হুথিদের আরও বেশ কয়েকটি ঘাঁটি দখলে নিয়েছে ইয়েমেনি বাহিনী

হুথিদের আরও বেশ কয়েকটি ঘাঁটি দখলে নিয়েছে ইয়েমেনি বাহিনী
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ লাহজে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষের পর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নুমান পর্বতমালার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সরকারি বাহিনী। আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর গণমাধ্যম কেন্দ্র জানিয়েছে, পপুলার রেজিস্ট্যান্সের প্রত্যক্ষ সমর্থনে সরকারি সেনারা আল-ওয়াজিয়াহ ও আল-মুদারাবাহ জেলার সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। এদিকে নেশন’স শিল্ড ফোর্সেস জানিয়েছে, জায়ান্টস ব্রিগেড এবং স্থানীয় উপজাতি যোদ্ধারাও এ অভিযানে অংশ নিয়েছিল। সমন্বিত ও দ্রুত সামরিক অভিযানের ফলেই জাবাল নুমানের চূড়া এবং এর আশপাশের দার আল-কাফির মতো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলো দখল করা সম্ভব হয়েছে।
সেনাবাহিনীর বর্ণনা অনুযায়ী, অপারেশনটি শুরু হয়েছিল আগের রাতে গোপনে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে। এরপর পুরো অবস্থানটি ঘিরে ফেলে একেবারে ভোররাতে অতর্কিত আক্রমণ চালায় সরকারি বাহিনী। আকস্মিক হামলায় টিকতে না পেরে হুথি যোদ্ধারা তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ রেখেই পিছু হটতে বাধ্য হয়।
সামরিক দিক থেকে জাবাল নুমান মূলত আল-ওয়াজিয়াহ এবং আল-মুদারাবাহর মধ্যকার প্রধান সরবরাহ রুটগুলোর ওপর নজরদারির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। এতদিন এ এলাকা কাজে লাগিয়েই হুথিরা চারপাশের ওপর নজর রাখত এবং নিকটবর্তী গ্রাম ও সামরিক চেকপোস্টগুলোতে নির্বিচারে গোলাবর্ষণ করত। এ চূড়ার নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় ওয়াদি আল-মুদারাবাহ এবং আল-ওয়াজিয়াহর আশপাশের গ্রামগুলো অনেক বেশি নিরাপদ। একই সঙ্গে হুথিদের গোলাবর্ষণের হুমকি কমার পাশাপাশি তাদের একটি বড় ধরনের অনুপ্রবেশের পথও চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল।
তবে পুরো ঘটনার বিষয়ে হুথিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ চলছে, যখন বিদ্রোহী হুথি গোষ্ঠী রাজধানী সানা ও দেশটির বেশ কিছু প্রদেশ দখল করে নেয়। এরপর থেকেই সংঘাতের আগুনে পুড়ছে পুরো দেশ।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ লাহজে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষের পর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নুমান পর্বতমালার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সরকারি বাহিনী। আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর গণমাধ্যম কেন্দ্র জানিয়েছে, পপুলার রেজিস্ট্যান্সের প্রত্যক্ষ সমর্থনে সরকারি সেনারা আল-ওয়াজিয়াহ ও আল-মুদারাবাহ জেলার সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। এদিকে নেশন’স শিল্ড ফোর্সেস জানিয়েছে, জায়ান্টস ব্রিগেড এবং স্থানীয় উপজাতি যোদ্ধারাও এ অভিযানে অংশ নিয়েছিল। সমন্বিত ও দ্রুত সামরিক অভিযানের ফলেই জাবাল নুমানের চূড়া এবং এর আশপাশের দার আল-কাফির মতো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলো দখল করা সম্ভব হয়েছে।
সেনাবাহিনীর বর্ণনা অনুযায়ী, অপারেশনটি শুরু হয়েছিল আগের রাতে গোপনে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে। এরপর পুরো অবস্থানটি ঘিরে ফেলে একেবারে ভোররাতে অতর্কিত আক্রমণ চালায় সরকারি বাহিনী। আকস্মিক হামলায় টিকতে না পেরে হুথি যোদ্ধারা তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ রেখেই পিছু হটতে বাধ্য হয়।
সামরিক দিক থেকে জাবাল নুমান মূলত আল-ওয়াজিয়াহ এবং আল-মুদারাবাহর মধ্যকার প্রধান সরবরাহ রুটগুলোর ওপর নজরদারির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। এতদিন এ এলাকা কাজে লাগিয়েই হুথিরা চারপাশের ওপর নজর রাখত এবং নিকটবর্তী গ্রাম ও সামরিক চেকপোস্টগুলোতে নির্বিচারে গোলাবর্ষণ করত। এ চূড়ার নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় ওয়াদি আল-মুদারাবাহ এবং আল-ওয়াজিয়াহর আশপাশের গ্রামগুলো অনেক বেশি নিরাপদ। একই সঙ্গে হুথিদের গোলাবর্ষণের হুমকি কমার পাশাপাশি তাদের একটি বড় ধরনের অনুপ্রবেশের পথও চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল।
তবে পুরো ঘটনার বিষয়ে হুথিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ চলছে, যখন বিদ্রোহী হুথি গোষ্ঠী রাজধানী সানা ও দেশটির বেশ কিছু প্রদেশ দখল করে নেয়। এরপর থেকেই সংঘাতের আগুনে পুড়ছে পুরো দেশ।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

