হামলা এড়াতে ইরানকে ১০ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প

হামলা এড়াতে ইরানকে ১০ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুততার সঙ্গে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, এই প্রস্তুতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে চাইলে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই ইরানে হামলা চালাতে পারে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তেহরানকে ১০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ইরান নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছার এই ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘সম্ভবত আগামী ১০ দিনের মধ্যে’ বিশ্ব দেখতে পাবে কী ঘটছে। এদিন ওয়াশিংটনে গাজা বোর্ড অব পিসের বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, গত বছর ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালালে, তেহরানের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত করত। যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো এখন আরও এক ধাপ এগোতে হবে। না-ও হতে পারে। হয়তো একটি চুক্তি হবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই সম্ভবত তা জানা যাবে।
ট্রাম্পের দুশ্চিন্তার মূলে রয়েছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি। তিনি বারবার বলেছেন, তেহরানকে পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে, ইউরেনিয়ামও সমৃদ্ধ করতে দেওয়া হবে না। এ নিয়ে গত মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে সর্বশেষ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে অগ্রগতির কথা জানিয়েছিল দুই পক্ষ। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে মার্কিন কর্মকর্তাদের।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কর্মকর্তা সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন-কে জানান, মার্কিন সামরিক বাহিনী এ সপ্তাহ শেষেই ইরানে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে ট্রাম্প এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বুধবার ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করে ফেলাটাই বিচক্ষণ হবে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংকটের কূটনৈতিক সমাধান আশা করছেন।
লেভিট এ-ও বলেন যে, কূটনীতি সব সময়ই ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ, তবে সামরিক পদক্ষেপও বিকল্প হিসেবে হাতে রয়েছে।
তবে ট্রাম্প সামরিক বিকল্প হাতে রাখলেও যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্য ইরানের বিরুদ্ধে কোনোরকম সামরিক ব্যবস্থার বিরোধিতা করছেন।
কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের দুই প্রতিনিধি ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট রো খান্না এবং কেনটাকির রিপাবলিকান থমাস মেসি বলেছেন, তারা আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে ভোট অনুষ্ঠান করতে বাধ্য করবেন। ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্ট এর অধীনে এ পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তারা।
ওই আইনের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা খতিয়ে দেখার এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে কংগ্রেসকে। এক্সে এক পোস্টে ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট রো খান্না লিখেছেন, ‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বিপর্যয়কর হবে।’

মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুততার সঙ্গে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, এই প্রস্তুতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে চাইলে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই ইরানে হামলা চালাতে পারে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তেহরানকে ১০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ইরান নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছার এই ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘সম্ভবত আগামী ১০ দিনের মধ্যে’ বিশ্ব দেখতে পাবে কী ঘটছে। এদিন ওয়াশিংটনে গাজা বোর্ড অব পিসের বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, গত বছর ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালালে, তেহরানের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত করত। যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো এখন আরও এক ধাপ এগোতে হবে। না-ও হতে পারে। হয়তো একটি চুক্তি হবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই সম্ভবত তা জানা যাবে।
ট্রাম্পের দুশ্চিন্তার মূলে রয়েছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি। তিনি বারবার বলেছেন, তেহরানকে পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে, ইউরেনিয়ামও সমৃদ্ধ করতে দেওয়া হবে না। এ নিয়ে গত মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে সর্বশেষ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে অগ্রগতির কথা জানিয়েছিল দুই পক্ষ। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে মার্কিন কর্মকর্তাদের।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কর্মকর্তা সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন-কে জানান, মার্কিন সামরিক বাহিনী এ সপ্তাহ শেষেই ইরানে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে ট্রাম্প এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বুধবার ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করে ফেলাটাই বিচক্ষণ হবে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংকটের কূটনৈতিক সমাধান আশা করছেন।
লেভিট এ-ও বলেন যে, কূটনীতি সব সময়ই ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ, তবে সামরিক পদক্ষেপও বিকল্প হিসেবে হাতে রয়েছে।
তবে ট্রাম্প সামরিক বিকল্প হাতে রাখলেও যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্য ইরানের বিরুদ্ধে কোনোরকম সামরিক ব্যবস্থার বিরোধিতা করছেন।
কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের দুই প্রতিনিধি ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট রো খান্না এবং কেনটাকির রিপাবলিকান থমাস মেসি বলেছেন, তারা আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে ভোট অনুষ্ঠান করতে বাধ্য করবেন। ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্ট এর অধীনে এ পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তারা।
ওই আইনের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা খতিয়ে দেখার এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে কংগ্রেসকে। এক্সে এক পোস্টে ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট রো খান্না লিখেছেন, ‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বিপর্যয়কর হবে।’

হামলা এড়াতে ইরানকে ১০ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুততার সঙ্গে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, এই প্রস্তুতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে চাইলে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই ইরানে হামলা চালাতে পারে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তেহরানকে ১০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ইরান নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছার এই ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘সম্ভবত আগামী ১০ দিনের মধ্যে’ বিশ্ব দেখতে পাবে কী ঘটছে। এদিন ওয়াশিংটনে গাজা বোর্ড অব পিসের বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, গত বছর ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালালে, তেহরানের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত করত। যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো এখন আরও এক ধাপ এগোতে হবে। না-ও হতে পারে। হয়তো একটি চুক্তি হবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই সম্ভবত তা জানা যাবে।
ট্রাম্পের দুশ্চিন্তার মূলে রয়েছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি। তিনি বারবার বলেছেন, তেহরানকে পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে, ইউরেনিয়ামও সমৃদ্ধ করতে দেওয়া হবে না। এ নিয়ে গত মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে সর্বশেষ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে অগ্রগতির কথা জানিয়েছিল দুই পক্ষ। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে মার্কিন কর্মকর্তাদের।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কর্মকর্তা সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন-কে জানান, মার্কিন সামরিক বাহিনী এ সপ্তাহ শেষেই ইরানে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে ট্রাম্প এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বুধবার ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করে ফেলাটাই বিচক্ষণ হবে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংকটের কূটনৈতিক সমাধান আশা করছেন।
লেভিট এ-ও বলেন যে, কূটনীতি সব সময়ই ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ, তবে সামরিক পদক্ষেপও বিকল্প হিসেবে হাতে রয়েছে।
তবে ট্রাম্প সামরিক বিকল্প হাতে রাখলেও যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্য ইরানের বিরুদ্ধে কোনোরকম সামরিক ব্যবস্থার বিরোধিতা করছেন।
কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের দুই প্রতিনিধি ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট রো খান্না এবং কেনটাকির রিপাবলিকান থমাস মেসি বলেছেন, তারা আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে ভোট অনুষ্ঠান করতে বাধ্য করবেন। ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্ট এর অধীনে এ পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তারা।
ওই আইনের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা খতিয়ে দেখার এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে কংগ্রেসকে। এক্সে এক পোস্টে ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট রো খান্না লিখেছেন, ‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বিপর্যয়কর হবে।’




