শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হাতে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, কী আছে তাতে

সিটিজেন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হাতে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, কী আছে তাতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব হাতে পেয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। যা সোমবার থেকেই কার্যকর হয়ে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে পারে। একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালিও পুনরায় খুলে যেতে পারে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তান এ প্রস্তাবের একটি কাঠামো তৈরি করে তা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির রাতভর যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।

সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স প্রস্তাবটির কিছু বিষয় উল্লেখ করেছে। সেগুলো হলো–

  • চুক্তির প্রস্তাবটিকে আপাতত ‘ইসলামাবাদ অ্যাকর্ড’ বলা হচ্ছে।
  • চুক্তির প্রস্তাবটি দুই ধাপের।
  • প্রথমে যুদ্ধবিরতি, এরপর চূড়ান্ত চুক্তি।
  • প্রস্তাবটি সোমবার চূড়ান্ত হওয়ার কথা।
  • সে ক্ষেত্রে প্রস্তাবটি আজই কার্যকর হতে পারে।
  • যুদ্ধবিরতি হলে সঙ্গে সঙ্গে হরমুজ প্রণালি খুলে যেতে পারে।
  • ১৫-২০ দিনের মধ্যে হবে চূড়ান্ত চুক্তি।
  • চূড়ান্ত চুক্তিতে থাকবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ ও নিষেধাজ্ঞা শিথিল।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবারের মধ্যে চুক্তি না হলে তেহরানে আরও কঠোর হামলার হুমকি দেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়।

একইসঙ্গে ইসরায়েল, মার্কিন ঘাঁটি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে তেহরান।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পাঁচ সপ্তাহ পরও বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। এতে হাজারো মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ছে।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ বলেন, যেকোনো সমঝোতায় হরমুজ প্রণালিতে অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় তা ভবিষ্যতে আরও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স

/জেএইচ/