আমি সবাইকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারি না, মোদিকে সেই পাইলট

আমি সবাইকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারি না, মোদিকে সেই পাইলট
সিজেডএন ডেস্ক

দুবাই থেকে তেল আবিবগামী একটি ফ্লাইটে রোমহর্ষক হামলার শিকার হওয়া ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছাড় কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। ভিডিও কলে হওয়া আলাপে তার মাথার চারপাশ ব্যান্ডেজে মোড়ানো দেখা গেলেও, ক্লান্ত শরীর নিয়েও তিনি স্পষ্টভাবেই কথা বলছিলেন। প্রায় ১০ মিনিটের এ কথোপকথনে উঠে আসে সেদিন আকাশে ঘটে যাওয়া সেই ভয়ংকর মুহূর্তের চাঞ্চল্যকর বিবরণ।
স্মিত জানান, ‘সে সময় আমি জীবন বাঁচানোর জন্য লড়াই করছিলাম। হামলার কারণে অনেক বেশি আঘাত পাওয়ায় আমি পড়ে গিয়েছিলাম। আমি ভাবছিলাম যদি আমি ওঠে দাঁড়াতে না পারি তাহলে কী হবে?’
পাইলট আরও বলেন, ওই সময় আমি জানতাম, একবার শেষ চেষ্টা করতে হবে। আমার মন বলছিল, স্মিত দরজাটা খুলে দাও, শুধু এটি করো। এমনকি ওই সময়ও সে (কো-পাইলট) আমাকে মারছিল।
স্মিত জানান, তখনই আমি দরজা খুলে দেই। তারপর সবাই ভেতরে ঢোকে। আমি আমার নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য এটি করেছিলাম। কিন্তু আমি জানতাম, সবাইকে আমি মরতে দিতে পারি না।
প্রধানমন্ত্রীকে তিনি জানান, মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে যখন তিনি মেঝেতে পড়েছিলেন, তখনই বুঝতে পেরেছিলেন বিমানটি খাড়াখাখাড়িভাবে নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। চরম বিপদের সে মুহূর্তে মনের জোর ধরে রাখতে তিনি হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন।
নরেন্দ্র মোদি তাকে জানান, এ বিরোচিত কাজের মাধ্যমে তিনি ১৪০ কোটি ভারতীয়কে গর্বিত করেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

দুবাই থেকে তেল আবিবগামী একটি ফ্লাইটে রোমহর্ষক হামলার শিকার হওয়া ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছাড় কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। ভিডিও কলে হওয়া আলাপে তার মাথার চারপাশ ব্যান্ডেজে মোড়ানো দেখা গেলেও, ক্লান্ত শরীর নিয়েও তিনি স্পষ্টভাবেই কথা বলছিলেন। প্রায় ১০ মিনিটের এ কথোপকথনে উঠে আসে সেদিন আকাশে ঘটে যাওয়া সেই ভয়ংকর মুহূর্তের চাঞ্চল্যকর বিবরণ।
স্মিত জানান, ‘সে সময় আমি জীবন বাঁচানোর জন্য লড়াই করছিলাম। হামলার কারণে অনেক বেশি আঘাত পাওয়ায় আমি পড়ে গিয়েছিলাম। আমি ভাবছিলাম যদি আমি ওঠে দাঁড়াতে না পারি তাহলে কী হবে?’
পাইলট আরও বলেন, ওই সময় আমি জানতাম, একবার শেষ চেষ্টা করতে হবে। আমার মন বলছিল, স্মিত দরজাটা খুলে দাও, শুধু এটি করো। এমনকি ওই সময়ও সে (কো-পাইলট) আমাকে মারছিল।
স্মিত জানান, তখনই আমি দরজা খুলে দেই। তারপর সবাই ভেতরে ঢোকে। আমি আমার নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য এটি করেছিলাম। কিন্তু আমি জানতাম, সবাইকে আমি মরতে দিতে পারি না।
প্রধানমন্ত্রীকে তিনি জানান, মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে যখন তিনি মেঝেতে পড়েছিলেন, তখনই বুঝতে পেরেছিলেন বিমানটি খাড়াখাখাড়িভাবে নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। চরম বিপদের সে মুহূর্তে মনের জোর ধরে রাখতে তিনি হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন।
নরেন্দ্র মোদি তাকে জানান, এ বিরোচিত কাজের মাধ্যমে তিনি ১৪০ কোটি ভারতীয়কে গর্বিত করেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

আমি সবাইকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারি না, মোদিকে সেই পাইলট
সিজেডএন ডেস্ক

দুবাই থেকে তেল আবিবগামী একটি ফ্লাইটে রোমহর্ষক হামলার শিকার হওয়া ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছাড় কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। ভিডিও কলে হওয়া আলাপে তার মাথার চারপাশ ব্যান্ডেজে মোড়ানো দেখা গেলেও, ক্লান্ত শরীর নিয়েও তিনি স্পষ্টভাবেই কথা বলছিলেন। প্রায় ১০ মিনিটের এ কথোপকথনে উঠে আসে সেদিন আকাশে ঘটে যাওয়া সেই ভয়ংকর মুহূর্তের চাঞ্চল্যকর বিবরণ।
স্মিত জানান, ‘সে সময় আমি জীবন বাঁচানোর জন্য লড়াই করছিলাম। হামলার কারণে অনেক বেশি আঘাত পাওয়ায় আমি পড়ে গিয়েছিলাম। আমি ভাবছিলাম যদি আমি ওঠে দাঁড়াতে না পারি তাহলে কী হবে?’
পাইলট আরও বলেন, ওই সময় আমি জানতাম, একবার শেষ চেষ্টা করতে হবে। আমার মন বলছিল, স্মিত দরজাটা খুলে দাও, শুধু এটি করো। এমনকি ওই সময়ও সে (কো-পাইলট) আমাকে মারছিল।
স্মিত জানান, তখনই আমি দরজা খুলে দেই। তারপর সবাই ভেতরে ঢোকে। আমি আমার নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য এটি করেছিলাম। কিন্তু আমি জানতাম, সবাইকে আমি মরতে দিতে পারি না।
প্রধানমন্ত্রীকে তিনি জানান, মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে যখন তিনি মেঝেতে পড়েছিলেন, তখনই বুঝতে পেরেছিলেন বিমানটি খাড়াখাখাড়িভাবে নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। চরম বিপদের সে মুহূর্তে মনের জোর ধরে রাখতে তিনি হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন।
নরেন্দ্র মোদি তাকে জানান, এ বিরোচিত কাজের মাধ্যমে তিনি ১৪০ কোটি ভারতীয়কে গর্বিত করেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

নেতানিয়াহু ও বিন জায়েদ বিমান ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়েছেন: ইরানি গণমাধ্যম







