যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত ইরানের

যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য বেশ কিছু কঠোর শর্ত দিয়েছে তেহরান। কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এগিয়ে চলা কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় ইরান জানিয়েছে, সাময়িক উত্তেজনা কমালেই চলবে না। পাশাপাশি তেহরানের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ নিশ্চিত করে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথ তৈরি করতে হবে।
দীর্ঘমেয়াদি এ সমঝোতার জন্য ইরানের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশটির ওপর থেকে মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা বা জব্দ করা ইরানি সম্পদ অবিলম্বে মুক্ত করা। দীর্ঘদিন ধরে চলা নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন থমকে গেছে। তেহরানের কর্মকর্তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতাই শেষ পর্যন্ত টেকসই হতে পারে না। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে এবং লেনদেন স্বাভাবিক করতে আটকে থাকা ওই সম্পদগুলো ফিরে পাওয়াটা তাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নৌ অবরোধ নিয়েও তীব্র আপত্তি জানিয়েছে ইরান। দেশটির অর্থনীতির মূল প্রাণশক্তি হলো তেল রপ্তানি। কিন্তু নৌ অবরোধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রি দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এটি দেশের অর্থনীতিকে আরও বেশি সংকটের মুখে ফেলছে। এ অবরোধ তুলে না নিলে কোনো কার্যকরী শান্তিচুক্তি ফলপ্রসূ হবে না।
পুরো প্রক্রিয়ায় কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও, ওয়াশিংটন এ দাবিগুলোর বিপরীতে শেষ পর্যন্ত কী অবস্থান নেয়—তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দকৃত সম্পদ ফেরত এবং তেল রপ্তানির ওপর থেকে বিধিনিষেধ তোলার মতো তিনটি কঠিন বিষয় এখন দুই দেশের সমঝোতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফলে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর জন্যও এটি এক বড় কূটনৈতিক পরীক্ষা। এখন দেখার বিষয়, আলোচনার পরবর্তী ধাপে যুক্তরাষ্ট্র এসব দাবির মুখে কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং তার ওপরই নির্ভর করবে সংকটের প্রকৃত সমাধান কতটা সম্ভব।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য বেশ কিছু কঠোর শর্ত দিয়েছে তেহরান। কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এগিয়ে চলা কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় ইরান জানিয়েছে, সাময়িক উত্তেজনা কমালেই চলবে না। পাশাপাশি তেহরানের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ নিশ্চিত করে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথ তৈরি করতে হবে।
দীর্ঘমেয়াদি এ সমঝোতার জন্য ইরানের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশটির ওপর থেকে মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা বা জব্দ করা ইরানি সম্পদ অবিলম্বে মুক্ত করা। দীর্ঘদিন ধরে চলা নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন থমকে গেছে। তেহরানের কর্মকর্তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতাই শেষ পর্যন্ত টেকসই হতে পারে না। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে এবং লেনদেন স্বাভাবিক করতে আটকে থাকা ওই সম্পদগুলো ফিরে পাওয়াটা তাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নৌ অবরোধ নিয়েও তীব্র আপত্তি জানিয়েছে ইরান। দেশটির অর্থনীতির মূল প্রাণশক্তি হলো তেল রপ্তানি। কিন্তু নৌ অবরোধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রি দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এটি দেশের অর্থনীতিকে আরও বেশি সংকটের মুখে ফেলছে। এ অবরোধ তুলে না নিলে কোনো কার্যকরী শান্তিচুক্তি ফলপ্রসূ হবে না।
পুরো প্রক্রিয়ায় কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও, ওয়াশিংটন এ দাবিগুলোর বিপরীতে শেষ পর্যন্ত কী অবস্থান নেয়—তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দকৃত সম্পদ ফেরত এবং তেল রপ্তানির ওপর থেকে বিধিনিষেধ তোলার মতো তিনটি কঠিন বিষয় এখন দুই দেশের সমঝোতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফলে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর জন্যও এটি এক বড় কূটনৈতিক পরীক্ষা। এখন দেখার বিষয়, আলোচনার পরবর্তী ধাপে যুক্তরাষ্ট্র এসব দাবির মুখে কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং তার ওপরই নির্ভর করবে সংকটের প্রকৃত সমাধান কতটা সম্ভব।
সূত্র: আল জাজিরা

যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য বেশ কিছু কঠোর শর্ত দিয়েছে তেহরান। কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এগিয়ে চলা কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় ইরান জানিয়েছে, সাময়িক উত্তেজনা কমালেই চলবে না। পাশাপাশি তেহরানের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ নিশ্চিত করে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথ তৈরি করতে হবে।
দীর্ঘমেয়াদি এ সমঝোতার জন্য ইরানের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশটির ওপর থেকে মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা বা জব্দ করা ইরানি সম্পদ অবিলম্বে মুক্ত করা। দীর্ঘদিন ধরে চলা নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন থমকে গেছে। তেহরানের কর্মকর্তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতাই শেষ পর্যন্ত টেকসই হতে পারে না। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে এবং লেনদেন স্বাভাবিক করতে আটকে থাকা ওই সম্পদগুলো ফিরে পাওয়াটা তাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নৌ অবরোধ নিয়েও তীব্র আপত্তি জানিয়েছে ইরান। দেশটির অর্থনীতির মূল প্রাণশক্তি হলো তেল রপ্তানি। কিন্তু নৌ অবরোধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রি দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এটি দেশের অর্থনীতিকে আরও বেশি সংকটের মুখে ফেলছে। এ অবরোধ তুলে না নিলে কোনো কার্যকরী শান্তিচুক্তি ফলপ্রসূ হবে না।
পুরো প্রক্রিয়ায় কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও, ওয়াশিংটন এ দাবিগুলোর বিপরীতে শেষ পর্যন্ত কী অবস্থান নেয়—তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দকৃত সম্পদ ফেরত এবং তেল রপ্তানির ওপর থেকে বিধিনিষেধ তোলার মতো তিনটি কঠিন বিষয় এখন দুই দেশের সমঝোতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফলে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর জন্যও এটি এক বড় কূটনৈতিক পরীক্ষা। এখন দেখার বিষয়, আলোচনার পরবর্তী ধাপে যুক্তরাষ্ট্র এসব দাবির মুখে কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং তার ওপরই নির্ভর করবে সংকটের প্রকৃত সমাধান কতটা সম্ভব।
সূত্র: আল জাজিরা

সিরিয়ার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১১ সেনা নিহত







