তরুণীকে বিয়ে, সমালোচনার জবাবে যা বললেন সত্তরোর্ধ্ব বর

তরুণীকে বিয়ে, সমালোচনার জবাবে যা বললেন সত্তরোর্ধ্ব বর

বয়স যদিও শুধু একটি সংখ্যা, তবে বিয়ের ক্ষেত্রে যেন সেটিই সবচেয়ে বড় হিসাব। সমাজে চটকদার আলোচনার জন্ম দেয়, যখন কোনো কমবয়সী পুরুষ বেশি বয়সী নারীকে বিয়ে করেন বা কোনো প্রবীণ পুরুষ তরুণী সঙ্গী বেছে নেন। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানে। নিজের চেয়ে প্রায় চার গুণ কম বয়সী এক নারীকে বিয়ে করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন ৭০ বছর বয়সী পাকিস্তানি নাগরিক হাকিম বাবর জি। ২২ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে তার এই বিয়ে ঘিরে শিরোনামে ঝড়, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক, সমালোচনা ও সমর্থনের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এদিকে ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা আঁচ করে কনটেন্ট নির্মাতারা ভিড় করেন হাকিম বাবর জির বাড়িতে। রাওয়ালপিন্ডি শহরের চাকালা স্কিম-থ্রি এলাকায় ২২ বছর বয়সী এক তরুণীকে বিয়ে করে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্ককে যেন জনসমক্ষে আলোচনার বিষয় করে তুলেছেন।
একটি ভাইরাল ভিডিওতে বাবর জিকে বলতে শোনা যায়, ‘তাদের বিয়ে একদিকে পারিবারিকভাবে নির্ধারিত, অন্যদিকে ভালোবাসারও। আমরা আগে একে অপরকে পছন্দ করি, আমার স্ত্রী প্রেমে পড়ে, তারপর নিকাহর মাধ্যমে সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক রূপ দিই।’
তার পাশে দাঁড়িয়ে তার তরুণী স্ত্রীও সম্মতি জানিয়ে বলেন, ‘ঘটনাটি ঠিক এভাবেই ঘটেছে।’
সামাজিকমাধ্যমে সমালোচনার জবাবে বাবর জি বলেন, ‘বয়স শুধু একটি সংখ্যা। মানুষের মন তরুণ থাকাই আসল বিষয়। তিনি একজন তালাকপ্রাপ্তা ছিলেন। এটি আল্লাহর নির্দেশ এবং নবী (সা.)-এর সুন্নাহ। আমি সেই অনুযায়ী বিয়ে করেছি। এতে ভুল কোথায়?’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো অবৈধ সম্পর্ক করিনি। তবু মানুষ নেতিবাচক মন্তব্য করছে। যারা সমালোচনা করছেন, তাদের অনেকেই অবৈধ সম্পর্কে জড়ান কিন্তু বিয়েতে আগ্রহী নন।’
তার স্ত্রী বলেন, প্রকৃত ভালোবাসা থাকলে বয়স কোনো বাধা হওয়া উচিত নয়। সঠিক মানুষকে পেলে বিয়ে বিলম্ব করা ঠিক নয় বলেও মত দেন তিনি।
এই দম্পতি জানিয়েছেন, ঈদুল ফিতরের পর তারা ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরব যাবেন। এরপর নেদারল্যান্ডস সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ দম্পতির বয়সের ফারাক নিয়ে উদ্বিগ্ন। আবার কেউ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিয়েটিকে সমর্থন জানিয়ে অবৈধ সম্পর্কের চেয়ে বৈধ সম্পর্ককে প্রাধান্য দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।
সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

