পশ্চিম তীর দখলে ইসরায়েলি পদক্ষেপে ট্রাম্পের বিরোধিতা

পশ্চিম তীর দখলে ইসরায়েলি পদক্ষেপে ট্রাম্পের বিরোধিতা

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীর সংযুক্তিকরণের ইসরায়েলি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা সোমবার (৯ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মনে করেন ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
রয়টার্সের বরাতে কর্মকর্তা আরও বলেন, একটি স্থিতিশীল পশ্চিম তীর ইসরায়েলকে নিরাপদ রাখে এবং বর্তমান মার্কিন প্রশাসন এই নীতির প্রতি অটল রয়েছে।
ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ অধিকৃত পশ্চিম তীরে দখলদারি বাড়ানোর নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করার পর হোয়াইট হাউস থেকে এই প্রতিক্রিয়া এসেছে।
ইসরায়েলি নিরাপত্তা ক্যাবিনেটের অনুমোদিত নতুন নিয়মগুলোর মাধ্যমে অবৈধ বসতি স্থাপনের জন্য জমি দখল করা সহজ হবে। বিশেষ করে হেব্রনের মতো বড় শহরগুলোতে ভবন নির্মাণের অনুমতির ক্ষমতা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হাত থেকে সরিয়ে নিয়ে সরাসরি ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে।
ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিবাদ উঠেছে। সৌদি আরব, কাতার, তুরস্ক, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আটটি মুসলিম প্রধান দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ এবং ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের চেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছে। তারা মনে করে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে পশ্চিম তীরের ওপর অবৈধ সার্বভৌমত্ব চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই পদক্ষেপকে ‘অস্থিতিশীল’ এবং দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের পথে বড় অন্তরায় হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত ফিলিস্তিনি জনগণের নিজেদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অধিকারকে খর্ব করছে।
অন্যদিকে, ব্রিটিশ সরকার এবং স্পেনও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইসরায়েলকে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরের ভৌগোলিক বা জনতাত্ত্বিক কাঠামো পরিবর্তনের যেকোনো একতরফা চেষ্টা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলি মন্ত্রী স্মোট্রিচ প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের ধারণাকে চিরতরে বিলোপ করা। তবে স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, ইসরায়েলের এই সম্প্রসারণবাদী নীতি ও দখলদারি গাজায় চলমান সহিংসতাকে আরও তীব্র করতে পারে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীর সংযুক্তিকরণের ইসরায়েলি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা সোমবার (৯ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মনে করেন ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
রয়টার্সের বরাতে কর্মকর্তা আরও বলেন, একটি স্থিতিশীল পশ্চিম তীর ইসরায়েলকে নিরাপদ রাখে এবং বর্তমান মার্কিন প্রশাসন এই নীতির প্রতি অটল রয়েছে।
ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ অধিকৃত পশ্চিম তীরে দখলদারি বাড়ানোর নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করার পর হোয়াইট হাউস থেকে এই প্রতিক্রিয়া এসেছে।
ইসরায়েলি নিরাপত্তা ক্যাবিনেটের অনুমোদিত নতুন নিয়মগুলোর মাধ্যমে অবৈধ বসতি স্থাপনের জন্য জমি দখল করা সহজ হবে। বিশেষ করে হেব্রনের মতো বড় শহরগুলোতে ভবন নির্মাণের অনুমতির ক্ষমতা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হাত থেকে সরিয়ে নিয়ে সরাসরি ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে।
ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিবাদ উঠেছে। সৌদি আরব, কাতার, তুরস্ক, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আটটি মুসলিম প্রধান দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ এবং ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের চেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছে। তারা মনে করে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে পশ্চিম তীরের ওপর অবৈধ সার্বভৌমত্ব চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই পদক্ষেপকে ‘অস্থিতিশীল’ এবং দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের পথে বড় অন্তরায় হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত ফিলিস্তিনি জনগণের নিজেদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অধিকারকে খর্ব করছে।
অন্যদিকে, ব্রিটিশ সরকার এবং স্পেনও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইসরায়েলকে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরের ভৌগোলিক বা জনতাত্ত্বিক কাঠামো পরিবর্তনের যেকোনো একতরফা চেষ্টা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলি মন্ত্রী স্মোট্রিচ প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের ধারণাকে চিরতরে বিলোপ করা। তবে স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, ইসরায়েলের এই সম্প্রসারণবাদী নীতি ও দখলদারি গাজায় চলমান সহিংসতাকে আরও তীব্র করতে পারে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

পশ্চিম তীর দখলে ইসরায়েলি পদক্ষেপে ট্রাম্পের বিরোধিতা

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীর সংযুক্তিকরণের ইসরায়েলি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা সোমবার (৯ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মনে করেন ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
রয়টার্সের বরাতে কর্মকর্তা আরও বলেন, একটি স্থিতিশীল পশ্চিম তীর ইসরায়েলকে নিরাপদ রাখে এবং বর্তমান মার্কিন প্রশাসন এই নীতির প্রতি অটল রয়েছে।
ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ অধিকৃত পশ্চিম তীরে দখলদারি বাড়ানোর নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করার পর হোয়াইট হাউস থেকে এই প্রতিক্রিয়া এসেছে।
ইসরায়েলি নিরাপত্তা ক্যাবিনেটের অনুমোদিত নতুন নিয়মগুলোর মাধ্যমে অবৈধ বসতি স্থাপনের জন্য জমি দখল করা সহজ হবে। বিশেষ করে হেব্রনের মতো বড় শহরগুলোতে ভবন নির্মাণের অনুমতির ক্ষমতা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হাত থেকে সরিয়ে নিয়ে সরাসরি ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে।
ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিবাদ উঠেছে। সৌদি আরব, কাতার, তুরস্ক, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আটটি মুসলিম প্রধান দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ এবং ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের চেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছে। তারা মনে করে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে পশ্চিম তীরের ওপর অবৈধ সার্বভৌমত্ব চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই পদক্ষেপকে ‘অস্থিতিশীল’ এবং দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের পথে বড় অন্তরায় হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত ফিলিস্তিনি জনগণের নিজেদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অধিকারকে খর্ব করছে।
অন্যদিকে, ব্রিটিশ সরকার এবং স্পেনও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইসরায়েলকে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরের ভৌগোলিক বা জনতাত্ত্বিক কাঠামো পরিবর্তনের যেকোনো একতরফা চেষ্টা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলি মন্ত্রী স্মোট্রিচ প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের ধারণাকে চিরতরে বিলোপ করা। তবে স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, ইসরায়েলের এই সম্প্রসারণবাদী নীতি ও দখলদারি গাজায় চলমান সহিংসতাকে আরও তীব্র করতে পারে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা




