ইরানে সম্ভাব্য হামলা নিয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক

ইরানে সম্ভাব্য হামলা নিয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক

ইরানে সম্ভাব্য হামলা নিয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই রবিবারের মধ্যে হামলা চালানোর প্রস্তুতি রয়েছে তাদের।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্প এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি বলেও জানান তিনি।
ওই কর্মকর্তা বৈঠকের আলোচনাকে ‘পরিবর্তনশীল ও চলমান’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কারণ প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউজ এখন বিশ্লেষণ করছে হামলা চালানো হলে ইরান কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। সম্ভাব্য হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, সেটিও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অঞ্চলটিতে অবস্থানরত কিছু মার্কিন সেনাকে অস্থায়ীভাবে ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। হামলার সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে নিজ সেনাদের সুরক্ষিত রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে আরেকটি সূত্র বলেছে, কোনো সামরিক অভিযান শুরুর আগে সেনা সরিয়ে নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ কৌশল। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সেনা সরানো মানেই যে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানে হামলা চালানো হবে এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

ইরানে সম্ভাব্য হামলা নিয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই রবিবারের মধ্যে হামলা চালানোর প্রস্তুতি রয়েছে তাদের।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্প এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি বলেও জানান তিনি।
ওই কর্মকর্তা বৈঠকের আলোচনাকে ‘পরিবর্তনশীল ও চলমান’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কারণ প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউজ এখন বিশ্লেষণ করছে হামলা চালানো হলে ইরান কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। সম্ভাব্য হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, সেটিও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অঞ্চলটিতে অবস্থানরত কিছু মার্কিন সেনাকে অস্থায়ীভাবে ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। হামলার সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে নিজ সেনাদের সুরক্ষিত রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে আরেকটি সূত্র বলেছে, কোনো সামরিক অভিযান শুরুর আগে সেনা সরিয়ে নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ কৌশল। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সেনা সরানো মানেই যে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানে হামলা চালানো হবে এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

ইরানে সম্ভাব্য হামলা নিয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক

ইরানে সম্ভাব্য হামলা নিয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই রবিবারের মধ্যে হামলা চালানোর প্রস্তুতি রয়েছে তাদের।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্প এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি বলেও জানান তিনি।
ওই কর্মকর্তা বৈঠকের আলোচনাকে ‘পরিবর্তনশীল ও চলমান’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কারণ প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউজ এখন বিশ্লেষণ করছে হামলা চালানো হলে ইরান কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। সম্ভাব্য হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, সেটিও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অঞ্চলটিতে অবস্থানরত কিছু মার্কিন সেনাকে অস্থায়ীভাবে ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। হামলার সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে নিজ সেনাদের সুরক্ষিত রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে আরেকটি সূত্র বলেছে, কোনো সামরিক অভিযান শুরুর আগে সেনা সরিয়ে নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ কৌশল। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সেনা সরানো মানেই যে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানে হামলা চালানো হবে এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।




