‘জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট’ চালুর দাবি জামায়াতের এমপির

‘জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট’ চালুর দাবি জামায়াতের এমপির
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত ও দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা ‘জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট’ চালুর দাবি জানিয়েছেন বাগেরহাট-২ আসনের জামায়াতের এমপি শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ)। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আনা নোটিশের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।
সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) বলেন, বাগেরহাট সদর উপজেলার ফতেপুর এলাকায় ৩ দশমিক ৯০ একর জমির ওপর ১৯৯৪ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম মোস্তাফিজুর রহমান ‘জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানে শুরুতে দর্জিবিজ্ঞান, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এলাকার বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হতো। বিপুল সংখ্যক এতিম ও দুস্থ শিশুদের লালন-পালন, শিক্ষা ও স্বাবলম্বী করে তোলা; পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে পাঁচ কক্ষের প্রশাসনিক ভবন, ৩০ শয্যাবিশিষ্ট দুইতলা আবাসিক ভবন, একতলা ক্লিনিক, মসজিদ ও পুকুরসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ছিল। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শুধুমাত্র শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামের প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণে, প্রতিষ্ঠানটিকে অবহেলা করেছে এবং বন্ধ করে দিয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের এই এমপি দাবি করে বলেন, যেহেতু জিয়াউর রহমানের নামের কারণে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করা হয়েছে, সেই নামের প্রতি শুধু সরকারি দলের এমপিদের দুর্বলতা নাই– সাধারণ মানুষ থেকে শুরু হয়ে আমাদেরও (জামায়াত) দুর্বলতা রয়েছে। তাই, আমার ও এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি রুগ্ন অবস্থায় পড়ে আছে। দেশের কোটি কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি চালু করে বেকারদের কর্মসংস্থান ও এতিম ও দুস্থ শিশুদের স্বাবলম্বী করে তোলার সহায়তা করা হোক।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত ও দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা ‘জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট’ চালুর দাবি জানিয়েছেন বাগেরহাট-২ আসনের জামায়াতের এমপি শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ)। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আনা নোটিশের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।
সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) বলেন, বাগেরহাট সদর উপজেলার ফতেপুর এলাকায় ৩ দশমিক ৯০ একর জমির ওপর ১৯৯৪ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম মোস্তাফিজুর রহমান ‘জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানে শুরুতে দর্জিবিজ্ঞান, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এলাকার বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হতো। বিপুল সংখ্যক এতিম ও দুস্থ শিশুদের লালন-পালন, শিক্ষা ও স্বাবলম্বী করে তোলা; পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে পাঁচ কক্ষের প্রশাসনিক ভবন, ৩০ শয্যাবিশিষ্ট দুইতলা আবাসিক ভবন, একতলা ক্লিনিক, মসজিদ ও পুকুরসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ছিল। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শুধুমাত্র শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামের প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণে, প্রতিষ্ঠানটিকে অবহেলা করেছে এবং বন্ধ করে দিয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের এই এমপি দাবি করে বলেন, যেহেতু জিয়াউর রহমানের নামের কারণে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করা হয়েছে, সেই নামের প্রতি শুধু সরকারি দলের এমপিদের দুর্বলতা নাই– সাধারণ মানুষ থেকে শুরু হয়ে আমাদেরও (জামায়াত) দুর্বলতা রয়েছে। তাই, আমার ও এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি রুগ্ন অবস্থায় পড়ে আছে। দেশের কোটি কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি চালু করে বেকারদের কর্মসংস্থান ও এতিম ও দুস্থ শিশুদের স্বাবলম্বী করে তোলার সহায়তা করা হোক।

‘জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট’ চালুর দাবি জামায়াতের এমপির
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত ও দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা ‘জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট’ চালুর দাবি জানিয়েছেন বাগেরহাট-২ আসনের জামায়াতের এমপি শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ)। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আনা নোটিশের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।
সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) বলেন, বাগেরহাট সদর উপজেলার ফতেপুর এলাকায় ৩ দশমিক ৯০ একর জমির ওপর ১৯৯৪ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম মোস্তাফিজুর রহমান ‘জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানে শুরুতে দর্জিবিজ্ঞান, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এলাকার বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হতো। বিপুল সংখ্যক এতিম ও দুস্থ শিশুদের লালন-পালন, শিক্ষা ও স্বাবলম্বী করে তোলা; পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে পাঁচ কক্ষের প্রশাসনিক ভবন, ৩০ শয্যাবিশিষ্ট দুইতলা আবাসিক ভবন, একতলা ক্লিনিক, মসজিদ ও পুকুরসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ছিল। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শুধুমাত্র শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামের প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণে, প্রতিষ্ঠানটিকে অবহেলা করেছে এবং বন্ধ করে দিয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের এই এমপি দাবি করে বলেন, যেহেতু জিয়াউর রহমানের নামের কারণে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করা হয়েছে, সেই নামের প্রতি শুধু সরকারি দলের এমপিদের দুর্বলতা নাই– সাধারণ মানুষ থেকে শুরু হয়ে আমাদেরও (জামায়াত) দুর্বলতা রয়েছে। তাই, আমার ও এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি রুগ্ন অবস্থায় পড়ে আছে। দেশের কোটি কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি চালু করে বেকারদের কর্মসংস্থান ও এতিম ও দুস্থ শিশুদের স্বাবলম্বী করে তোলার সহায়তা করা হোক।

চলতি বছর ১০০টি উপজেলায় শিল্পকলা একডেমি তৈরির পরিকল্পনা আছে: মন্ত্রী







