হরমুজ প্রণালি দখলে মিত্রদের সাড়া পাচ্ছেন না ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি দখলে মিত্রদের সাড়া পাচ্ছেন না ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে সাড়া না দেওয়ায় কয়েকটি মিত্র দেশের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘদিনের পশ্চিমা অংশীদারদের ‘অকৃতজ্ঞ’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ এখন তৃতীয় সপ্তাহে গড়ালেও পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কোনো ইঙ্গিত নেই। বিশ্বে ব্যবহৃত প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত গ্যাস যে জলপথ দিয়ে পরিবহণ করা হয়, সেই হরমুজ প্রণালি প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে অচল অবস্থায় রয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বাড়ছে এবং মুদ্রাস্ফীতির শঙ্কা দেখা দিচ্ছে।
এদিকে সংঘাতের অর্থনৈতিক চাপ ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর পড়তে শুরু করেছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর আগে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ করা হয়নি। বরং ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এসব মিত্র দেশের প্রতি কড়া সমালোচনা ও হুমকিমূলক বক্তব্য দিয়ে আসছেন তিনি।
জার্মানি, স্পেন ও ইতালিসহ কয়েকটি দেশ স্পষ্ট জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তারা আপাতত কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে না। ইরান ড্রোন ও সমুদ্র মাইন ব্যবহার করে জলপথটিকে কার্যত অচল করে রেখেছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎস বার্লিনে এক বক্তব্যে বলেন, প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক অনুমোদন না থাকায় তাদের পক্ষে এ ধরনের সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল জার্মানির সঙ্গে আলোচনা করেনি।
এর আগে হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, কিছু দেশ সহযোগিতার আগ্রহ দেখালেও অনেকেই পিছিয়ে আছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যেসব দেশকে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা দিয়ে এসেছে, তারাই এখন প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়াতে অনীহা দেখাচ্ছে।
হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান—যা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে সাড়া না দেওয়ায় কয়েকটি মিত্র দেশের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘদিনের পশ্চিমা অংশীদারদের ‘অকৃতজ্ঞ’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ এখন তৃতীয় সপ্তাহে গড়ালেও পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কোনো ইঙ্গিত নেই। বিশ্বে ব্যবহৃত প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত গ্যাস যে জলপথ দিয়ে পরিবহণ করা হয়, সেই হরমুজ প্রণালি প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে অচল অবস্থায় রয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বাড়ছে এবং মুদ্রাস্ফীতির শঙ্কা দেখা দিচ্ছে।
এদিকে সংঘাতের অর্থনৈতিক চাপ ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর পড়তে শুরু করেছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর আগে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ করা হয়নি। বরং ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এসব মিত্র দেশের প্রতি কড়া সমালোচনা ও হুমকিমূলক বক্তব্য দিয়ে আসছেন তিনি।
জার্মানি, স্পেন ও ইতালিসহ কয়েকটি দেশ স্পষ্ট জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তারা আপাতত কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে না। ইরান ড্রোন ও সমুদ্র মাইন ব্যবহার করে জলপথটিকে কার্যত অচল করে রেখেছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎস বার্লিনে এক বক্তব্যে বলেন, প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক অনুমোদন না থাকায় তাদের পক্ষে এ ধরনের সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল জার্মানির সঙ্গে আলোচনা করেনি।
এর আগে হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, কিছু দেশ সহযোগিতার আগ্রহ দেখালেও অনেকেই পিছিয়ে আছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যেসব দেশকে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা দিয়ে এসেছে, তারাই এখন প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়াতে অনীহা দেখাচ্ছে।
হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান—যা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

হরমুজ প্রণালি দখলে মিত্রদের সাড়া পাচ্ছেন না ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে সাড়া না দেওয়ায় কয়েকটি মিত্র দেশের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘদিনের পশ্চিমা অংশীদারদের ‘অকৃতজ্ঞ’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ এখন তৃতীয় সপ্তাহে গড়ালেও পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কোনো ইঙ্গিত নেই। বিশ্বে ব্যবহৃত প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত গ্যাস যে জলপথ দিয়ে পরিবহণ করা হয়, সেই হরমুজ প্রণালি প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে অচল অবস্থায় রয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বাড়ছে এবং মুদ্রাস্ফীতির শঙ্কা দেখা দিচ্ছে।
এদিকে সংঘাতের অর্থনৈতিক চাপ ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর পড়তে শুরু করেছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর আগে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ করা হয়নি। বরং ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এসব মিত্র দেশের প্রতি কড়া সমালোচনা ও হুমকিমূলক বক্তব্য দিয়ে আসছেন তিনি।
জার্মানি, স্পেন ও ইতালিসহ কয়েকটি দেশ স্পষ্ট জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তারা আপাতত কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে না। ইরান ড্রোন ও সমুদ্র মাইন ব্যবহার করে জলপথটিকে কার্যত অচল করে রেখেছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎস বার্লিনে এক বক্তব্যে বলেন, প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক অনুমোদন না থাকায় তাদের পক্ষে এ ধরনের সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল জার্মানির সঙ্গে আলোচনা করেনি।
এর আগে হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, কিছু দেশ সহযোগিতার আগ্রহ দেখালেও অনেকেই পিছিয়ে আছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যেসব দেশকে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা দিয়ে এসেছে, তারাই এখন প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়াতে অনীহা দেখাচ্ছে।
হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান—যা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।




