দুই দশক পর মার্কিন সেনামুক্ত ইরাক

দুই দশক পর মার্কিন সেনামুক্ত ইরাক
সিজেডএন ডেস্ক

দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর ইরাক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই গতকাল মঙ্গলবার দেশটির সর্বশেষ মার্কিন সেনারা ইরাক ছেড়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ইরাকে নতুন দিনের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে দেশটির সরকার। তবে মার্কিন সেনা চলে যাওয়ার পর অনেক ইরাকির মধ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই মার্কিন সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে। এখন ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর কোনো সেনা নেই। তার দাবি, বিদেশি সেনা ছাড়াই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সক্ষম ইরাকি বাহিনী।
২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইরাক থেকে মার্কিন সেনা পুরোপুরি সরিয়ে নিতে একটি সমঝোতা করেছিলেন। সে সময় ইরাকে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা ছিলেন। তবে গত বছরই তাদের বেশিরভাগকে সরিয়ে নেওয়া হয়। শুধু আধা স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি এলাকাগুলোয় কিছু সেনা মোতায়েন ছিলো।

এর আগে, ২০০৩ সালে ইরাকে হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে সাদ্দামের ফাঁসি দেওয়ার পর ২০০৭ সালে ইরাকে মার্কিন সেনার সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। ২০১১ সালে এসব সেনাদের একটি বড় অংশ ইরাক ছাড়ে। পরে ২০১৪ সালে ইসলামিক স্টেট (আইএস) বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে আবারও ইরাকে সেনা পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে বাগদাদের জন্য নতুন একটি যুগ শুরু হলো বলে মন্তব্য করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি। তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে ইরাক বিদেশি সব ধরনের সামরিক উপস্থিতি থেকে মুক্ত হবে। একই সঙ্গে ইরাকের পুরো ভূখণ্ডের ওপর জাতীয় সার্বভৌমত্ব পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হবে।
বিষয়টিকে ‘ঐতিহাসিক জয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইরাকে সক্রিয় ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্সের কমান্ডার আবু মোজতাবা আল-ইয়াসিরি। তিনি দাবি, ইরাকে দখলদারদের ব্যর্থতা উদ্যাপন করবে দেশটির মানুষ।
তবে, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে অনেক ইরাকির মধ্যে দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির ফালুজা অঞ্চলের একটি আদিবাসী গোষ্ঠীর নেতা আবদুল রহমান আল-জোবাইর মনে করেন, এই মুহূর্তে দেশের নিরাপত্তার পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার মতো প্রস্তুতি ইরাকের নেই।
ইরাকি নিরাপত্তা বিশ্লেষক জাসিম আল-বাহাদলি রয়টার্সকে বলেন, মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইরাক থেকে চলে যাওয়ায় কৌশলগতভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে ইরানের। কারণ, মার্কিন সামরিক উপস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে ইরাকে তেহরানের প্রভাবের বিপরীতে একটি ভারসাম্য তৈরি করেছিল।

দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর ইরাক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই গতকাল মঙ্গলবার দেশটির সর্বশেষ মার্কিন সেনারা ইরাক ছেড়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ইরাকে নতুন দিনের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে দেশটির সরকার। তবে মার্কিন সেনা চলে যাওয়ার পর অনেক ইরাকির মধ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই মার্কিন সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে। এখন ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর কোনো সেনা নেই। তার দাবি, বিদেশি সেনা ছাড়াই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সক্ষম ইরাকি বাহিনী।
২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইরাক থেকে মার্কিন সেনা পুরোপুরি সরিয়ে নিতে একটি সমঝোতা করেছিলেন। সে সময় ইরাকে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা ছিলেন। তবে গত বছরই তাদের বেশিরভাগকে সরিয়ে নেওয়া হয়। শুধু আধা স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি এলাকাগুলোয় কিছু সেনা মোতায়েন ছিলো।

