‘হরমুজের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে ওমান ও ইরান’

‘হরমুজের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে ওমান ও ইরান’
সিটিজেন ডেস্ক

অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যত ওমান ও ইরানের ওপর নির্ভর করবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
শনিবার (৩০ মে) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যেকোনো চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানকে অবশ্যই এই মর্মে সম্মত হতে হবে যে, তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরি করবে না। অন্যান্য শর্তের পাশাপাশি কোনো টোল বা যান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ ছাড়াই হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে খুলে দিতে হবে।
তবে বাঘাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সুরের তীব্র বিরোধিতা করে বলেছেন, ইরান ৪৭ বছর আগেই ‘বাধ্যবাধকতা’র ভাষাকে বিদায় জানিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান শুধুমাত্র তার জনগণের স্বার্থ ও অধিকার আদায়ের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
বাঘাই বলেন, অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ওমান ও ইরানের ওপর নির্ভর করবে। কারণ উভয় দেশেরই এই জলপথ দিয়ে চলাচল ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা রয়েছে।
‘দুটি দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে ইরান ও ওমানকে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যা উপকূলীয় দেশ হিসেবে তাদের জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা উভয়ই রক্ষা করবে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আশ্বাস দেবে যে এই পথে নৌচলাচল নিরাপদে পরিচালিত হয়,’ বলেন তিনি।
বাঘাই আরও বলেন, বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা যুদ্ধ শেষ করার ওপর কেন্দ্র করে হচ্ছে। পারমাণবিক বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে না।
সূত্র: সিএনএন, আল জাজিরা

অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যত ওমান ও ইরানের ওপর নির্ভর করবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
শনিবার (৩০ মে) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যেকোনো চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানকে অবশ্যই এই মর্মে সম্মত হতে হবে যে, তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরি করবে না। অন্যান্য শর্তের পাশাপাশি কোনো টোল বা যান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ ছাড়াই হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে খুলে দিতে হবে।
তবে বাঘাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সুরের তীব্র বিরোধিতা করে বলেছেন, ইরান ৪৭ বছর আগেই ‘বাধ্যবাধকতা’র ভাষাকে বিদায় জানিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান শুধুমাত্র তার জনগণের স্বার্থ ও অধিকার আদায়ের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
বাঘাই বলেন, অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ওমান ও ইরানের ওপর নির্ভর করবে। কারণ উভয় দেশেরই এই জলপথ দিয়ে চলাচল ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা রয়েছে।
‘দুটি দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে ইরান ও ওমানকে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যা উপকূলীয় দেশ হিসেবে তাদের জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা উভয়ই রক্ষা করবে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আশ্বাস দেবে যে এই পথে নৌচলাচল নিরাপদে পরিচালিত হয়,’ বলেন তিনি।
বাঘাই আরও বলেন, বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা যুদ্ধ শেষ করার ওপর কেন্দ্র করে হচ্ছে। পারমাণবিক বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে না।
সূত্র: সিএনএন, আল জাজিরা

‘হরমুজের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে ওমান ও ইরান’
সিটিজেন ডেস্ক

অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যত ওমান ও ইরানের ওপর নির্ভর করবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
শনিবার (৩০ মে) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যেকোনো চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানকে অবশ্যই এই মর্মে সম্মত হতে হবে যে, তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরি করবে না। অন্যান্য শর্তের পাশাপাশি কোনো টোল বা যান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ ছাড়াই হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে খুলে দিতে হবে।
তবে বাঘাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সুরের তীব্র বিরোধিতা করে বলেছেন, ইরান ৪৭ বছর আগেই ‘বাধ্যবাধকতা’র ভাষাকে বিদায় জানিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান শুধুমাত্র তার জনগণের স্বার্থ ও অধিকার আদায়ের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
বাঘাই বলেন, অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ওমান ও ইরানের ওপর নির্ভর করবে। কারণ উভয় দেশেরই এই জলপথ দিয়ে চলাচল ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা রয়েছে।
‘দুটি দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে ইরান ও ওমানকে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যা উপকূলীয় দেশ হিসেবে তাদের জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা উভয়ই রক্ষা করবে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আশ্বাস দেবে যে এই পথে নৌচলাচল নিরাপদে পরিচালিত হয়,’ বলেন তিনি।
বাঘাই আরও বলেন, বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা যুদ্ধ শেষ করার ওপর কেন্দ্র করে হচ্ছে। পারমাণবিক বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে না।
সূত্র: সিএনএন, আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে যা জানালো ইরান


