যুদ্ধ অবসানে জেলেনস্কির ‘সরাসরি বৈঠকের’ প্রস্তাব নাকচ পুতিনের

যুদ্ধ অবসানে জেলেনস্কির ‘সরাসরি বৈঠকের’ প্রস্তাব নাকচ পুতিনের
সিটিজেন ডেস্ক

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সরাসরি বৈঠক ও যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেন্ট পিটার্সবার্গে আয়োজিত রাশিয়ার বার্ষিক অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় পুতিন জানান, এ মুহূর্তে ইউক্রেনীয় নেতার সঙ্গে মুখোমুখি বসার কোনো যৌক্তিকতা বা অর্থ তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না। অন্যদিকে পুতিনের এ প্রত্যাখ্যানের জবাবে জেলেনস্কি ক্ষোভ প্রকাশ করে টেলিগ্রামে লিখেছেন, মস্কো আবারও আলোচনার পথ এড়িয়ে শান্তির চেয়ে যুদ্ধকেই বেছে নিচ্ছে, যা বিশ্ববাসীকে হতাশ করেছে।
এর আগে পাঠানো চিঠিতে জেলেনস্কি উল্লেখ করেছিলেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য কেবল যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মনোযোগের অপেক্ষায় হাত গুটিয়ে বসে থাকাটা একটি বড় ভুল। তবে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানালেও ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের সুর ছিল বেশ কড়া ও বিদ্রূপাত্মক। চিঠিতে তিনি ২৬ বছর ক্ষমতায় থাকা পুতিনের ওপর বয়সের প্রভাব পড়ছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। পাশাপাশি সেন্ট পিটার্সবার্গে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক ড্রোন হামলাকে পুতিনের সঙ্গে এক প্রকার সাক্ষাৎ হিসেবেও অভিহিত করেন।
ক্রেমলিন প্রধান অবশ্য এ আলোচনার প্রস্তাবকে কেবলই কিয়েভের সামরিক শক্তি পুনর্গঠনের একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন। পুতিন তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতির আগে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি হতে হবে এবং বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে সমাধান আসতে হবে। রাশিয়া জানিয়েছে, দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় সেনা প্রত্যাহার এবং দেশটির ন্যাটোতে যোগদানের প্রচেষ্টা ত্যাগ করার মতো লক্ষ্যগুলো পূরণ হলেই কেবল সামরিক অভিযান বন্ধ হবে। তবে কিয়েভ কোনো ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে রাজি নয়, কারণ তাদের মতে মস্কোকে ছাড় দেওয়া মানে ভবিষ্যতে আবারও আগ্রাসন চালাতে উৎসাহিত করা।
এ চিঠির সূত্র ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২ নেতার সাক্ষাৎকে ইতিবাচক হিসেবে দেখার কথা জানালেও মাঠপর্যায়ের যুদ্ধ পরিস্থিতি এখনও বেশ উত্তপ্ত। ইউক্রেনীয় বাহিনী আজভ সাগর ও রুশ-অধিকৃত জলসীমায় শস্য চুরি এবং সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তরে জড়িত পাঁচটি অবৈধ পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। যার মধ্যে দুটি জাহাজে ৫ জন নিহত হয়েছেন। অপরদিকে রোমানিয়ার কৃষ্ণ সাগর উপকূলে একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে কিয়েভের দুগ্ধ কারখানা এবং খেরসনের একটি পেট্রোল স্টেশনসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন বেসামরিক এলাকায় রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলায় গত একদিনে অন্তত ১৩ জন নিহত ও ৭০ জন আহত হয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সরাসরি বৈঠক ও যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেন্ট পিটার্সবার্গে আয়োজিত রাশিয়ার বার্ষিক অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় পুতিন জানান, এ মুহূর্তে ইউক্রেনীয় নেতার সঙ্গে মুখোমুখি বসার কোনো যৌক্তিকতা বা অর্থ তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না। অন্যদিকে পুতিনের এ প্রত্যাখ্যানের জবাবে জেলেনস্কি ক্ষোভ প্রকাশ করে টেলিগ্রামে লিখেছেন, মস্কো আবারও আলোচনার পথ এড়িয়ে শান্তির চেয়ে যুদ্ধকেই বেছে নিচ্ছে, যা বিশ্ববাসীকে হতাশ করেছে।
এর আগে পাঠানো চিঠিতে জেলেনস্কি উল্লেখ করেছিলেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য কেবল যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মনোযোগের অপেক্ষায় হাত গুটিয়ে বসে থাকাটা একটি বড় ভুল। তবে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানালেও ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের সুর ছিল বেশ কড়া ও বিদ্রূপাত্মক। চিঠিতে তিনি ২৬ বছর ক্ষমতায় থাকা পুতিনের ওপর বয়সের প্রভাব পড়ছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। পাশাপাশি সেন্ট পিটার্সবার্গে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক ড্রোন হামলাকে পুতিনের সঙ্গে এক প্রকার সাক্ষাৎ হিসেবেও অভিহিত করেন।
ক্রেমলিন প্রধান অবশ্য এ আলোচনার প্রস্তাবকে কেবলই কিয়েভের সামরিক শক্তি পুনর্গঠনের একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন। পুতিন তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতির আগে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি হতে হবে এবং বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে সমাধান আসতে হবে। রাশিয়া জানিয়েছে, দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় সেনা প্রত্যাহার এবং দেশটির ন্যাটোতে যোগদানের প্রচেষ্টা ত্যাগ করার মতো লক্ষ্যগুলো পূরণ হলেই কেবল সামরিক অভিযান বন্ধ হবে। তবে কিয়েভ কোনো ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে রাজি নয়, কারণ তাদের মতে মস্কোকে ছাড় দেওয়া মানে ভবিষ্যতে আবারও আগ্রাসন চালাতে উৎসাহিত করা।
এ চিঠির সূত্র ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২ নেতার সাক্ষাৎকে ইতিবাচক হিসেবে দেখার কথা জানালেও মাঠপর্যায়ের যুদ্ধ পরিস্থিতি এখনও বেশ উত্তপ্ত। ইউক্রেনীয় বাহিনী আজভ সাগর ও রুশ-অধিকৃত জলসীমায় শস্য চুরি এবং সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তরে জড়িত পাঁচটি অবৈধ পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। যার মধ্যে দুটি জাহাজে ৫ জন নিহত হয়েছেন। অপরদিকে রোমানিয়ার কৃষ্ণ সাগর উপকূলে একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে কিয়েভের দুগ্ধ কারখানা এবং খেরসনের একটি পেট্রোল স্টেশনসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন বেসামরিক এলাকায় রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলায় গত একদিনে অন্তত ১৩ জন নিহত ও ৭০ জন আহত হয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি

