‘পরাজিত ব্যক্তি’ বলায় সাংবাদিকের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

‘পরাজিত ব্যক্তি’ বলায় সাংবাদিকের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর এবার এক চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। নির্বাচনি হারের কারণ ও নিজের অবস্থান নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব না দিয়ে উল্টো চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে সেখান থেকে দ্রুত সরে পড়েন তিনি।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণ ছেড়ে ফ্লোরিডার পথে রওনা হওয়ার মুহূর্তটিতে ঘটে এ নাটকীয় ঘটনা। উপস্থিত সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছিলেন ট্রাম্প। তবে পরিবেশ হুট করেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন মাঝখান থেকে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করে বসেন, প্রেসিডেন্ট, একজন পরাজিত ব্যক্তি হিসেবে এখন কেমন বোধ করছেন?
হঠাৎ এমন অপ্রত্যাশিত প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প আর ক্ষণিকের জন্যও থামেননি। পেছনের দিকে না তাকিয়ে কিংবা কোনো মন্তব্য না করেই তিনি দ্রুতই স্থান ত্যাগ করেন। তবে তার হাঁটার ধরন এবং অবয়বে চরম বিরক্তি ও ক্ষোভের চাপ দৃশ্যমান ছিল। ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর রবিবারের (৮ অক্টোবর) একটি প্রতিবেদনে হোয়াইট হাউসের এ ঘটনার সচিত্র বিবরণ উঠে আসে।
৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট ও হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস- মার্কিন আইনসভার দুই কক্ষেই নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি। ঐতিহাসিকভাবে রিপাবলিকানদের নিশ্চিত জয়ের ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দুর্গে এমন ফাটল ট্রাম্পের নীতি ও নেতৃত্বের ওপর দেশটির সাধারণ ভোটারদের জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর এবার এক চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। নির্বাচনি হারের কারণ ও নিজের অবস্থান নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব না দিয়ে উল্টো চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে সেখান থেকে দ্রুত সরে পড়েন তিনি।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণ ছেড়ে ফ্লোরিডার পথে রওনা হওয়ার মুহূর্তটিতে ঘটে এ নাটকীয় ঘটনা। উপস্থিত সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছিলেন ট্রাম্প। তবে পরিবেশ হুট করেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন মাঝখান থেকে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করে বসেন, প্রেসিডেন্ট, একজন পরাজিত ব্যক্তি হিসেবে এখন কেমন বোধ করছেন?
হঠাৎ এমন অপ্রত্যাশিত প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প আর ক্ষণিকের জন্যও থামেননি। পেছনের দিকে না তাকিয়ে কিংবা কোনো মন্তব্য না করেই তিনি দ্রুতই স্থান ত্যাগ করেন। তবে তার হাঁটার ধরন এবং অবয়বে চরম বিরক্তি ও ক্ষোভের চাপ দৃশ্যমান ছিল। ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর রবিবারের (৮ অক্টোবর) একটি প্রতিবেদনে হোয়াইট হাউসের এ ঘটনার সচিত্র বিবরণ উঠে আসে।
৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট ও হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস- মার্কিন আইনসভার দুই কক্ষেই নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি। ঐতিহাসিকভাবে রিপাবলিকানদের নিশ্চিত জয়ের ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দুর্গে এমন ফাটল ট্রাম্পের নীতি ও নেতৃত্বের ওপর দেশটির সাধারণ ভোটারদের জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

‘পরাজিত ব্যক্তি’ বলায় সাংবাদিকের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর এবার এক চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। নির্বাচনি হারের কারণ ও নিজের অবস্থান নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব না দিয়ে উল্টো চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে সেখান থেকে দ্রুত সরে পড়েন তিনি।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণ ছেড়ে ফ্লোরিডার পথে রওনা হওয়ার মুহূর্তটিতে ঘটে এ নাটকীয় ঘটনা। উপস্থিত সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছিলেন ট্রাম্প। তবে পরিবেশ হুট করেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন মাঝখান থেকে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করে বসেন, প্রেসিডেন্ট, একজন পরাজিত ব্যক্তি হিসেবে এখন কেমন বোধ করছেন?
হঠাৎ এমন অপ্রত্যাশিত প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প আর ক্ষণিকের জন্যও থামেননি। পেছনের দিকে না তাকিয়ে কিংবা কোনো মন্তব্য না করেই তিনি দ্রুতই স্থান ত্যাগ করেন। তবে তার হাঁটার ধরন এবং অবয়বে চরম বিরক্তি ও ক্ষোভের চাপ দৃশ্যমান ছিল। ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর রবিবারের (৮ অক্টোবর) একটি প্রতিবেদনে হোয়াইট হাউসের এ ঘটনার সচিত্র বিবরণ উঠে আসে।
৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট ও হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস- মার্কিন আইনসভার দুই কক্ষেই নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি। ঐতিহাসিকভাবে রিপাবলিকানদের নিশ্চিত জয়ের ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দুর্গে এমন ফাটল ট্রাম্পের নীতি ও নেতৃত্বের ওপর দেশটির সাধারণ ভোটারদের জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

চীনের বিরোধিতা সত্ত্বেও তাইওয়ানে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র







