লেবাননে স্থল অভিযান নিয়ে চাপে ইসরায়েল

লেবাননে স্থল অভিযান নিয়ে চাপে ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও হিজবুল্লাহর রকেট হামলার মধ্যেই ইসরায়েল ও লেবাননের সীমান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। যদিও সাম্প্রতিক হামলার তীব্রতা আগের তুলনায় কিছুটা কম ছিল, তবুও উত্তর ইসরায়েলি সীমান্তে হিজবুল্লাহর চাপ অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) হিজবুল্লাহর হামলায় এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কৌশল নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লেবাননে একটি ‘নিরাপত্তা বাফার জোন’ তৈরির কথা বলে আসছেন। এর অংশ হিসেবে আরও রিজার্ভ সেনা ডাকার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকা, বিশেষ করে লিটানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল, এমনকি আরও উত্তরের প্রায় ১৫ শতাংশ ভূখণ্ড পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে ইসরায়েল একইসঙ্গে লেবাবনন ও ইরানের সঙ্গে তীব্র সংঘাতে জড়িত থাকায় দেশটির অভ্যন্তরে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে নাগরিকদের বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে হচ্ছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেও লেবাননে স্থল অভিযান বিস্তারের পরিকল্পনা সামনে আসছে। এটি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র বা কার্যকরভাবে দুর্বল করা শুধুমাত্র স্থল অভিযানের মাধ্যমে সম্ভব নয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন যে, লেবানন সরকারের সঙ্গে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এই লক্ষ্য অর্জন কঠিন। তবে বর্তমানে সেই আলোচনার অগ্রগতি তেমন দেখা যাচ্ছে না।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও হিজবুল্লাহর রকেট হামলার মধ্যেই ইসরায়েল ও লেবাননের সীমান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। যদিও সাম্প্রতিক হামলার তীব্রতা আগের তুলনায় কিছুটা কম ছিল, তবুও উত্তর ইসরায়েলি সীমান্তে হিজবুল্লাহর চাপ অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) হিজবুল্লাহর হামলায় এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কৌশল নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লেবাননে একটি ‘নিরাপত্তা বাফার জোন’ তৈরির কথা বলে আসছেন। এর অংশ হিসেবে আরও রিজার্ভ সেনা ডাকার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকা, বিশেষ করে লিটানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল, এমনকি আরও উত্তরের প্রায় ১৫ শতাংশ ভূখণ্ড পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে ইসরায়েল একইসঙ্গে লেবাবনন ও ইরানের সঙ্গে তীব্র সংঘাতে জড়িত থাকায় দেশটির অভ্যন্তরে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে নাগরিকদের বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে হচ্ছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেও লেবাননে স্থল অভিযান বিস্তারের পরিকল্পনা সামনে আসছে। এটি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র বা কার্যকরভাবে দুর্বল করা শুধুমাত্র স্থল অভিযানের মাধ্যমে সম্ভব নয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন যে, লেবানন সরকারের সঙ্গে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এই লক্ষ্য অর্জন কঠিন। তবে বর্তমানে সেই আলোচনার অগ্রগতি তেমন দেখা যাচ্ছে না।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবাননে স্থল অভিযান নিয়ে চাপে ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও হিজবুল্লাহর রকেট হামলার মধ্যেই ইসরায়েল ও লেবাননের সীমান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। যদিও সাম্প্রতিক হামলার তীব্রতা আগের তুলনায় কিছুটা কম ছিল, তবুও উত্তর ইসরায়েলি সীমান্তে হিজবুল্লাহর চাপ অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) হিজবুল্লাহর হামলায় এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কৌশল নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লেবাননে একটি ‘নিরাপত্তা বাফার জোন’ তৈরির কথা বলে আসছেন। এর অংশ হিসেবে আরও রিজার্ভ সেনা ডাকার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকা, বিশেষ করে লিটানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল, এমনকি আরও উত্তরের প্রায় ১৫ শতাংশ ভূখণ্ড পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে ইসরায়েল একইসঙ্গে লেবাবনন ও ইরানের সঙ্গে তীব্র সংঘাতে জড়িত থাকায় দেশটির অভ্যন্তরে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে নাগরিকদের বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে হচ্ছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেও লেবাননে স্থল অভিযান বিস্তারের পরিকল্পনা সামনে আসছে। এটি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র বা কার্যকরভাবে দুর্বল করা শুধুমাত্র স্থল অভিযানের মাধ্যমে সম্ভব নয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন যে, লেবানন সরকারের সঙ্গে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এই লক্ষ্য অর্জন কঠিন। তবে বর্তমানে সেই আলোচনার অগ্রগতি তেমন দেখা যাচ্ছে না।
সূত্র: আল জাজিরা