যুদ্ধ অবসানে জেলেনস্কির ‘সরাসরি বৈঠকের’ প্রস্তাব নাকচ পুতিনের
সিটিজেন ডেস্ক

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সরাসরি বৈঠক ও যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেন্ট পিটার্সবার্গে আয়োজিত রাশিয়ার বার্ষিক অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় পুতিন জানান, এ মুহূর্তে ইউক্রেনীয় নেতার সঙ্গে মুখোমুখি বসার কোনো যৌক্তিকতা বা অর্থ তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না। অন্যদিকে পুতিনের এ প্রত্যাখ্যানের জবাবে জেলেনস্কি ক্ষোভ প্রকাশ করে টেলিগ্রামে লিখেছেন, মস্কো আবারও আলোচনার পথ এড়িয়ে শান্তির চেয়ে যুদ্ধকেই বেছে নিচ্ছে, যা বিশ্ববাসীকে হতাশ করেছে।
এর আগে পাঠানো চিঠিতে জেলেনস্কি উল্লেখ করেছিলেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য কেবল যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মনোযোগের অপেক্ষায় হাত গুটিয়ে বসে থাকাটা একটি বড় ভুল। তবে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানালেও ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের সুর ছিল বেশ কড়া ও বিদ্রূপাত্মক। চিঠিতে তিনি ২৬ বছর ক্ষমতায় থাকা পুতিনের ওপর বয়সের প্রভাব পড়ছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। পাশাপাশি সেন্ট পিটার্সবার্গে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক ড্রোন হামলাকে পুতিনের সঙ্গে এক প্রকার সাক্ষাৎ হিসেবেও অভিহিত করেন।
ক্রেমলিন প্রধান অবশ্য এ আলোচনার প্রস্তাবকে কেবলই কিয়েভের সামরিক শক্তি পুনর্গঠনের একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন। পুতিন তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতির আগে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি হতে হবে এবং বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে সমাধান আসতে হবে। রাশিয়া জানিয়েছে, দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় সেনা প্রত্যাহার এবং দেশটির ন্যাটোতে যোগদানের প্রচেষ্টা ত্যাগ করার মতো লক্ষ্যগুলো পূরণ হলেই কেবল সামরিক অভিযান বন্ধ হবে। তবে কিয়েভ কোনো ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে রাজি নয়, কারণ তাদের মতে মস্কোকে ছাড় দেওয়া মানে ভবিষ্যতে আবারও আগ্রাসন চালাতে উৎসাহিত করা।
এ চিঠির সূত্র ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২ নেতার সাক্ষাৎকে ইতিবাচক হিসেবে দেখার কথা জানালেও মাঠপর্যায়ের যুদ্ধ পরিস্থিতি এখনও বেশ উত্তপ্ত। ইউক্রেনীয় বাহিনী আজভ সাগর ও রুশ-অধিকৃত জলসীমায় শস্য চুরি এবং সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তরে জড়িত পাঁচটি অবৈধ পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। যার মধ্যে দুটি জাহাজে ৫ জন নিহত হয়েছেন। অপরদিকে রোমানিয়ার কৃষ্ণ সাগর উপকূলে একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে কিয়েভের দুগ্ধ কারখানা এবং খেরসনের একটি পেট্রোল স্টেশনসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন বেসামরিক এলাকায় রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলায় গত একদিনে অন্তত ১৩ জন নিহত ও ৭০ জন আহত হয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি

যুদ্ধ বন্ধে পুতিনকে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব জেলেনস্কির

