‘বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা অনুপ্রবেশকারী নন’

‘বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা অনুপ্রবেশকারী নন’
সিজেডএন ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গে ১৬তম ডিজিটাল জনগণনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে রাজ্য রাজনীতি ও সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশসহ যেকোনো প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ কোনো অবৈধ অনুপ্রবেশকারী নন। যথাযথ আইনি কাঠামোয় তারা শরণার্থী। অন্যদিকে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের এ দেশে থাকার কোনো সুযোগ নেই এবং নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের সনাক্ত করে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
শনিবার (১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা মেনেই কাজ করছে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দেখভাল করার দায় ভারতের নয় বলেও জানান তিনি। এবারই প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা হচ্ছে, যেখানে নাগরিকদের জন্য রয়েছে ‘সেলফ এনুমারেশন’ বা নিজের তথ্য নিজেই জমা দেওয়ার বিশেষ সুযোগ। ১৫ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে তথ্য জমা দেওয়ার পর, দ্বিতীয় ধাপে সরকারি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য মিলিয়ে দেখবেন।
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি ভারত সরকারের ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বরের নির্দেশিকার উল্লেখ করেন। তিনি জানান, যেসব অমুসলিম শরণার্থী ধর্ম রক্ষা বা প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে এসেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা পুলিশি হয়রানি করা যাবে না।
বক্তব্যের শেষভাগে অতীত ভুলের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, আগের সরকারের আমলে বীরভূমে একটি ত্রুটির কারণে একজন প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক সাময়িক সমস্যায় পড়েছিলেন, যদিও পরে তা সংশোধন করা হয়। বর্তমান সরকার নিশ্চিত করবে এবারের প্রক্রিয়ায় যেন কোনো প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক বিন্দুমাত্র সমস্যার মুখে না পড়েন।'
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

পশ্চিমবঙ্গে ১৬তম ডিজিটাল জনগণনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে রাজ্য রাজনীতি ও সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশসহ যেকোনো প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ কোনো অবৈধ অনুপ্রবেশকারী নন। যথাযথ আইনি কাঠামোয় তারা শরণার্থী। অন্যদিকে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের এ দেশে থাকার কোনো সুযোগ নেই এবং নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের সনাক্ত করে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
শনিবার (১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা মেনেই কাজ করছে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দেখভাল করার দায় ভারতের নয় বলেও জানান তিনি। এবারই প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা হচ্ছে, যেখানে নাগরিকদের জন্য রয়েছে ‘সেলফ এনুমারেশন’ বা নিজের তথ্য নিজেই জমা দেওয়ার বিশেষ সুযোগ। ১৫ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে তথ্য জমা দেওয়ার পর, দ্বিতীয় ধাপে সরকারি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য মিলিয়ে দেখবেন।
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি ভারত সরকারের ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বরের নির্দেশিকার উল্লেখ করেন। তিনি জানান, যেসব অমুসলিম শরণার্থী ধর্ম রক্ষা বা প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে এসেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা পুলিশি হয়রানি করা যাবে না।
বক্তব্যের শেষভাগে অতীত ভুলের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, আগের সরকারের আমলে বীরভূমে একটি ত্রুটির কারণে একজন প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক সাময়িক সমস্যায় পড়েছিলেন, যদিও পরে তা সংশোধন করা হয়। বর্তমান সরকার নিশ্চিত করবে এবারের প্রক্রিয়ায় যেন কোনো প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক বিন্দুমাত্র সমস্যার মুখে না পড়েন।'
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

‘বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা অনুপ্রবেশকারী নন’
সিজেডএন ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গে ১৬তম ডিজিটাল জনগণনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে রাজ্য রাজনীতি ও সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশসহ যেকোনো প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ কোনো অবৈধ অনুপ্রবেশকারী নন। যথাযথ আইনি কাঠামোয় তারা শরণার্থী। অন্যদিকে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের এ দেশে থাকার কোনো সুযোগ নেই এবং নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের সনাক্ত করে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
শনিবার (১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা মেনেই কাজ করছে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দেখভাল করার দায় ভারতের নয় বলেও জানান তিনি। এবারই প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা হচ্ছে, যেখানে নাগরিকদের জন্য রয়েছে ‘সেলফ এনুমারেশন’ বা নিজের তথ্য নিজেই জমা দেওয়ার বিশেষ সুযোগ। ১৫ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে তথ্য জমা দেওয়ার পর, দ্বিতীয় ধাপে সরকারি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য মিলিয়ে দেখবেন।
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি ভারত সরকারের ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বরের নির্দেশিকার উল্লেখ করেন। তিনি জানান, যেসব অমুসলিম শরণার্থী ধর্ম রক্ষা বা প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে এসেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা পুলিশি হয়রানি করা যাবে না।
বক্তব্যের শেষভাগে অতীত ভুলের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, আগের সরকারের আমলে বীরভূমে একটি ত্রুটির কারণে একজন প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক সাময়িক সমস্যায় পড়েছিলেন, যদিও পরে তা সংশোধন করা হয়। বর্তমান সরকার নিশ্চিত করবে এবারের প্রক্রিয়ায় যেন কোনো প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক বিন্দুমাত্র সমস্যার মুখে না পড়েন।'
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যার ছক, গ্রেপ্তার ১







