হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন করিডোর, প্রতি রাতে পার হচ্ছে এক কোটি ব্যারেল তেল

হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন করিডোর, প্রতি রাতে পার হচ্ছে এক কোটি ব্যারেল তেল
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চরম সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে গোপন করিডোর গড়ে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এ তথ্য জানিয়েছে।
তথ্যটি এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথের ওপর ওয়াশিংটনের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
অফিসিয়াল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে চলছে এই কার্যক্রম। ওমানের উপকূল ঘেঁষে তৈরি দক্ষিণ করিডোর দিয়ে প্রতি রাতে ১৫ থেকে ২০টি বিশাল তেলবাহী ট্যাঙ্কার নিরাপদে পার করে দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এ রুট দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছাচ্ছে। কোনো কোনো রাতে এর পরিমাণ দেড় থেকে দুই কোটি ব্যারেলেও গিয়ে ঠেকছে। শুধু তেলবোঝাই জাহাজ নয়, আরব সাগর থেকে খালি ট্যাঙ্কারগুলোকে নিরাপদে মধ্যপ্রাচ্যের বন্দরগুলোতে ফিরিয়ে আনার কাজও করছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন নৌবহর।
পুরো অপারেশনটি পরিচালিত হচ্ছে নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে অবস্থিত মার্কিন সেনা সদর দপ্তর থেকে। আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ে একটি বিশেষ মার্কিন টাস্ক ফোর্স কৌশলগত কনভয় তৈরি করে নির্ধারিত দক্ষিণ করিডোর দিয়ে জাহাজগুলো পারাপার করছে। মূলত মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের সাম্প্রতিক এক জোরালো সামরিক অভিযানের ফলেই এ রুটটি কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে। সে হামলায় ইরানের রাডার নেটওয়ার্ক ও সামুদ্রিক নজরদারি পরিকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বর্তমানে দক্ষিণ রুটে ইরানি বাহিনীর নজরদারি ক্ষমতা কেবল হাতেগোনা কয়েকটি মেরামত করা রাডার স্টেশন এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ছোট ছোট স্পিডবোটে থাকা পর্যবেক্ষকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। মাঝেমধ্যে ওই পথ লক্ষ্য করে ইরানি বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেও মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা সফলভাবে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। আমেরিকার এ গোপন সামরিক বন্দোবস্তের কথা নিশ্চিত করে বুধবার (১৯ আগস্ট) অ্যাক্সিওসকে ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী থেকে বিপুল পরিমাণ তেল বেরিয়ে আসছে।’ তবে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটন নতুন করে কোনো আলোচনায় বসছে না বলেও জানান তিনি।
সূত্র: এএনআই

ইরানের সঙ্গে চরম সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে গোপন করিডোর গড়ে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এ তথ্য জানিয়েছে।
তথ্যটি এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথের ওপর ওয়াশিংটনের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
অফিসিয়াল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে চলছে এই কার্যক্রম। ওমানের উপকূল ঘেঁষে তৈরি দক্ষিণ করিডোর দিয়ে প্রতি রাতে ১৫ থেকে ২০টি বিশাল তেলবাহী ট্যাঙ্কার নিরাপদে পার করে দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এ রুট দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছাচ্ছে। কোনো কোনো রাতে এর পরিমাণ দেড় থেকে দুই কোটি ব্যারেলেও গিয়ে ঠেকছে। শুধু তেলবোঝাই জাহাজ নয়, আরব সাগর থেকে খালি ট্যাঙ্কারগুলোকে নিরাপদে মধ্যপ্রাচ্যের বন্দরগুলোতে ফিরিয়ে আনার কাজও করছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন নৌবহর।
পুরো অপারেশনটি পরিচালিত হচ্ছে নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে অবস্থিত মার্কিন সেনা সদর দপ্তর থেকে। আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ে একটি বিশেষ মার্কিন টাস্ক ফোর্স কৌশলগত কনভয় তৈরি করে নির্ধারিত দক্ষিণ করিডোর দিয়ে জাহাজগুলো পারাপার করছে। মূলত মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের সাম্প্রতিক এক জোরালো সামরিক অভিযানের ফলেই এ রুটটি কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে। সে হামলায় ইরানের রাডার নেটওয়ার্ক ও সামুদ্রিক নজরদারি পরিকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বর্তমানে দক্ষিণ রুটে ইরানি বাহিনীর নজরদারি ক্ষমতা কেবল হাতেগোনা কয়েকটি মেরামত করা রাডার স্টেশন এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ছোট ছোট স্পিডবোটে থাকা পর্যবেক্ষকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। মাঝেমধ্যে ওই পথ লক্ষ্য করে ইরানি বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেও মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা সফলভাবে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। আমেরিকার এ গোপন সামরিক বন্দোবস্তের কথা নিশ্চিত করে বুধবার (১৯ আগস্ট) অ্যাক্সিওসকে ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী থেকে বিপুল পরিমাণ তেল বেরিয়ে আসছে।’ তবে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটন নতুন করে কোনো আলোচনায় বসছে না বলেও জানান তিনি।
সূত্র: এএনআই

হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন করিডোর, প্রতি রাতে পার হচ্ছে এক কোটি ব্যারেল তেল
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চরম সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে গোপন করিডোর গড়ে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এ তথ্য জানিয়েছে।
তথ্যটি এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথের ওপর ওয়াশিংটনের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
অফিসিয়াল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে চলছে এই কার্যক্রম। ওমানের উপকূল ঘেঁষে তৈরি দক্ষিণ করিডোর দিয়ে প্রতি রাতে ১৫ থেকে ২০টি বিশাল তেলবাহী ট্যাঙ্কার নিরাপদে পার করে দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এ রুট দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছাচ্ছে। কোনো কোনো রাতে এর পরিমাণ দেড় থেকে দুই কোটি ব্যারেলেও গিয়ে ঠেকছে। শুধু তেলবোঝাই জাহাজ নয়, আরব সাগর থেকে খালি ট্যাঙ্কারগুলোকে নিরাপদে মধ্যপ্রাচ্যের বন্দরগুলোতে ফিরিয়ে আনার কাজও করছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন নৌবহর।
পুরো অপারেশনটি পরিচালিত হচ্ছে নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে অবস্থিত মার্কিন সেনা সদর দপ্তর থেকে। আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ে একটি বিশেষ মার্কিন টাস্ক ফোর্স কৌশলগত কনভয় তৈরি করে নির্ধারিত দক্ষিণ করিডোর দিয়ে জাহাজগুলো পারাপার করছে। মূলত মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের সাম্প্রতিক এক জোরালো সামরিক অভিযানের ফলেই এ রুটটি কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে। সে হামলায় ইরানের রাডার নেটওয়ার্ক ও সামুদ্রিক নজরদারি পরিকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বর্তমানে দক্ষিণ রুটে ইরানি বাহিনীর নজরদারি ক্ষমতা কেবল হাতেগোনা কয়েকটি মেরামত করা রাডার স্টেশন এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ছোট ছোট স্পিডবোটে থাকা পর্যবেক্ষকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। মাঝেমধ্যে ওই পথ লক্ষ্য করে ইরানি বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেও মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা সফলভাবে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। আমেরিকার এ গোপন সামরিক বন্দোবস্তের কথা নিশ্চিত করে বুধবার (১৯ আগস্ট) অ্যাক্সিওসকে ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী থেকে বিপুল পরিমাণ তেল বেরিয়ে আসছে।’ তবে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটন নতুন করে কোনো আলোচনায় বসছে না বলেও জানান তিনি।
সূত্র: এএনআই

ইরান যুদ্ধে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও লাভবান কারা






