মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সেনা পাঠানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সেনা পাঠানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সামরিক শক্তি বাড়ানোর বড় পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা ‘ভালোভাবে এগোচ্ছে’ বলে ট্রাম্পের দাবির মধ্যেই সেনা বাড়ানোর এ চিন্তা চলছে। এই বিশাল সৈন্য বহর পাঠানোর মূল লক্ষ্য হলো তেহরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক ও সামরিক চাপ সৃষ্টি করা।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এমনটাই জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
এর আগে ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলা স্থগিতের মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, তেহরানের অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই স্থগিতাদেশ আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
ফক্স নিউজের 'দ্য ফাইভ' অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বর্তমানে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা চলছে। ইরান সরকার অত্যন্ত ৭ দিন সময় চেয়েছিল। কিন্তু আমি তাদের ১০ দিন সময় দিয়েছি।
যুদ্ধের আগে থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ৫০ হাজারের মতো সেনা ছিল। ইরানের পাল্টা হামলার মুখে সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন উপসাগরীয় অঞ্চলে দুটি মার্কিন মেরিন ইউনিট ও ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কয়েক হাজার সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এখন তার সঙ্গে আরও ১০ হাজারের মতো সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতিতে ইরানও এরই মধ্যে ১০ লাখের বেশি যোদ্ধা জড়ো করেছে বলে সামরিক এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে ইরানি বার্তাসংস্থা তাসনিম।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে একটি ১৫ দফা শান্তি পরিকল্পনা পেশ করেছে। তবে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ধরনের আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের সঙ্গে আলোচনা বা জ্বালানি স্থাপনায় হামলা স্থগিতের কথা বললেও পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান-ইসরায়েল।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তেহরানের কেন্দ্রস্থলে সরকারি অবকাঠামো লক্ষ্য করে শুক্রবার 'ব্যাপক হামলা' চালানোর দাবি করেছে। এছাড়া লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি শহরেও হামলা হয়েছে।

ইরানে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সামরিক শক্তি বাড়ানোর বড় পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা ‘ভালোভাবে এগোচ্ছে’ বলে ট্রাম্পের দাবির মধ্যেই সেনা বাড়ানোর এ চিন্তা চলছে। এই বিশাল সৈন্য বহর পাঠানোর মূল লক্ষ্য হলো তেহরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক ও সামরিক চাপ সৃষ্টি করা।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এমনটাই জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
এর আগে ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলা স্থগিতের মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, তেহরানের অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই স্থগিতাদেশ আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
ফক্স নিউজের 'দ্য ফাইভ' অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বর্তমানে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা চলছে। ইরান সরকার অত্যন্ত ৭ দিন সময় চেয়েছিল। কিন্তু আমি তাদের ১০ দিন সময় দিয়েছি।
যুদ্ধের আগে থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ৫০ হাজারের মতো সেনা ছিল। ইরানের পাল্টা হামলার মুখে সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন উপসাগরীয় অঞ্চলে দুটি মার্কিন মেরিন ইউনিট ও ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কয়েক হাজার সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এখন তার সঙ্গে আরও ১০ হাজারের মতো সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতিতে ইরানও এরই মধ্যে ১০ লাখের বেশি যোদ্ধা জড়ো করেছে বলে সামরিক এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে ইরানি বার্তাসংস্থা তাসনিম।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে একটি ১৫ দফা শান্তি পরিকল্পনা পেশ করেছে। তবে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ধরনের আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের সঙ্গে আলোচনা বা জ্বালানি স্থাপনায় হামলা স্থগিতের কথা বললেও পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান-ইসরায়েল।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তেহরানের কেন্দ্রস্থলে সরকারি অবকাঠামো লক্ষ্য করে শুক্রবার 'ব্যাপক হামলা' চালানোর দাবি করেছে। এছাড়া লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি শহরেও হামলা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সেনা পাঠানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সামরিক শক্তি বাড়ানোর বড় পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা ‘ভালোভাবে এগোচ্ছে’ বলে ট্রাম্পের দাবির মধ্যেই সেনা বাড়ানোর এ চিন্তা চলছে। এই বিশাল সৈন্য বহর পাঠানোর মূল লক্ষ্য হলো তেহরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক ও সামরিক চাপ সৃষ্টি করা।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এমনটাই জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
এর আগে ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলা স্থগিতের মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, তেহরানের অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই স্থগিতাদেশ আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
ফক্স নিউজের 'দ্য ফাইভ' অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বর্তমানে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা চলছে। ইরান সরকার অত্যন্ত ৭ দিন সময় চেয়েছিল। কিন্তু আমি তাদের ১০ দিন সময় দিয়েছি।
যুদ্ধের আগে থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ৫০ হাজারের মতো সেনা ছিল। ইরানের পাল্টা হামলার মুখে সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন উপসাগরীয় অঞ্চলে দুটি মার্কিন মেরিন ইউনিট ও ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কয়েক হাজার সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এখন তার সঙ্গে আরও ১০ হাজারের মতো সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতিতে ইরানও এরই মধ্যে ১০ লাখের বেশি যোদ্ধা জড়ো করেছে বলে সামরিক এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে ইরানি বার্তাসংস্থা তাসনিম।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে একটি ১৫ দফা শান্তি পরিকল্পনা পেশ করেছে। তবে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ধরনের আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের সঙ্গে আলোচনা বা জ্বালানি স্থাপনায় হামলা স্থগিতের কথা বললেও পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান-ইসরায়েল।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তেহরানের কেন্দ্রস্থলে সরকারি অবকাঠামো লক্ষ্য করে শুক্রবার 'ব্যাপক হামলা' চালানোর দাবি করেছে। এছাড়া লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি শহরেও হামলা হয়েছে।