বয়স যদিও শুধু একটি সংখ্যা, তবে বিয়ের ক্ষেত্রে যেন সেটিই সবচেয়ে বড় হিসাব। সমাজে চটকদার আলোচনার জন্ম দেয়, যখন কোনো কমবয়সী পুরুষ বেশি বয়সী নারীকে বিয়ে করেন বা কোনো প্রবীণ পুরুষ তরুণী সঙ্গী বেছে নেন। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানে। নিজের চেয়ে প্রায় চার গুণ কম বয়সী এক নারীকে বিয়ে করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন ৭০ বছর বয়সী পাকিস্তানি নাগরিক হাকিম বাবর জি। ২২ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে তার এই বিয়ে ঘিরে শিরোনামে ঝড়, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক, সমালোচনা ও সমর্থনের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এদিকে ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা আঁচ করে কনটেন্ট নির্মাতারা ভিড় করেন হাকিম বাবর জির বাড়িতে। রাওয়ালপিন্ডি শহরের চাকালা স্কিম-থ্রি এলাকায় ২২ বছর বয়সী এক তরুণীকে বিয়ে করে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্ককে যেন জনসমক্ষে আলোচনার বিষয় করে তুলেছেন।
একটি ভাইরাল ভিডিওতে বাবর জিকে বলতে শোনা যায়, ‘তাদের বিয়ে একদিকে পারিবারিকভাবে নির্ধারিত, অন্যদিকে ভালোবাসারও। আমরা আগে একে অপরকে পছন্দ করি, আমার স্ত্রী প্রেমে পড়ে, তারপর নিকাহর মাধ্যমে সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক রূপ দিই।’
তার পাশে দাঁড়িয়ে তার তরুণী স্ত্রীও সম্মতি জানিয়ে বলেন, ‘ঘটনাটি ঠিক এভাবেই ঘটেছে।’
সামাজিকমাধ্যমে সমালোচনার জবাবে বাবর জি বলেন, ‘বয়স শুধু একটি সংখ্যা। মানুষের মন তরুণ থাকাই আসল বিষয়। তিনি একজন তালাকপ্রাপ্তা ছিলেন। এটি আল্লাহর নির্দেশ এবং নবী (সা.)-এর সুন্নাহ। আমি সেই অনুযায়ী বিয়ে করেছি। এতে ভুল কোথায়?’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো অবৈধ সম্পর্ক করিনি। তবু মানুষ নেতিবাচক মন্তব্য করছে। যারা সমালোচনা করছেন, তাদের অনেকেই অবৈধ সম্পর্কে জড়ান কিন্তু বিয়েতে আগ্রহী নন।’
তার স্ত্রী বলেন, প্রকৃত ভালোবাসা থাকলে বয়স কোনো বাধা হওয়া উচিত নয়। সঠিক মানুষকে পেলে বিয়ে বিলম্ব করা ঠিক নয় বলেও মত দেন তিনি।
এই দম্পতি জানিয়েছেন, ঈদুল ফিতরের পর তারা ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরব যাবেন। এরপর নেদারল্যান্ডস সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ দম্পতির বয়সের ফারাক নিয়ে উদ্বিগ্ন। আবার কেউ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিয়েটিকে সমর্থন জানিয়ে অবৈধ সম্পর্কের চেয়ে বৈধ সম্পর্ককে প্রাধান্য দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।
সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

তরুণীকে বিয়ে, সমালোচনার জবাবে যা বললেন সত্তরোর্ধ্ব বর

বয়স যদিও শুধু একটি সংখ্যা, তবে বিয়ের ক্ষেত্রে যেন সেটিই সবচেয়ে বড় হিসাব। সমাজে চটকদার আলোচনার জন্ম দেয়, যখন কোনো কমবয়সী পুরুষ বেশি বয়সী নারীকে বিয়ে করেন বা কোনো প্রবীণ পুরুষ তরুণী সঙ্গী বেছে নেন। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানে। নিজের চেয়ে প্রায় চার গুণ কম বয়সী এক নারীকে বিয়ে করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন ৭০ বছর বয়সী পাকিস্তানি নাগরিক হাকিম বাবর জি। ২২ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে তার এই বিয়ে ঘিরে শিরোনামে ঝড়, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক, সমালোচনা ও সমর্থনের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এদিকে ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা আঁচ করে কনটেন্ট নির্মাতারা ভিড় করেন হাকিম বাবর জির বাড়িতে। রাওয়ালপিন্ডি শহরের চাকালা স্কিম-থ্রি এলাকায় ২২ বছর বয়সী এক তরুণীকে বিয়ে করে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্ককে যেন জনসমক্ষে আলোচনার বিষয় করে তুলেছেন।
একটি ভাইরাল ভিডিওতে বাবর জিকে বলতে শোনা যায়, ‘তাদের বিয়ে একদিকে পারিবারিকভাবে নির্ধারিত, অন্যদিকে ভালোবাসারও। আমরা আগে একে অপরকে পছন্দ করি, আমার স্ত্রী প্রেমে পড়ে, তারপর নিকাহর মাধ্যমে সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক রূপ দিই।’
তার পাশে দাঁড়িয়ে তার তরুণী স্ত্রীও সম্মতি জানিয়ে বলেন, ‘ঘটনাটি ঠিক এভাবেই ঘটেছে।’
সামাজিকমাধ্যমে সমালোচনার জবাবে বাবর জি বলেন, ‘বয়স শুধু একটি সংখ্যা। মানুষের মন তরুণ থাকাই আসল বিষয়। তিনি একজন তালাকপ্রাপ্তা ছিলেন। এটি আল্লাহর নির্দেশ এবং নবী (সা.)-এর সুন্নাহ। আমি সেই অনুযায়ী বিয়ে করেছি। এতে ভুল কোথায়?’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো অবৈধ সম্পর্ক করিনি। তবু মানুষ নেতিবাচক মন্তব্য করছে। যারা সমালোচনা করছেন, তাদের অনেকেই অবৈধ সম্পর্কে জড়ান কিন্তু বিয়েতে আগ্রহী নন।’
তার স্ত্রী বলেন, প্রকৃত ভালোবাসা থাকলে বয়স কোনো বাধা হওয়া উচিত নয়। সঠিক মানুষকে পেলে বিয়ে বিলম্ব করা ঠিক নয় বলেও মত দেন তিনি।
এই দম্পতি জানিয়েছেন, ঈদুল ফিতরের পর তারা ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরব যাবেন। এরপর নেদারল্যান্ডস সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ দম্পতির বয়সের ফারাক নিয়ে উদ্বিগ্ন। আবার কেউ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিয়েটিকে সমর্থন জানিয়ে অবৈধ সম্পর্কের চেয়ে বৈধ সম্পর্ককে প্রাধান্য দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।
সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন




