ইসরায়েলের পতন হতে যাচ্ছে: নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের পতন হতে যাচ্ছে: নেতানিয়াহু
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে বাদ দিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বি ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটকে পরবর্তী সরকার গঠনের অনুমতি দিয়েছেন। এমন সিদ্ধান্ত বুমেরাং হবে বলে মনে করছেন ১৯ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
তার মতে, ইসরাইলের বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আরব দলগুলোর সম্ভাব্য জোট হলে দেশটির পতন ঘটবে। নেতানিয়াহুর দাবি, ইসলামপন্থিদের ওপর নির্ভরশীল এমন সরকার ভেতর থেকেই ইসরাইলকে ধ্বংস করে দেবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। আগামী সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগের দিন এ বক্তব্য দেন তিনি। তবে দখলদার দেশটির প্রেসিডেন্ট বেছে নিয়েছেন আইজেনকটকে।
গত ২৭ অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনে কোনো পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠনের জন্য কাকে নিয়োগ করবেন তা নির্ধারণ করতে হারজোগ এই সপ্তাহে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোসহ প্রায় ৬৭ জন আইনপ্রণেতা পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য ইয়াশার পার্টির নেতা আইজেনকোটকে সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে সমর্থন করেছেন মাত্র ৪৬ জন।
ইসরায়েলের সংবিধান অনুযায়ী সরকার গঠনের জন্য নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে কমপক্ষে ৬১টি আসন প্রয়োজন। নির্বাচনে আইজেনকোটের চার-দলীয় জোট ৪৮টি আসন পায়, অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ডানপন্থী ও ধর্মীয় জোট ৫৩টি আসন লাভ করে। ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলো রেকর্ড সংখ্যক ১৯টি আসন লাভ করে।
এদিকে সরকার গঠনের জন্য অতি-গোঁড়া ইহুদি দলগুলোর সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন আইজেনকট। এছাড়া মধ্যম ইসলামপন্থি দল রা'আমের সমর্থন এবং আরব সংখ্যাগরিষ্ঠ জয়েন্ট লিস্টের বাইরের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তার। এতে আইজেনকটের পক্ষে ৬৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন নিশ্চিত হতে পারে।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসলামপন্থিদের ওপর নির্ভরশীল এমন সরকার ভেতর থেকেই ইসরাইল রাষ্ট্রকে ভেঙে ফেলবে। ইউরোপের দেশগুলোতে যা ঘটছে, তার চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ সরকার গঠনের দায়িত্ব আইজেনকটকে দেন। সংসদের ৬৭ জন সদস্য আইজেনকটের পক্ষে সুপারিশ করেছেন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর পক্ষে রয়েছেন ৪৬ জন আইনপ্রণেতা।
এদিকে দুই শিবিরের দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের সম্ভাবনাও বিবেচনা করছেন প্রেসিডেন্ট হারজগ। শনিবার নেতানিয়াহুও এমন সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, জাতীয় শিবিরের সব দল এবং ইসরাইল রাষ্ট্রকে সুরক্ষিত রাখতে চায়- এমন সব জায়নবাদী দলকে নিয়ে ঐক্যের সরকার গঠন করা উচিত। তবে এমন সরকারের নেতৃত্ব নিজে দিতে চান কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি আইজেনকট।
সূত্র: আল জাজিরা, দ্য জেরুজালেম পোস্ট

ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে বাদ দিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বি ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটকে পরবর্তী সরকার গঠনের অনুমতি দিয়েছেন। এমন সিদ্ধান্ত বুমেরাং হবে বলে মনে করছেন ১৯ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
তার মতে, ইসরাইলের বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আরব দলগুলোর সম্ভাব্য জোট হলে দেশটির পতন ঘটবে। নেতানিয়াহুর দাবি, ইসলামপন্থিদের ওপর নির্ভরশীল এমন সরকার ভেতর থেকেই ইসরাইলকে ধ্বংস করে দেবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। আগামী সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগের দিন এ বক্তব্য দেন তিনি। তবে দখলদার দেশটির প্রেসিডেন্ট বেছে নিয়েছেন আইজেনকটকে।
গত ২৭ অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনে কোনো পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠনের জন্য কাকে নিয়োগ করবেন তা নির্ধারণ করতে হারজোগ এই সপ্তাহে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোসহ প্রায় ৬৭ জন আইনপ্রণেতা পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য ইয়াশার পার্টির নেতা আইজেনকোটকে সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে সমর্থন করেছেন মাত্র ৪৬ জন।
ইসরায়েলের সংবিধান অনুযায়ী সরকার গঠনের জন্য নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে কমপক্ষে ৬১টি আসন প্রয়োজন। নির্বাচনে আইজেনকোটের চার-দলীয় জোট ৪৮টি আসন পায়, অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ডানপন্থী ও ধর্মীয় জোট ৫৩টি আসন লাভ করে। ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলো রেকর্ড সংখ্যক ১৯টি আসন লাভ করে।
এদিকে সরকার গঠনের জন্য অতি-গোঁড়া ইহুদি দলগুলোর সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন আইজেনকট। এছাড়া মধ্যম ইসলামপন্থি দল রা'আমের সমর্থন এবং আরব সংখ্যাগরিষ্ঠ জয়েন্ট লিস্টের বাইরের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তার। এতে আইজেনকটের পক্ষে ৬৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন নিশ্চিত হতে পারে।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসলামপন্থিদের ওপর নির্ভরশীল এমন সরকার ভেতর থেকেই ইসরাইল রাষ্ট্রকে ভেঙে ফেলবে। ইউরোপের দেশগুলোতে যা ঘটছে, তার চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ সরকার গঠনের দায়িত্ব আইজেনকটকে দেন। সংসদের ৬৭ জন সদস্য আইজেনকটের পক্ষে সুপারিশ করেছেন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর পক্ষে রয়েছেন ৪৬ জন আইনপ্রণেতা।
এদিকে দুই শিবিরের দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের সম্ভাবনাও বিবেচনা করছেন প্রেসিডেন্ট হারজগ। শনিবার নেতানিয়াহুও এমন সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, জাতীয় শিবিরের সব দল এবং ইসরাইল রাষ্ট্রকে সুরক্ষিত রাখতে চায়- এমন সব জায়নবাদী দলকে নিয়ে ঐক্যের সরকার গঠন করা উচিত। তবে এমন সরকারের নেতৃত্ব নিজে দিতে চান কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি আইজেনকট।
সূত্র: আল জাজিরা, দ্য জেরুজালেম পোস্ট

ইসরায়েলের পতন হতে যাচ্ছে: নেতানিয়াহু
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে বাদ দিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বি ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটকে পরবর্তী সরকার গঠনের অনুমতি দিয়েছেন। এমন সিদ্ধান্ত বুমেরাং হবে বলে মনে করছেন ১৯ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
তার মতে, ইসরাইলের বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আরব দলগুলোর সম্ভাব্য জোট হলে দেশটির পতন ঘটবে। নেতানিয়াহুর দাবি, ইসলামপন্থিদের ওপর নির্ভরশীল এমন সরকার ভেতর থেকেই ইসরাইলকে ধ্বংস করে দেবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। আগামী সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগের দিন এ বক্তব্য দেন তিনি। তবে দখলদার দেশটির প্রেসিডেন্ট বেছে নিয়েছেন আইজেনকটকে।
গত ২৭ অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনে কোনো পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠনের জন্য কাকে নিয়োগ করবেন তা নির্ধারণ করতে হারজোগ এই সপ্তাহে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোসহ প্রায় ৬৭ জন আইনপ্রণেতা পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য ইয়াশার পার্টির নেতা আইজেনকোটকে সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে সমর্থন করেছেন মাত্র ৪৬ জন।
ইসরায়েলের সংবিধান অনুযায়ী সরকার গঠনের জন্য নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে কমপক্ষে ৬১টি আসন প্রয়োজন। নির্বাচনে আইজেনকোটের চার-দলীয় জোট ৪৮টি আসন পায়, অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ডানপন্থী ও ধর্মীয় জোট ৫৩টি আসন লাভ করে। ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলো রেকর্ড সংখ্যক ১৯টি আসন লাভ করে।
এদিকে সরকার গঠনের জন্য অতি-গোঁড়া ইহুদি দলগুলোর সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন আইজেনকট। এছাড়া মধ্যম ইসলামপন্থি দল রা'আমের সমর্থন এবং আরব সংখ্যাগরিষ্ঠ জয়েন্ট লিস্টের বাইরের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তার। এতে আইজেনকটের পক্ষে ৬৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন নিশ্চিত হতে পারে।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসলামপন্থিদের ওপর নির্ভরশীল এমন সরকার ভেতর থেকেই ইসরাইল রাষ্ট্রকে ভেঙে ফেলবে। ইউরোপের দেশগুলোতে যা ঘটছে, তার চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ সরকার গঠনের দায়িত্ব আইজেনকটকে দেন। সংসদের ৬৭ জন সদস্য আইজেনকটের পক্ষে সুপারিশ করেছেন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর পক্ষে রয়েছেন ৪৬ জন আইনপ্রণেতা।
এদিকে দুই শিবিরের দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের সম্ভাবনাও বিবেচনা করছেন প্রেসিডেন্ট হারজগ। শনিবার নেতানিয়াহুও এমন সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, জাতীয় শিবিরের সব দল এবং ইসরাইল রাষ্ট্রকে সুরক্ষিত রাখতে চায়- এমন সব জায়নবাদী দলকে নিয়ে ঐক্যের সরকার গঠন করা উচিত। তবে এমন সরকারের নেতৃত্ব নিজে দিতে চান কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি আইজেনকট।
সূত্র: আল জাজিরা, দ্য জেরুজালেম পোস্ট

নেতানিয়াহুর বিদায়, ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন আইজেনকোট
ইরানে তীব্র হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের







