সরকারের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠকেও অনড় ককরোচ দল

সরকারের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠকেও অনড় ককরোচ দল
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বৈঠক শেষে নিট (এনইইটি) প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে অথবা সরকারকে তাকে বরখাস্ত করতে হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে সিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে সরকার শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময় চেয়েছে।
বৈঠকের আগে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেন, নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া আন্দোলনের কোনো সমাধান হবে না।
তাদের দাবি, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায় শিক্ষামন্ত্রীর ওপর বর্তায়। তাই তাকে পদত্যাগ করতে হবে অথবা সরকারকে তাকে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে হবে।
সরকারের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এবং তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত দিল্লির যন্তরমন্তরে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে তারা।
এর আগে আন্দোলন প্রশমিত করতে মধ্যরাতে একটি ভিডিও বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বার্তায় তিনি বলেন, বলেন, ‘আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। তাই গত আড়াই মাসে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। দোষীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়, সেটিও সরকারের অন্যতম বড় দায়িত্ব ছিল। তাই দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় এবং প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আয়োজন করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।’
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের শাস্তি দ্রুততর করতে মোদি ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতেই সেই প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার মতামত নেওয়ার পর চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে। আগামী সোমবার সংসদের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হলে যত দ্রুত সম্ভব এ-সংক্রান্ত বিল পাসের চেষ্টা করবে সরকার।’
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বৈঠক শেষে নিট (এনইইটি) প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে অথবা সরকারকে তাকে বরখাস্ত করতে হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে সিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে সরকার শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময় চেয়েছে।
বৈঠকের আগে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেন, নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া আন্দোলনের কোনো সমাধান হবে না।
তাদের দাবি, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায় শিক্ষামন্ত্রীর ওপর বর্তায়। তাই তাকে পদত্যাগ করতে হবে অথবা সরকারকে তাকে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে হবে।
সরকারের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এবং তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত দিল্লির যন্তরমন্তরে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে তারা।
এর আগে আন্দোলন প্রশমিত করতে মধ্যরাতে একটি ভিডিও বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বার্তায় তিনি বলেন, বলেন, ‘আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। তাই গত আড়াই মাসে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। দোষীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়, সেটিও সরকারের অন্যতম বড় দায়িত্ব ছিল। তাই দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় এবং প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আয়োজন করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।’
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের শাস্তি দ্রুততর করতে মোদি ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতেই সেই প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার মতামত নেওয়ার পর চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে। আগামী সোমবার সংসদের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হলে যত দ্রুত সম্ভব এ-সংক্রান্ত বিল পাসের চেষ্টা করবে সরকার।’
সূত্র: এনডিটিভি

সরকারের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠকেও অনড় ককরোচ দল
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বৈঠক শেষে নিট (এনইইটি) প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে অথবা সরকারকে তাকে বরখাস্ত করতে হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে সিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে সরকার শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময় চেয়েছে।
বৈঠকের আগে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেন, নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া আন্দোলনের কোনো সমাধান হবে না।
তাদের দাবি, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায় শিক্ষামন্ত্রীর ওপর বর্তায়। তাই তাকে পদত্যাগ করতে হবে অথবা সরকারকে তাকে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে হবে।
সরকারের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এবং তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত দিল্লির যন্তরমন্তরে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে তারা।
এর আগে আন্দোলন প্রশমিত করতে মধ্যরাতে একটি ভিডিও বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বার্তায় তিনি বলেন, বলেন, ‘আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। তাই গত আড়াই মাসে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। দোষীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়, সেটিও সরকারের অন্যতম বড় দায়িত্ব ছিল। তাই দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় এবং প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আয়োজন করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।’
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের শাস্তি দ্রুততর করতে মোদি ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতেই সেই প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার মতামত নেওয়ার পর চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে। আগামী সোমবার সংসদের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হলে যত দ্রুত সম্ভব এ-সংক্রান্ত বিল পাসের চেষ্টা করবে সরকার।’
সূত্র: এনডিটিভি

মোদির টুইটের পর সালমান খানের সুর বদল







