যে অভ্যাসে মানুষ আপনাকে গুরুত্ব দিতে শুরু করবে

যে অভ্যাসে মানুষ আপনাকে গুরুত্ব দিতে শুরু করবে
সিজেডএন ডেস্ক

মানুষের কাছে গুরুত্ব ও সম্মান পেতে অর্থ-বৈভব বা সামাজিক মর্যাদার প্রয়োজন হয় না। আপনার কিছু ব্যবহারই অন্যের কাছে আপনাকে ধীরে ধীরে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারে। নিজের কাজে নির্ভরযোগ্য থাকা, অন্যকে সম্মান করা, মনোযোগ দিয়ে শোনা, স্পষ্টভাবে কথা বলা এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষার মতো কিছু অভ্যাস মানুষের আস্থা ও সম্মান অর্জনে সহায়ক হতে পারে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু অভ্যাস সম্পর্কে, যা নিয়মিত চর্চা করলে আপনার গুরুত্ব বাড়তে পারে।
ওয়াদা রক্ষা করা
কাউকে প্রতিশ্রুতি দিলে তা অবশ্যই রক্ষা করবেন। এক্ষেত্রে কোনো অজুহাত বা গড়িমসি করা যাবে না। কারণ, একবার আপনার ওপর থেকে মানুষের বিশ্বাস উঠে গেলে তা আর সহজে ফেরত আনা যায় না। নিজের দায়িত্ব পালন করা বিশ্বাসের ভিত্তি তৈরি করে। আপনি যখন নিয়মিত কথা ও কাজের মিল রাখবেন, তখন মানুষ আপনার ওপর ভরসা রাখবে।
অকারণে ক্ষমা চাওয়া বন্ধ করুন
কথা বলার সময় দ্বিধাগ্রস্ত বাক্য এড়িয়ে চলতে হবে। কথার মধ্যে ‘বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত’ বা ‘আমি কোনো বিশেষজ্ঞ নই, তবে...’ এ ধরনের বাক্য এড়িয়ে যেতে হবে। নিজের মতামত সরাসরি এবং আত্মবিশ্বাসের সাঙ্গে প্রকাশ করুন। নিজের অন্তর্দৃষ্টি বা বুদ্ধিকে অন্যদের কাছে বোঝা হচ্ছে এমন মনে না করে এর গুরুত্ব তুলে ধরুন।
ব্যক্তিগত সীমানা রক্ষা করা
বলা হয়ে থাকে সবকিছুর একটা সীমা আছে। কেউ সীমা অতিক্রম করছে, কিন্তু আপনি বলতে পারছেন না। এই দ্বিধা দূর করতে হবে। মনে রাখবেন, সীমানা নির্ধারণ করা মানে অভদ্রতা নয়, বরং অন্যরা আপনার সঙ্গে কেমন আচরণ করবে তার একটি নির্দেশিকা। কেউ আপনার সময় নষ্ট করলে বা মূল্যবোধে আঘাত দিলে নির্দ্বিধায় এবং কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই ‘না’ বলতে শিখুন। এটি অন্যদের বাধ্য করবে আপনার সময়ের মর্যাদা দিতে।
বেশি বেশি শুনুন
প্রবাদে আছে, নীরাবতারও একটা ভাষা আছে। প্রকৃত আত্মবিশ্বাস থাকে নীরবতায়। কোনো আলোচনা বা সভায় সারাক্ষণ কথা বলে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছেন, কিন্তু কেউ আপনার কথা শুনছে না। এরচেয়ে নিজে কম কথা বলে অপরের কথা বেশি বেশি শুনুন। আপনি যখন আবেগীয় পরিপক্বতা নিয়ে কথা শুনবেন, তখন আপনার নিজের প্রতিটি শব্দের গুরুত্ব বা ওজন অনেক বেড়ে যাবে।
সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখা
কাউকে সময় দিয়েছেন, কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পৌঁছালেন না, এতে আপনার ব্যক্তিত্ব নষ্ট করে। দেরি করে পৌঁছানো আপনাকে ব্যস্ত প্রমাণ করে না, বরং এটি আপনাকে আত্মকেন্দ্রিক হিসেবে তুলে ধরে। সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়া মানে আপনি অন্যের সময়েরও মূল্য দেন। এতে আপনার প্রতি তার শ্রদ্ধাবোধ বাড়বে। এটি তাৎক্ষণিক আস্থা তৈরি করে, যা আপনাকে একজন পেশাদার মানুষ হিসেবে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে।
