ঢাকা বসবাসের অযোগ্য, মনে হয় গ্রামে চলে যাই: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

ঢাকা বসবাসের অযোগ্য, মনে হয় গ্রামে চলে যাই: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি

স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঢাকা শহরে এতো প্রকল্পের পর প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করতে কোনো প্রকল্প নেওয়া হয় না। ঢাকা শহর এখন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। আমি আমার গ্রামের শহরে চলে যেতে চাই।
আজ শনিবার (৬ জুন) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত রাজধানীর একটি হোটেলে ‘নাগরিক ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী নিজের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ১৯৫৩ সালে আমি ঢাকা কলেজে পড়েছি। তখন মুক্ত বাতাস নেওয়ার জন্য আমরা বুড়িগঙ্গায় যেতাম। সেখানে নৌকায় ঘুরে বেড়াতাম। এখন সেখানকার পাশ দিয়েও যাওয়া যায় না। আমরা চাই বুড়িগঙ্গা দূষণ মুক্ত করতে। আমরা চাই বালু, শীতলক্ষ্যা ও তুরাগ নদীকে দূষণ মুক্ত করতে।
ঢাকা শহরের দূষণ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা আমাদের বসবাসের শহর। কিন্তু ঢাকা শহরের বাতাস যে পরিমাণ দূষিত আমি এই শহরে থাকতে চাই না। ঢাকা শহরের পাবলিক হাসপাতালে ঢোকা যায় না। সবগুলো প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। ঢাকা শহরে আমরা আসলে কি মুক্ত বাতাস নিতে পারবো? ঢাকাকে দূষণমুক্ত করতে হবে। আমরা চাই দক্ষিণের জানালা যেন খুলে রাখতে পারি, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
ঢাকা শহরের ড্রেনেজ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ঢাকায় হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ড্রেনেজ করা হয়। কিন্তু এগুলো আমাদের কোনো উপকারে আসে না। এগুলোকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে চাই।
মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ঢাকা শহরের পানির মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) উদ্দেশ্য করে বলেন, ঢাকার পানি ভয়াবহ। পানির বড় একটি অংশ আছে সেগুলো সেবনযোগ্য নয়। আর গভীর নলকূপের মাধ্যমে পানি তোলায় স্তর অনেক নিচে চলে যাচ্ছে। এক সময়ে কোনো বড় দুর্ঘটনা বা ভূমিকম্প হলে পুরো ঢাকা শহর তলিয়ে যাবে। এজন্য আমাদের পরিকল্পিতভাবে নগর গড়ে তুলতে হবে।

স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঢাকা শহরে এতো প্রকল্পের পর প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করতে কোনো প্রকল্প নেওয়া হয় না। ঢাকা শহর এখন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। আমি আমার গ্রামের শহরে চলে যেতে চাই।
আজ শনিবার (৬ জুন) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত রাজধানীর একটি হোটেলে ‘নাগরিক ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী নিজের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ১৯৫৩ সালে আমি ঢাকা কলেজে পড়েছি। তখন মুক্ত বাতাস নেওয়ার জন্য আমরা বুড়িগঙ্গায় যেতাম। সেখানে নৌকায় ঘুরে বেড়াতাম। এখন সেখানকার পাশ দিয়েও যাওয়া যায় না। আমরা চাই বুড়িগঙ্গা দূষণ মুক্ত করতে। আমরা চাই বালু, শীতলক্ষ্যা ও তুরাগ নদীকে দূষণ মুক্ত করতে।
ঢাকা শহরের দূষণ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা আমাদের বসবাসের শহর। কিন্তু ঢাকা শহরের বাতাস যে পরিমাণ দূষিত আমি এই শহরে থাকতে চাই না। ঢাকা শহরের পাবলিক হাসপাতালে ঢোকা যায় না। সবগুলো প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। ঢাকা শহরে আমরা আসলে কি মুক্ত বাতাস নিতে পারবো? ঢাকাকে দূষণমুক্ত করতে হবে। আমরা চাই দক্ষিণের জানালা যেন খুলে রাখতে পারি, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
ঢাকা শহরের ড্রেনেজ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ঢাকায় হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ড্রেনেজ করা হয়। কিন্তু এগুলো আমাদের কোনো উপকারে আসে না। এগুলোকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে চাই।
মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ঢাকা শহরের পানির মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) উদ্দেশ্য করে বলেন, ঢাকার পানি ভয়াবহ। পানির বড় একটি অংশ আছে সেগুলো সেবনযোগ্য নয়। আর গভীর নলকূপের মাধ্যমে পানি তোলায় স্তর অনেক নিচে চলে যাচ্ছে। এক সময়ে কোনো বড় দুর্ঘটনা বা ভূমিকম্প হলে পুরো ঢাকা শহর তলিয়ে যাবে। এজন্য আমাদের পরিকল্পিতভাবে নগর গড়ে তুলতে হবে।

ঢাকা বসবাসের অযোগ্য, মনে হয় গ্রামে চলে যাই: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি

স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঢাকা শহরে এতো প্রকল্পের পর প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করতে কোনো প্রকল্প নেওয়া হয় না। ঢাকা শহর এখন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। আমি আমার গ্রামের শহরে চলে যেতে চাই।
আজ শনিবার (৬ জুন) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত রাজধানীর একটি হোটেলে ‘নাগরিক ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী নিজের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ১৯৫৩ সালে আমি ঢাকা কলেজে পড়েছি। তখন মুক্ত বাতাস নেওয়ার জন্য আমরা বুড়িগঙ্গায় যেতাম। সেখানে নৌকায় ঘুরে বেড়াতাম। এখন সেখানকার পাশ দিয়েও যাওয়া যায় না। আমরা চাই বুড়িগঙ্গা দূষণ মুক্ত করতে। আমরা চাই বালু, শীতলক্ষ্যা ও তুরাগ নদীকে দূষণ মুক্ত করতে।
ঢাকা শহরের দূষণ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা আমাদের বসবাসের শহর। কিন্তু ঢাকা শহরের বাতাস যে পরিমাণ দূষিত আমি এই শহরে থাকতে চাই না। ঢাকা শহরের পাবলিক হাসপাতালে ঢোকা যায় না। সবগুলো প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। ঢাকা শহরে আমরা আসলে কি মুক্ত বাতাস নিতে পারবো? ঢাকাকে দূষণমুক্ত করতে হবে। আমরা চাই দক্ষিণের জানালা যেন খুলে রাখতে পারি, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
ঢাকা শহরের ড্রেনেজ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ঢাকায় হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ড্রেনেজ করা হয়। কিন্তু এগুলো আমাদের কোনো উপকারে আসে না। এগুলোকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে চাই।
মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ঢাকা শহরের পানির মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) উদ্দেশ্য করে বলেন, ঢাকার পানি ভয়াবহ। পানির বড় একটি অংশ আছে সেগুলো সেবনযোগ্য নয়। আর গভীর নলকূপের মাধ্যমে পানি তোলায় স্তর অনেক নিচে চলে যাচ্ছে। এক সময়ে কোনো বড় দুর্ঘটনা বা ভূমিকম্প হলে পুরো ঢাকা শহর তলিয়ে যাবে। এজন্য আমাদের পরিকল্পিতভাবে নগর গড়ে তুলতে হবে।