হুথিদের আরও বেশ কয়েকটি ঘাঁটি দখলে নিয়েছে ইয়েমেনি বাহিনী
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ লাহজে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষের পর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নুমান পর্বতমালার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সরকারি বাহিনী। আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর গণমাধ্যম কেন্দ্র জানিয়েছে, পপুলার রেজিস্ট্যান্সের প্রত্যক্ষ সমর্থনে সরকারি সেনারা আল-ওয়াজিয়াহ ও আল-মুদারাবাহ জেলার সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। এদিকে নেশন’স শিল্ড ফোর্সেস জানিয়েছে, জায়ান্টস ব্রিগেড এবং স্থানীয় উপজাতি যোদ্ধারাও এ অভিযানে অংশ নিয়েছিল। সমন্বিত ও দ্রুত সামরিক অভিযানের ফলেই জাবাল নুমানের চূড়া এবং এর আশপাশের দার আল-কাফির মতো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলো দখল করা সম্ভব হয়েছে।
সেনাবাহিনীর বর্ণনা অনুযায়ী, অপারেশনটি শুরু হয়েছিল আগের রাতে গোপনে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে। এরপর পুরো অবস্থানটি ঘিরে ফেলে একেবারে ভোররাতে অতর্কিত আক্রমণ চালায় সরকারি বাহিনী। আকস্মিক হামলায় টিকতে না পেরে হুথি যোদ্ধারা তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ রেখেই পিছু হটতে বাধ্য হয়।
সামরিক দিক থেকে জাবাল নুমান মূলত আল-ওয়াজিয়াহ এবং আল-মুদারাবাহর মধ্যকার প্রধান সরবরাহ রুটগুলোর ওপর নজরদারির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। এতদিন এ এলাকা কাজে লাগিয়েই হুথিরা চারপাশের ওপর নজর রাখত এবং নিকটবর্তী গ্রাম ও সামরিক চেকপোস্টগুলোতে নির্বিচারে গোলাবর্ষণ করত। এ চূড়ার নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় ওয়াদি আল-মুদারাবাহ এবং আল-ওয়াজিয়াহর আশপাশের গ্রামগুলো অনেক বেশি নিরাপদ। একই সঙ্গে হুথিদের গোলাবর্ষণের হুমকি কমার পাশাপাশি তাদের একটি বড় ধরনের অনুপ্রবেশের পথও চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল।
তবে পুরো ঘটনার বিষয়ে হুথিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ চলছে, যখন বিদ্রোহী হুথি গোষ্ঠী রাজধানী সানা ও দেশটির বেশ কিছু প্রদেশ দখল করে নেয়। এরপর থেকেই সংঘাতের আগুনে পুড়ছে পুরো দেশ।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

ইউরোপের সঙ্গে সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে না রাশিয়া: পুতিন