নিজের ভুল স্বীকার করা
মানুষ মাত্রই ভুল করবে। তবে সেই ভুল স্বীকার করতে হবে। ভুল ঢাকতে অজুহাত তৈরি না করে সরাসরি স্বীকার করে ক্ষমা চান। নিজের ইগো রক্ষা করতে গিয়ে অন্যের কাছে খাটো হয়ে যেতে পারেন। বরং ক্ষমা চাওয়া প্রমাণ করে যে আপনি কোনো ব্যর্থতা সামলানোর মতো যথেষ্ট পরিপক্ব।
সংকটে অবিচল থাকা
যে কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে বা সংকটের সময়ে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকুন। এটা নেতৃত্বের বড় গুণ। যখন সবাই দিশেহারা হয়ে পড়েছে, তখন আপনি যদি মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করে সমাধানের দিকে মনোযোগ দেন, তবে মানুষ প্রাকৃতিকভাবেই আপনার ওপর নির্ভর করবে। আপনার দিকনির্দেশনা খুঁজবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

মানুষের কাছে গুরুত্ব ও সম্মান পেতে অর্থ-বৈভব বা সামাজিক মর্যাদার প্রয়োজন হয় না। আপনার কিছু ব্যবহারই অন্যের কাছে আপনাকে ধীরে ধীরে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারে। নিজের কাজে নির্ভরযোগ্য থাকা, অন্যকে সম্মান করা, মনোযোগ দিয়ে শোনা, স্পষ্টভাবে কথা বলা এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষার মতো কিছু অভ্যাস মানুষের আস্থা ও সম্মান অর্জনে সহায়ক হতে পারে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু অভ্যাস সম্পর্কে, যা নিয়মিত চর্চা করলে আপনার গুরুত্ব বাড়তে পারে।
ওয়াদা রক্ষা করা
কাউকে প্রতিশ্রুতি দিলে তা অবশ্যই রক্ষা করবেন। এক্ষেত্রে কোনো অজুহাত বা গড়িমসি করা যাবে না। কারণ, একবার আপনার ওপর থেকে মানুষের বিশ্বাস উঠে গেলে তা আর সহজে ফেরত আনা যায় না। নিজের দায়িত্ব পালন করা বিশ্বাসের ভিত্তি তৈরি করে। আপনি যখন নিয়মিত কথা ও কাজের মিল রাখবেন, তখন মানুষ আপনার ওপর ভরসা রাখবে।
অকারণে ক্ষমা চাওয়া বন্ধ করুন
কথা বলার সময় দ্বিধাগ্রস্ত বাক্য এড়িয়ে চলতে হবে। কথার মধ্যে ‘বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত’ বা ‘আমি কোনো বিশেষজ্ঞ নই, তবে...’ এ ধরনের বাক্য এড়িয়ে যেতে হবে। নিজের মতামত সরাসরি এবং আত্মবিশ্বাসের সাঙ্গে প্রকাশ করুন। নিজের অন্তর্দৃষ্টি বা বুদ্ধিকে অন্যদের কাছে বোঝা হচ্ছে এমন মনে না করে এর গুরুত্ব তুলে ধরুন।
ব্যক্তিগত সীমানা রক্ষা করা
বলা হয়ে থাকে সবকিছুর একটা সীমা আছে। কেউ সীমা অতিক্রম করছে, কিন্তু আপনি বলতে পারছেন না। এই দ্বিধা দূর করতে হবে। মনে রাখবেন, সীমানা নির্ধারণ করা মানে অভদ্রতা নয়, বরং অন্যরা আপনার সঙ্গে কেমন আচরণ করবে তার একটি নির্দেশিকা। কেউ আপনার সময় নষ্ট করলে বা মূল্যবোধে আঘাত দিলে নির্দ্বিধায় এবং কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই ‘না’ বলতে শিখুন। এটি অন্যদের বাধ্য করবে আপনার সময়ের মর্যাদা দিতে।