এর আগে, ২০০৩ সালে ইরাকে হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে সাদ্দামের ফাঁসি দেওয়ার পর ২০০৭ সালে ইরাকে মার্কিন সেনার সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। ২০১১ সালে এসব সেনাদের একটি বড় অংশ ইরাক ছাড়ে। পরে ২০১৪ সালে ইসলামিক স্টেট (আইএস) বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে আবারও ইরাকে সেনা পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে বাগদাদের জন্য নতুন একটি যুগ শুরু হলো বলে মন্তব্য করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি। তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে ইরাক বিদেশি সব ধরনের সামরিক উপস্থিতি থেকে মুক্ত হবে। একই সঙ্গে ইরাকের পুরো ভূখণ্ডের ওপর জাতীয় সার্বভৌমত্ব পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হবে।
বিষয়টিকে ‘ঐতিহাসিক জয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইরাকে সক্রিয় ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্সের কমান্ডার আবু মোজতাবা আল-ইয়াসিরি। তিনি দাবি, ইরাকে দখলদারদের ব্যর্থতা উদ্যাপন করবে দেশটির মানুষ।
তবে, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে অনেক ইরাকির মধ্যে দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির ফালুজা অঞ্চলের একটি আদিবাসী গোষ্ঠীর নেতা আবদুল রহমান আল-জোবাইর মনে করেন, এই মুহূর্তে দেশের নিরাপত্তার পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার মতো প্রস্তুতি ইরাকের নেই।
ইরাকি নিরাপত্তা বিশ্লেষক জাসিম আল-বাহাদলি রয়টার্সকে বলেন, মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইরাক থেকে চলে যাওয়ায় কৌশলগতভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে ইরানের। কারণ, মার্কিন সামরিক উপস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে ইরাকে তেহরানের প্রভাবের বিপরীতে একটি ভারসাম্য তৈরি করেছিল।

দুই দশক পর মার্কিন সেনামুক্ত ইরাক
সিজেডএন ডেস্ক

দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর ইরাক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই গতকাল মঙ্গলবার দেশটির সর্বশেষ মার্কিন সেনারা ইরাক ছেড়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ইরাকে নতুন দিনের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে দেশটির সরকার। তবে মার্কিন সেনা চলে যাওয়ার পর অনেক ইরাকির মধ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই মার্কিন সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে। এখন ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর কোনো সেনা নেই। তার দাবি, বিদেশি সেনা ছাড়াই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সক্ষম ইরাকি বাহিনী।
২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইরাক থেকে মার্কিন সেনা পুরোপুরি সরিয়ে নিতে একটি সমঝোতা করেছিলেন। সে সময় ইরাকে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা ছিলেন। তবে গত বছরই তাদের বেশিরভাগকে সরিয়ে নেওয়া হয়। শুধু আধা স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি এলাকাগুলোয় কিছু সেনা মোতায়েন ছিলো।

এর আগে, ২০০৩ সালে ইরাকে হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে সাদ্দামের ফাঁসি দেওয়ার পর ২০০৭ সালে ইরাকে মার্কিন সেনার সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। ২০১১ সালে এসব সেনাদের একটি বড় অংশ ইরাক ছাড়ে। পরে ২০১৪ সালে ইসলামিক স্টেট (আইএস) বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে আবারও ইরাকে সেনা পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে বাগদাদের জন্য নতুন একটি যুগ শুরু হলো বলে মন্তব্য করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি। তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে ইরাক বিদেশি সব ধরনের সামরিক উপস্থিতি থেকে মুক্ত হবে। একই সঙ্গে ইরাকের পুরো ভূখণ্ডের ওপর জাতীয় সার্বভৌমত্ব পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হবে।
বিষয়টিকে ‘ঐতিহাসিক জয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইরাকে সক্রিয় ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্সের কমান্ডার আবু মোজতাবা আল-ইয়াসিরি। তিনি দাবি, ইরাকে দখলদারদের ব্যর্থতা উদ্যাপন করবে দেশটির মানুষ।
তবে, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে অনেক ইরাকির মধ্যে দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির ফালুজা অঞ্চলের একটি আদিবাসী গোষ্ঠীর নেতা আবদুল রহমান আল-জোবাইর মনে করেন, এই মুহূর্তে দেশের নিরাপত্তার পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার মতো প্রস্তুতি ইরাকের নেই।
ইরাকি নিরাপত্তা বিশ্লেষক জাসিম আল-বাহাদলি রয়টার্সকে বলেন, মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইরাক থেকে চলে যাওয়ায় কৌশলগতভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে ইরানের। কারণ, মার্কিন সামরিক উপস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে ইরাকে তেহরানের প্রভাবের বিপরীতে একটি ভারসাম্য তৈরি করেছিল।









