মধ্যপ্রাচ্যে আরও প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে আরও প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ পরিস্থিতির মধ্যেই সৌদি আরব ও কাতারে অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে প্যাট্রিয়টের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও এর সরবরাহ বেশ সীমিত। মিসাইল ডিফেন্স অ্যালায়েন্সের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোতায়েন রয়েছে মাত্র ৩৩টি ব্যাটারি, আর দেশের বাইরে রয়েছে ২৭টি। কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার মুখে ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক আক্রমণের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় তারা অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য বরাবরই ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভর করে আসছে।
এদিকে ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধা এবং ইরাকের শিয়া মিলিশিয়াদের লাগাতার হামলায় সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোগুলো হুমকিতে রয়েছে। দেশটির পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন বা প্রধান তেল রপ্তানি বন্দর ইয়ানবুতেও হামলা চালিয়েছে হুথিরা।
পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হতে চলেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার কথা বিবেচনা করছেন। তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমাকে একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে; তারা হয় একটি অত্যন্ত ন্যায্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে, নতুবা তাদের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’
এর অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার নতুন সেনা এবং তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে সান ডিয়েগো থেকে রওনা হয়েছে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ও প্রায় ১০ হাজার মেরিন সেনা নিয়ে যাত্রা করেছে ইউএসএস ম্যাকিন আইল্যান্ড। এ অঞ্চলে আগে থেকেই মোতায়েন রয়েছে ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ পরিস্থিতির মধ্যেই সৌদি আরব ও কাতারে অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে প্যাট্রিয়টের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও এর সরবরাহ বেশ সীমিত। মিসাইল ডিফেন্স অ্যালায়েন্সের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোতায়েন রয়েছে মাত্র ৩৩টি ব্যাটারি, আর দেশের বাইরে রয়েছে ২৭টি। কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার মুখে ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক আক্রমণের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় তারা অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য বরাবরই ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভর করে আসছে।
এদিকে ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধা এবং ইরাকের শিয়া মিলিশিয়াদের লাগাতার হামলায় সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোগুলো হুমকিতে রয়েছে। দেশটির পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন বা প্রধান তেল রপ্তানি বন্দর ইয়ানবুতেও হামলা চালিয়েছে হুথিরা।
পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হতে চলেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার কথা বিবেচনা করছেন। তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমাকে একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে; তারা হয় একটি অত্যন্ত ন্যায্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে, নতুবা তাদের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’
এর অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার নতুন সেনা এবং তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে সান ডিয়েগো থেকে রওনা হয়েছে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ও প্রায় ১০ হাজার মেরিন সেনা নিয়ে যাত্রা করেছে ইউএসএস ম্যাকিন আইল্যান্ড। এ অঞ্চলে আগে থেকেই মোতায়েন রয়েছে ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

মধ্যপ্রাচ্যে আরও প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ পরিস্থিতির মধ্যেই সৌদি আরব ও কাতারে অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে প্যাট্রিয়টের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও এর সরবরাহ বেশ সীমিত। মিসাইল ডিফেন্স অ্যালায়েন্সের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোতায়েন রয়েছে মাত্র ৩৩টি ব্যাটারি, আর দেশের বাইরে রয়েছে ২৭টি। কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার মুখে ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক আক্রমণের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় তারা অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য বরাবরই ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভর করে আসছে।
এদিকে ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধা এবং ইরাকের শিয়া মিলিশিয়াদের লাগাতার হামলায় সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোগুলো হুমকিতে রয়েছে। দেশটির পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন বা প্রধান তেল রপ্তানি বন্দর ইয়ানবুতেও হামলা চালিয়েছে হুথিরা।
পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হতে চলেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার কথা বিবেচনা করছেন। তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমাকে একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে; তারা হয় একটি অত্যন্ত ন্যায্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে, নতুবা তাদের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’
এর অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার নতুন সেনা এবং তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে সান ডিয়েগো থেকে রওনা হয়েছে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ও প্রায় ১০ হাজার মেরিন সেনা নিয়ে যাত্রা করেছে ইউএসএস ম্যাকিন আইল্যান্ড। এ অঞ্চলে আগে থেকেই মোতায়েন রয়েছে ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

সৌদি আরবকে রক্ষায় যেকোনো উপায়ে পাশে থাকার অঙ্গীকার পাকিস্তানের