বেশি বেশি শুনুন
প্রবাদে আছে, নীরাবতারও একটা ভাষা আছে। প্রকৃত আত্মবিশ্বাস থাকে নীরবতায়। কোনো আলোচনা বা সভায় সারাক্ষণ কথা বলে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছেন, কিন্তু কেউ আপনার কথা শুনছে না। এরচেয়ে নিজে কম কথা বলে অপরের কথা বেশি বেশি শুনুন। আপনি যখন আবেগীয় পরিপক্বতা নিয়ে কথা শুনবেন, তখন আপনার নিজের প্রতিটি শব্দের গুরুত্ব বা ওজন অনেক বেড়ে যাবে।
সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখা
কাউকে সময় দিয়েছেন, কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পৌঁছালেন না, এতে আপনার ব্যক্তিত্ব নষ্ট করে। দেরি করে পৌঁছানো আপনাকে ব্যস্ত প্রমাণ করে না, বরং এটি আপনাকে আত্মকেন্দ্রিক হিসেবে তুলে ধরে। সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়া মানে আপনি অন্যের সময়েরও মূল্য দেন। এতে আপনার প্রতি তার শ্রদ্ধাবোধ বাড়বে। এটি তাৎক্ষণিক আস্থা তৈরি করে, যা আপনাকে একজন পেশাদার মানুষ হিসেবে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে।
নিজের ভুল স্বীকার করা
মানুষ মাত্রই ভুল করবে। তবে সেই ভুল স্বীকার করতে হবে। ভুল ঢাকতে অজুহাত তৈরি না করে সরাসরি স্বীকার করে ক্ষমা চান। নিজের ইগো রক্ষা করতে গিয়ে অন্যের কাছে খাটো হয়ে যেতে পারেন। বরং ক্ষমা চাওয়া প্রমাণ করে যে আপনি কোনো ব্যর্থতা সামলানোর মতো যথেষ্ট পরিপক্ব।
সংকটে অবিচল থাকা
যে কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে বা সংকটের সময়ে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকুন। এটা নেতৃত্বের বড় গুণ। যখন সবাই দিশেহারা হয়ে পড়েছে, তখন আপনি যদি মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করে সমাধানের দিকে মনোযোগ দেন, তবে মানুষ প্রাকৃতিকভাবেই আপনার ওপর নির্ভর করবে। আপনার দিকনির্দেশনা খুঁজবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

যে অভ্যাসে মানুষ আপনাকে গুরুত্ব দিতে শুরু করবে
সিজেডএন ডেস্ক

মানুষের কাছে গুরুত্ব ও সম্মান পেতে অর্থ-বৈভব বা সামাজিক মর্যাদার প্রয়োজন হয় না। আপনার কিছু ব্যবহারই অন্যের কাছে আপনাকে ধীরে ধীরে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারে। নিজের কাজে নির্ভরযোগ্য থাকা, অন্যকে সম্মান করা, মনোযোগ দিয়ে শোনা, স্পষ্টভাবে কথা বলা এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষার মতো কিছু অভ্যাস মানুষের আস্থা ও সম্মান অর্জনে সহায়ক হতে পারে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু অভ্যাস সম্পর্কে, যা নিয়মিত চর্চা করলে আপনার গুরুত্ব বাড়তে পারে।
ওয়াদা রক্ষা করা
কাউকে প্রতিশ্রুতি দিলে তা অবশ্যই রক্ষা করবেন। এক্ষেত্রে কোনো অজুহাত বা গড়িমসি করা যাবে না। কারণ, একবার আপনার ওপর থেকে মানুষের বিশ্বাস উঠে গেলে তা আর সহজে ফেরত আনা যায় না। নিজের দায়িত্ব পালন করা বিশ্বাসের ভিত্তি তৈরি করে। আপনি যখন নিয়মিত কথা ও কাজের মিল রাখবেন, তখন মানুষ আপনার ওপর ভরসা রাখবে।
