ইরানি সেনাবাহিনীকে মোজতবা খামেনির কড়া বার্তা

ইরানি সেনাবাহিনীকে মোজতবা খামেনির কড়া বার্তা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন সামরিক পদক্ষেপের হুমকির পর কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সশস্ত্র বাহিনীকে ভৌগোলিক সীমা ছাড়িয়ে শত্রুর যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে অবিলম্বে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) তার দাপ্তরিক টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ নির্দেশের কথা জানা যায়।
বিবৃতিতে খামেনি বলেছেন, শত্রুদের দ্বারা যেকোনো নতুন সামরিক বা ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বন্ধ করার সময় ও শর্ত ইরানই নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি মার্কিন ও ইসরায়েলি সকল সম্পদ ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন তিনি।
এদিকে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন যেকোনো হামলা চলমান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করবে।
ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জায়নবাদীদের চাপে এবং তাদের তুষ্ট করার চেষ্টায় আবারও সামরিক অভিযানে লিপ্ত হন, তাহলে যুদ্ধের আগুন আরও বিস্তৃত এলাকা গ্রাস করবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যারা আমাদের জনগণের ক্ষতি করার দুঃসাহস দেখাবে, ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
যুদ্ধ এড়াতে কাতারের মধ্যস্থতায় নতুন কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার উদ্দেশ্যে একটি কাতারি প্রতিনিধিদল তেহরানে পৌঁছায়। মূলত কাতার ও পাকিস্তান যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে, যদিও এখনো কোনো স্থায়ী চুক্তি সম্ভব হয়নি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে এবং মার্কিন হামলা এড়াতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজাইকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। ইরান চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি।
সূত্র: আরব নিউজ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন সামরিক পদক্ষেপের হুমকির পর কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সশস্ত্র বাহিনীকে ভৌগোলিক সীমা ছাড়িয়ে শত্রুর যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে অবিলম্বে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) তার দাপ্তরিক টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ নির্দেশের কথা জানা যায়।
বিবৃতিতে খামেনি বলেছেন, শত্রুদের দ্বারা যেকোনো নতুন সামরিক বা ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বন্ধ করার সময় ও শর্ত ইরানই নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি মার্কিন ও ইসরায়েলি সকল সম্পদ ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন তিনি।
এদিকে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন যেকোনো হামলা চলমান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করবে।
ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জায়নবাদীদের চাপে এবং তাদের তুষ্ট করার চেষ্টায় আবারও সামরিক অভিযানে লিপ্ত হন, তাহলে যুদ্ধের আগুন আরও বিস্তৃত এলাকা গ্রাস করবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যারা আমাদের জনগণের ক্ষতি করার দুঃসাহস দেখাবে, ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
যুদ্ধ এড়াতে কাতারের মধ্যস্থতায় নতুন কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার উদ্দেশ্যে একটি কাতারি প্রতিনিধিদল তেহরানে পৌঁছায়। মূলত কাতার ও পাকিস্তান যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে, যদিও এখনো কোনো স্থায়ী চুক্তি সম্ভব হয়নি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে এবং মার্কিন হামলা এড়াতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজাইকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। ইরান চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি।
সূত্র: আরব নিউজ

ইরানি সেনাবাহিনীকে মোজতবা খামেনির কড়া বার্তা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন সামরিক পদক্ষেপের হুমকির পর কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সশস্ত্র বাহিনীকে ভৌগোলিক সীমা ছাড়িয়ে শত্রুর যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে অবিলম্বে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) তার দাপ্তরিক টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ নির্দেশের কথা জানা যায়।
বিবৃতিতে খামেনি বলেছেন, শত্রুদের দ্বারা যেকোনো নতুন সামরিক বা ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বন্ধ করার সময় ও শর্ত ইরানই নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি মার্কিন ও ইসরায়েলি সকল সম্পদ ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন তিনি।
এদিকে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন যেকোনো হামলা চলমান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করবে।
ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জায়নবাদীদের চাপে এবং তাদের তুষ্ট করার চেষ্টায় আবারও সামরিক অভিযানে লিপ্ত হন, তাহলে যুদ্ধের আগুন আরও বিস্তৃত এলাকা গ্রাস করবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যারা আমাদের জনগণের ক্ষতি করার দুঃসাহস দেখাবে, ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
যুদ্ধ এড়াতে কাতারের মধ্যস্থতায় নতুন কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার উদ্দেশ্যে একটি কাতারি প্রতিনিধিদল তেহরানে পৌঁছায়। মূলত কাতার ও পাকিস্তান যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে, যদিও এখনো কোনো স্থায়ী চুক্তি সম্ভব হয়নি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে এবং মার্কিন হামলা এড়াতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজাইকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। ইরান চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি।
সূত্র: আরব নিউজ

ইরান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে: ট্রাম্প






