৬ মুসলিম দেশকে ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তির আহ্বান ট্রাম্পের

৬ মুসলিম দেশকে ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তির আহ্বান ট্রাম্পের
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তির বিষয়ে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ৬ মুসলিম দেশকে একযোগে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশগুলো হলো সৌদি আরব, কাতার, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর ও জর্ডান।
পাকিস্তান প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে এখন পর্যন্ত অন্য কোনো দেশ ট্রাম্পের দাবির বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে এই মুসলিম দেশগুলোতে তেলআবিবের প্রতি অবিশ্বাস বেশি। এজন্য ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনাও কম।
ট্রাম্প বলেছেন, তিনি শনিবার ওই দেশগুলোর নেতাদের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের নেতাদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। দেশ দুটি ইতোমধ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
নিজের সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি সকল দেশকে অবিলম্বে আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে অনুরোধ করছি। আর যদি ইরান আমার সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাদেরও এই অতুলনীয় বিশ্ব জোটের অংশ হিসেবে পেলে তা হবে সম্মানের বিষয়।’
এই অত্যন্ত জটিল পরিস্থিতি সমাধান করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের করা সব প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি পাকিস্তানি সূত্রের মতে, ট্রাম্পের বিবৃতি ইরান যুদ্ধবিরতি কূটনীতিকে ব্যবহার করে আহ্রাম চুক্তিকে আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা দেখা গেছে। সূত্রটি জোর দিয়ে বলেছে, দুটি বিষয় একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটাকে এক করাও সম্ভব নয়।’
এ ধরনের কোনো দাবি মেনে নিতে পাকিস্তানের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
ট্রাম্পের পোস্টের বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।
ট্রাম্প বলেন, তিনি যেসব দেশের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাদের মধ্যে এক বা দুটি দেশের আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ না দেওয়ার কারণ থাকতে পারে। কিন্তু বেশিরভাগ দেশই ‘ইরানের সঙ্গে এই মীমাংসাকে অন্য যেকোনো অবস্থার চেয়ে অনেক বেশি ঐতিহাসিক একটি ঘটনায় পরিণত করতে প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম’ থাকবে।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তির বিষয়ে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ৬ মুসলিম দেশকে একযোগে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশগুলো হলো সৌদি আরব, কাতার, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর ও জর্ডান।
পাকিস্তান প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে এখন পর্যন্ত অন্য কোনো দেশ ট্রাম্পের দাবির বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে এই মুসলিম দেশগুলোতে তেলআবিবের প্রতি অবিশ্বাস বেশি। এজন্য ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনাও কম।
ট্রাম্প বলেছেন, তিনি শনিবার ওই দেশগুলোর নেতাদের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের নেতাদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। দেশ দুটি ইতোমধ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
নিজের সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি সকল দেশকে অবিলম্বে আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে অনুরোধ করছি। আর যদি ইরান আমার সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাদেরও এই অতুলনীয় বিশ্ব জোটের অংশ হিসেবে পেলে তা হবে সম্মানের বিষয়।’
এই অত্যন্ত জটিল পরিস্থিতি সমাধান করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের করা সব প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি পাকিস্তানি সূত্রের মতে, ট্রাম্পের বিবৃতি ইরান যুদ্ধবিরতি কূটনীতিকে ব্যবহার করে আহ্রাম চুক্তিকে আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা দেখা গেছে। সূত্রটি জোর দিয়ে বলেছে, দুটি বিষয় একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটাকে এক করাও সম্ভব নয়।’
এ ধরনের কোনো দাবি মেনে নিতে পাকিস্তানের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
ট্রাম্পের পোস্টের বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।
ট্রাম্প বলেন, তিনি যেসব দেশের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাদের মধ্যে এক বা দুটি দেশের আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ না দেওয়ার কারণ থাকতে পারে। কিন্তু বেশিরভাগ দেশই ‘ইরানের সঙ্গে এই মীমাংসাকে অন্য যেকোনো অবস্থার চেয়ে অনেক বেশি ঐতিহাসিক একটি ঘটনায় পরিণত করতে প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম’ থাকবে।
সূত্র: রয়টার্স

৬ মুসলিম দেশকে ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তির আহ্বান ট্রাম্পের
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তির বিষয়ে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ৬ মুসলিম দেশকে একযোগে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশগুলো হলো সৌদি আরব, কাতার, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর ও জর্ডান।
পাকিস্তান প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে এখন পর্যন্ত অন্য কোনো দেশ ট্রাম্পের দাবির বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে এই মুসলিম দেশগুলোতে তেলআবিবের প্রতি অবিশ্বাস বেশি। এজন্য ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনাও কম।
ট্রাম্প বলেছেন, তিনি শনিবার ওই দেশগুলোর নেতাদের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের নেতাদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। দেশ দুটি ইতোমধ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
নিজের সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি সকল দেশকে অবিলম্বে আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে অনুরোধ করছি। আর যদি ইরান আমার সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাদেরও এই অতুলনীয় বিশ্ব জোটের অংশ হিসেবে পেলে তা হবে সম্মানের বিষয়।’
এই অত্যন্ত জটিল পরিস্থিতি সমাধান করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের করা সব প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি পাকিস্তানি সূত্রের মতে, ট্রাম্পের বিবৃতি ইরান যুদ্ধবিরতি কূটনীতিকে ব্যবহার করে আহ্রাম চুক্তিকে আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা দেখা গেছে। সূত্রটি জোর দিয়ে বলেছে, দুটি বিষয় একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটাকে এক করাও সম্ভব নয়।’
এ ধরনের কোনো দাবি মেনে নিতে পাকিস্তানের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
ট্রাম্পের পোস্টের বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।
ট্রাম্প বলেন, তিনি যেসব দেশের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাদের মধ্যে এক বা দুটি দেশের আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ না দেওয়ার কারণ থাকতে পারে। কিন্তু বেশিরভাগ দেশই ‘ইরানের সঙ্গে এই মীমাংসাকে অন্য যেকোনো অবস্থার চেয়ে অনেক বেশি ঐতিহাসিক একটি ঘটনায় পরিণত করতে প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম’ থাকবে।
সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর যা বললো ইরান
সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে সম্মত ইরান: মার্কিন কর্মকর্তা