অকারণে ক্ষমা চাওয়া বন্ধ করুন
কথা বলার সময় দ্বিধাগ্রস্ত বাক্য এড়িয়ে চলতে হবে। কথার মধ্যে ‘বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত’ বা ‘আমি কোনো বিশেষজ্ঞ নই, তবে...’ এ ধরনের বাক্য এড়িয়ে যেতে হবে। নিজের মতামত সরাসরি এবং আত্মবিশ্বাসের সাঙ্গে প্রকাশ করুন। নিজের অন্তর্দৃষ্টি বা বুদ্ধিকে অন্যদের কাছে বোঝা হচ্ছে এমন মনে না করে এর গুরুত্ব তুলে ধরুন।
ব্যক্তিগত সীমানা রক্ষা করা
বলা হয়ে থাকে সবকিছুর একটা সীমা আছে। কেউ সীমা অতিক্রম করছে, কিন্তু আপনি বলতে পারছেন না। এই দ্বিধা দূর করতে হবে। মনে রাখবেন, সীমানা নির্ধারণ করা মানে অভদ্রতা নয়, বরং অন্যরা আপনার সঙ্গে কেমন আচরণ করবে তার একটি নির্দেশিকা। কেউ আপনার সময় নষ্ট করলে বা মূল্যবোধে আঘাত দিলে নির্দ্বিধায় এবং কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই ‘না’ বলতে শিখুন। এটি অন্যদের বাধ্য করবে আপনার সময়ের মর্যাদা দিতে।
বেশি বেশি শুনুন
প্রবাদে আছে, নীরাবতারও একটা ভাষা আছে। প্রকৃত আত্মবিশ্বাস থাকে নীরবতায়। কোনো আলোচনা বা সভায় সারাক্ষণ কথা বলে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছেন, কিন্তু কেউ আপনার কথা শুনছে না। এরচেয়ে নিজে কম কথা বলে অপরের কথা বেশি বেশি শুনুন। আপনি যখন আবেগীয় পরিপক্বতা নিয়ে কথা শুনবেন, তখন আপনার নিজের প্রতিটি শব্দের গুরুত্ব বা ওজন অনেক বেড়ে যাবে।
সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখা
কাউকে সময় দিয়েছেন, কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পৌঁছালেন না, এতে আপনার ব্যক্তিত্ব নষ্ট করে। দেরি করে পৌঁছানো আপনাকে ব্যস্ত প্রমাণ করে না, বরং এটি আপনাকে আত্মকেন্দ্রিক হিসেবে তুলে ধরে। সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়া মানে আপনি অন্যের সময়েরও মূল্য দেন। এতে আপনার প্রতি তার শ্রদ্ধাবোধ বাড়বে। এটি তাৎক্ষণিক আস্থা তৈরি করে, যা আপনাকে একজন পেশাদার মানুষ হিসেবে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে।
নিজের ভুল স্বীকার করা
মানুষ মাত্রই ভুল করবে। তবে সেই ভুল স্বীকার করতে হবে। ভুল ঢাকতে অজুহাত তৈরি না করে সরাসরি স্বীকার করে ক্ষমা চান। নিজের ইগো রক্ষা করতে গিয়ে অন্যের কাছে খাটো হয়ে যেতে পারেন। বরং ক্ষমা চাওয়া প্রমাণ করে যে আপনি কোনো ব্যর্থতা সামলানোর মতো যথেষ্ট পরিপক্ব।
সংকটে অবিচল থাকা
যে কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে বা সংকটের সময়ে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকুন। এটা নেতৃত্বের বড় গুণ। যখন সবাই দিশেহারা হয়ে পড়েছে, তখন আপনি যদি মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করে সমাধানের দিকে মনোযোগ দেন, তবে মানুষ প্রাকৃতিকভাবেই আপনার ওপর নির্ভর করবে। আপনার দিকনির্দেশনা খুঁজবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

প্রতিদিন কতটা ক্যাফেইন গ্রহণ নিরাপদ







