ইরানের তেল স্থাপনা ধ্বংসের হুমকিসহ ট্রাম্পের বক্তব্যের মূল বিষয়সমূহ

ইরানের তেল স্থাপনা ধ্বংসের হুমকিসহ ট্রাম্পের বক্তব্যের মূল বিষয়সমূহ
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি ও চলমান সংঘাত নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া তার বক্তব্যগুলোর মূল দিক হলো–
যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে প্রায় কোনো তেল আমদানি করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না। যেসব দেশ এই পথ দিয়ে তেল নেয়, তাদেরই এই পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সংঘাত শেষ হলে হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিকভাবেই আবার খুলে যাবে। তখন তেল সরবরাহ পুনরায় চালু হবে, জ্বালানির দাম কমবে এবং শেয়ারবাজারও ঘুরে দাঁড়াবে।
যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে আরও কঠোর সামরিক অভিযান চালানোর কথাও জানান।
তিনি বলেন, ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’ যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল না, তবে ইরানের আগের নেতৃত্ব নিহত হওয়ায় বাস্তবে পরিবর্তন ঘটেছে।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো সমঝোতা না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে বড় ধরনের হামলার হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের তেল স্থাপনায় হামলা চালায়নি, যদিও সেটি সবচেয়ে সহজ লক্ষ্যবস্তু। তবে প্রয়োজন হলে তা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা সম্ভব।
ট্রাম্পের দাবি, সংঘাতের ফলে ইরান কার্যত দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং দেশটি এখন আর বড় কোনো হুমকি নয়।
সূত্র: আল জাজিরা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি ও চলমান সংঘাত নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া তার বক্তব্যগুলোর মূল দিক হলো–
যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে প্রায় কোনো তেল আমদানি করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না। যেসব দেশ এই পথ দিয়ে তেল নেয়, তাদেরই এই পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সংঘাত শেষ হলে হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিকভাবেই আবার খুলে যাবে। তখন তেল সরবরাহ পুনরায় চালু হবে, জ্বালানির দাম কমবে এবং শেয়ারবাজারও ঘুরে দাঁড়াবে।
যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে আরও কঠোর সামরিক অভিযান চালানোর কথাও জানান।
তিনি বলেন, ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’ যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল না, তবে ইরানের আগের নেতৃত্ব নিহত হওয়ায় বাস্তবে পরিবর্তন ঘটেছে।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো সমঝোতা না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে বড় ধরনের হামলার হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের তেল স্থাপনায় হামলা চালায়নি, যদিও সেটি সবচেয়ে সহজ লক্ষ্যবস্তু। তবে প্রয়োজন হলে তা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা সম্ভব।
ট্রাম্পের দাবি, সংঘাতের ফলে ইরান কার্যত দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং দেশটি এখন আর বড় কোনো হুমকি নয়।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের তেল স্থাপনা ধ্বংসের হুমকিসহ ট্রাম্পের বক্তব্যের মূল বিষয়সমূহ
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি ও চলমান সংঘাত নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া তার বক্তব্যগুলোর মূল দিক হলো–
যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে প্রায় কোনো তেল আমদানি করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না। যেসব দেশ এই পথ দিয়ে তেল নেয়, তাদেরই এই পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সংঘাত শেষ হলে হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিকভাবেই আবার খুলে যাবে। তখন তেল সরবরাহ পুনরায় চালু হবে, জ্বালানির দাম কমবে এবং শেয়ারবাজারও ঘুরে দাঁড়াবে।
যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে আরও কঠোর সামরিক অভিযান চালানোর কথাও জানান।
তিনি বলেন, ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’ যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল না, তবে ইরানের আগের নেতৃত্ব নিহত হওয়ায় বাস্তবে পরিবর্তন ঘটেছে।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো সমঝোতা না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে বড় ধরনের হামলার হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের তেল স্থাপনায় হামলা চালায়নি, যদিও সেটি সবচেয়ে সহজ লক্ষ্যবস্তু। তবে প্রয়োজন হলে তা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা সম্ভব।
ট্রাম্পের দাবি, সংঘাতের ফলে ইরান কার্যত দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং দেশটি এখন আর বড় কোনো হুমকি নয়।
সূত্র: আল জাজিরা




