানে পদক বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন তিনি।
এছাড়া বৈঠকে দরিদ্র কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফসহ সরকার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বিকাল সাড়ে তিনটায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের নিকট পাওনা রয়েছে প্রায় ১৫৫০ কোটি টাকা। যা এ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, এ ঋণ মওকুফ করা হলে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক লাভবান হবে। এর ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকগণ ঋণ হতে মুক্ত হতে পারবেন। যা তাদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষিখাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ কৃষকের ব্যয় হতো, সেই অর্থ তারা উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। মাথার উপর ঋণের বোঝা না থাকায় কৃষক পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে পারবেন।
এই মওকুফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড ভালো হবে। ফলে তারা ব্যাংক থেকে পুনরায় স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। যা তাদের স্থানীয় মহাজনী ঋণের উচ্চ সুদের হাত থেকে রক্ষা করবে। ঋণের বোঝা কমে যাওয়ায় কৃষকরা শস্য, মৎস্য ও পশুপালন খাতে আরও উৎসাহিত হবেন।
এতে করে জাতীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে। ঋণ মওকুফের প্রভাব হিসেবে গ্রাম হতে নগরমুখী অভিবাসন কমবে এবং গ্রামীণ মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের ১৯৯১-১৯৯৬ সময়ে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ-আসল মওকুফ করা হয়েছিল। যা কৃষকদের কষ্ট লাঘব করে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে নয়টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
সভায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনিক সংস্কারসহ বেশ কিছু নীতিনির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যগণ এবং সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী দেশের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে মন্ত্রীদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণের পর সপ্তম বারের মতো আজ সচিবালয় আসেন। সকাল ৯ টা ৫ মিনিটে তিনি সচিবালাযয়ে এসে পৌঁছান। সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন।
বৈঠকের সবচেয়ে আলোচিত দিক ছিল প্রধানমন্ত্রীর অনাড়ম্বর উপস্থিতি। প্রথা ভেঙে প্রধানমন্ত্রী নিজেই নিজের ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় ফাইল-পত্র বহন করে সম্মেলন কক্ষে প্রবেশ করেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পায়ে হেঁটে সচিবালয়ের পাশে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে যান। সেখানে পদক বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন তিনি।
এছাড়া বৈঠকে দরিদ্র কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফসহ সরকার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বিকাল সাড়ে তিনটায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের নিকট পাওনা রয়েছে প্রায় ১৫৫০ কোটি টাকা। যা এ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, এ ঋণ মওকুফ করা হলে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক লাভবান হবে। এর ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকগণ ঋণ হতে মুক্ত হতে পারবেন। যা তাদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষিখাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ কৃষকের ব্যয় হতো, সেই অর্থ তারা উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। মাথার উপর ঋণের বোঝা না থাকায় কৃষক পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে পারবেন।
এই মওকুফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড ভালো হবে। ফলে তারা ব্যাংক থেকে পুনরায় স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। যা তাদের স্থানীয় মহাজনী ঋণের উচ্চ সুদের হাত থেকে রক্ষা করবে। ঋণের বোঝা কমে যাওয়ায় কৃষকরা শস্য, মৎস্য ও পশুপালন খাতে আরও উৎসাহিত হবেন।
এতে করে জাতীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে। ঋণ মওকুফের প্রভাব হিসেবে গ্রাম হতে নগরমুখী অভিবাসন কমবে এবং গ্রামীণ মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের ১৯৯১-১৯৯৬ সময়ে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ-আসল মওকুফ করা হয়েছিল। যা কৃষকদের কষ্ট লাঘব করে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল।

সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
বিশেষ প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে নয়টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
সভায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনিক সংস্কারসহ বেশ কিছু নীতিনির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যগণ এবং সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী দেশের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে মন্ত্রীদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণের পর সপ্তম বারের মতো আজ সচিবালয় আসেন। সকাল ৯ টা ৫ মিনিটে তিনি সচিবালাযয়ে এসে পৌঁছান। সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন।
বৈঠকের সবচেয়ে আলোচিত দিক ছিল প্রধানমন্ত্রীর অনাড়ম্বর উপস্থিতি। প্রথা ভেঙে প্রধানমন্ত্রী নিজেই নিজের ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় ফাইল-পত্র বহন করে সম্মেলন কক্ষে প্রবেশ করেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পায়ে হেঁটে সচিবালয়ের পাশে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে যান। সেখানে পদক বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন তিনি।
এছাড়া বৈঠকে দরিদ্র কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফসহ সরকার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বিকাল সাড়ে তিনটায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের নিকট পাওনা রয়েছে প্রায় ১৫৫০ কোটি টাকা। যা এ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, এ ঋণ মওকুফ করা হলে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক লাভবান হবে। এর ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকগণ ঋণ হতে মুক্ত হতে পারবেন। যা তাদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষিখাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ কৃষকের ব্যয় হতো, সেই অর্থ তারা উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। মাথার উপর ঋণের বোঝা না থাকায় কৃষক পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে পারবেন।
এই মওকুফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড ভালো হবে। ফলে তারা ব্যাংক থেকে পুনরায় স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। যা তাদের স্থানীয় মহাজনী ঋণের উচ্চ সুদের হাত থেকে রক্ষা করবে। ঋণের বোঝা কমে যাওয়ায় কৃষকরা শস্য, মৎস্য ও পশুপালন খাতে আরও উৎসাহিত হবেন।
এতে করে জাতীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে। ঋণ মওকুফের প্রভাব হিসেবে গ্রাম হতে নগরমুখী অভিবাসন কমবে এবং গ্রামীণ মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের ১৯৯১-১৯৯৬ সময়ে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ-আসল মওকুফ করা হয়েছিল। যা কৃষকদের কষ্ট লাঘব করে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল।




