আবারও গাজার উদ্দেশে ‘গ্লোবাল সুমুদ’ ফ্লোটিলা

আবারও গাজার উদ্দেশে ‘গ্লোবাল সুমুদ’ ফ্লোটিলা

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা অভিমুখে নতুন ও আরও বড় একটি সাহায্যবাহী বহর পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন অ্যাক্টিভিস্টরা।
আগামী মার্চে ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ মিশনে প্রায় ১০০টি নৌযান এবং এক হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। জোহানেসবার্গে নেলসন ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আয়োজকরা এটিকে ইসরাইলের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় বেসামরিক মানবিক হস্তক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
গত বছর একই ধরনের একটি অভিযানে অংশ নেন নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি মান্ডলা ম্যান্ডেলা। তিনি জানান, এই অভিযানে চিকিৎসক এবং যুদ্ধাপরাধ তদন্তকারীরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। সমুদ্রপথের এই যাত্রার পাশাপাশি প্রতিবেশী আরব দেশগুলো দিয়ে একটি স্থলপথের কনভয়ও পরিচালিত হবে, যাতে হাজার হাজার সমর্থক যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার প্রায় ৪০টি নৌকা জব্দ করেছিল এবং মান্ডলা ম্যান্ডেলা ও গ্রেটা থুনবার্গের মতো পরিচিত ব্যক্তিসহ প্রায় ৪৫০ জন অ্যাক্টিভিস্টকে গ্রেপ্তার করেছিল। যদিও ইসরাইলি কর্মকর্তারা এই ধরনের উদ্যোগকে প্রচারণার কৌশল হিসেবে গণ্য করেন, তবে আয়োজকদের দাবি তারা গাজার ওপর আরোপিত 'অবৈধ' অবরোধ ভাঙতে এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার অধিকার রক্ষায় কাজ করছেন।
বর্তমানে গাজায় যুদ্ধবিরতি থাকলেও জাতিসংঘের মতে মানবিক সহায়তার পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। এই পরিস্থিতিতে অ্যাক্টিভিস্ট সুসান আবদুল্লাহ বলেন, যদিও তারা আগেরবার শারীরিকভাবে গাজায় পৌঁছাতে পারেননি, তবে তাদের প্রচেষ্টা গাজাবাসীকে বার্তা দিয়েছে যে বিশ্ব তাদের পাশে আছে। আসন্ন মিশনে আবারও বাধার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তারা ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা বিশ্ববাসীর নজরে আনার এবং অবরোধ ভাঙার জন্য অবিচল থাকবে।
সূত্র: আল জাজিরা

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা অভিমুখে নতুন ও আরও বড় একটি সাহায্যবাহী বহর পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন অ্যাক্টিভিস্টরা।
আগামী মার্চে ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ মিশনে প্রায় ১০০টি নৌযান এবং এক হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। জোহানেসবার্গে নেলসন ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আয়োজকরা এটিকে ইসরাইলের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় বেসামরিক মানবিক হস্তক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
গত বছর একই ধরনের একটি অভিযানে অংশ নেন নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি মান্ডলা ম্যান্ডেলা। তিনি জানান, এই অভিযানে চিকিৎসক এবং যুদ্ধাপরাধ তদন্তকারীরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। সমুদ্রপথের এই যাত্রার পাশাপাশি প্রতিবেশী আরব দেশগুলো দিয়ে একটি স্থলপথের কনভয়ও পরিচালিত হবে, যাতে হাজার হাজার সমর্থক যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার প্রায় ৪০টি নৌকা জব্দ করেছিল এবং মান্ডলা ম্যান্ডেলা ও গ্রেটা থুনবার্গের মতো পরিচিত ব্যক্তিসহ প্রায় ৪৫০ জন অ্যাক্টিভিস্টকে গ্রেপ্তার করেছিল। যদিও ইসরাইলি কর্মকর্তারা এই ধরনের উদ্যোগকে প্রচারণার কৌশল হিসেবে গণ্য করেন, তবে আয়োজকদের দাবি তারা গাজার ওপর আরোপিত 'অবৈধ' অবরোধ ভাঙতে এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার অধিকার রক্ষায় কাজ করছেন।
বর্তমানে গাজায় যুদ্ধবিরতি থাকলেও জাতিসংঘের মতে মানবিক সহায়তার পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। এই পরিস্থিতিতে অ্যাক্টিভিস্ট সুসান আবদুল্লাহ বলেন, যদিও তারা আগেরবার শারীরিকভাবে গাজায় পৌঁছাতে পারেননি, তবে তাদের প্রচেষ্টা গাজাবাসীকে বার্তা দিয়েছে যে বিশ্ব তাদের পাশে আছে। আসন্ন মিশনে আবারও বাধার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তারা ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা বিশ্ববাসীর নজরে আনার এবং অবরোধ ভাঙার জন্য অবিচল থাকবে।
সূত্র: আল জাজিরা

আবারও গাজার উদ্দেশে ‘গ্লোবাল সুমুদ’ ফ্লোটিলা

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা অভিমুখে নতুন ও আরও বড় একটি সাহায্যবাহী বহর পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন অ্যাক্টিভিস্টরা।
আগামী মার্চে ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ মিশনে প্রায় ১০০টি নৌযান এবং এক হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। জোহানেসবার্গে নেলসন ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আয়োজকরা এটিকে ইসরাইলের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় বেসামরিক মানবিক হস্তক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
গত বছর একই ধরনের একটি অভিযানে অংশ নেন নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি মান্ডলা ম্যান্ডেলা। তিনি জানান, এই অভিযানে চিকিৎসক এবং যুদ্ধাপরাধ তদন্তকারীরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। সমুদ্রপথের এই যাত্রার পাশাপাশি প্রতিবেশী আরব দেশগুলো দিয়ে একটি স্থলপথের কনভয়ও পরিচালিত হবে, যাতে হাজার হাজার সমর্থক যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার প্রায় ৪০টি নৌকা জব্দ করেছিল এবং মান্ডলা ম্যান্ডেলা ও গ্রেটা থুনবার্গের মতো পরিচিত ব্যক্তিসহ প্রায় ৪৫০ জন অ্যাক্টিভিস্টকে গ্রেপ্তার করেছিল। যদিও ইসরাইলি কর্মকর্তারা এই ধরনের উদ্যোগকে প্রচারণার কৌশল হিসেবে গণ্য করেন, তবে আয়োজকদের দাবি তারা গাজার ওপর আরোপিত 'অবৈধ' অবরোধ ভাঙতে এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার অধিকার রক্ষায় কাজ করছেন।
বর্তমানে গাজায় যুদ্ধবিরতি থাকলেও জাতিসংঘের মতে মানবিক সহায়তার পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। এই পরিস্থিতিতে অ্যাক্টিভিস্ট সুসান আবদুল্লাহ বলেন, যদিও তারা আগেরবার শারীরিকভাবে গাজায় পৌঁছাতে পারেননি, তবে তাদের প্রচেষ্টা গাজাবাসীকে বার্তা দিয়েছে যে বিশ্ব তাদের পাশে আছে। আসন্ন মিশনে আবারও বাধার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তারা ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা বিশ্ববাসীর নজরে আনার এবং অবরোধ ভাঙার জন্য অবিচল থাকবে।
সূত্র: আল জাজিরা




