ইউক্রেনকে ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি ট্রাম্পের

ইউক্রেনকে ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি ট্রাম্পের
সিজেডএন ডেস্ক

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে ইউক্রেনকে স্বস্তির খবর দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির ভেতরেই অত্যাধুনিক ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য জোরালো তাগিদ দিয়েছিলেন জেলেনস্কি। বিশেষ করে রাশিয়ার শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ‘প্যাট্রিয়ট’ ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। সাংবাদিকদের পাঠানো এক অডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ‘আমাদের সর্বশেষ বৈঠকে ট্রাম্প প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়েছেন।’
এর আগে ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর তৈরির লাইসেন্স দেওয়ার কথা দিয়েও যুক্তরাষ্ট্র তা থেকে পিছু হটেছিল। মূলত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে এ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সরবরাহ অন্য দিকে দেওয়া হয়। তাছাড়া, লাইসেন্স পাওয়া গেলেও নিজস্ব কারখানায় উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তুলতে এক বছরের বেশি সময় লাগবে, যা কিয়েভের এ মুহূর্তের জরুরি চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
এদিকে সামনেই আসছে শীত, আর তাই জরুরি সহায়তার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ইউক্রেন। জেলেনস্কি গত মাসেই জানিয়েছিলেন, কোনোমতে শীতকাল পার করার জন্য তাদের প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের মোট প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের ৫ শতাংশ, আর রাশিয়ার সব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে দরকার ১০ শতাংশ। এ অস্ত্র সংকটের সুযোগ নিয়ে রাশিয়াও তাদের আক্রমণ আরও তীব্র করে তুলেছে।
সাধারণ মানুষের বসতি থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহের মতো জরুরি অবকাঠামো ধ্বংস করতেই এখন বেশি জোর দিচ্ছে মস্কো। শুধু রাতের অন্ধকারেই নয়, এখন প্রায়ই দিনের আলোতেও বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে তারা। বিশ্লেষকদের মতে, শীতে জনদুর্ভোগ চরমে নিয়ে গিয়ে ইউক্রেনের মানুষের মনোবল ভেঙে দেওয়াই রুশ বাহিনীর মূল লক্ষ্য।
সূত্র: ইউরো নিউজ

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে ইউক্রেনকে স্বস্তির খবর দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির ভেতরেই অত্যাধুনিক ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য জোরালো তাগিদ দিয়েছিলেন জেলেনস্কি। বিশেষ করে রাশিয়ার শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ‘প্যাট্রিয়ট’ ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। সাংবাদিকদের পাঠানো এক অডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ‘আমাদের সর্বশেষ বৈঠকে ট্রাম্প প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়েছেন।’
এর আগে ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর তৈরির লাইসেন্স দেওয়ার কথা দিয়েও যুক্তরাষ্ট্র তা থেকে পিছু হটেছিল। মূলত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে এ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সরবরাহ অন্য দিকে দেওয়া হয়। তাছাড়া, লাইসেন্স পাওয়া গেলেও নিজস্ব কারখানায় উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তুলতে এক বছরের বেশি সময় লাগবে, যা কিয়েভের এ মুহূর্তের জরুরি চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
এদিকে সামনেই আসছে শীত, আর তাই জরুরি সহায়তার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ইউক্রেন। জেলেনস্কি গত মাসেই জানিয়েছিলেন, কোনোমতে শীতকাল পার করার জন্য তাদের প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের মোট প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের ৫ শতাংশ, আর রাশিয়ার সব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে দরকার ১০ শতাংশ। এ অস্ত্র সংকটের সুযোগ নিয়ে রাশিয়াও তাদের আক্রমণ আরও তীব্র করে তুলেছে।
সাধারণ মানুষের বসতি থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহের মতো জরুরি অবকাঠামো ধ্বংস করতেই এখন বেশি জোর দিচ্ছে মস্কো। শুধু রাতের অন্ধকারেই নয়, এখন প্রায়ই দিনের আলোতেও বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে তারা। বিশ্লেষকদের মতে, শীতে জনদুর্ভোগ চরমে নিয়ে গিয়ে ইউক্রেনের মানুষের মনোবল ভেঙে দেওয়াই রুশ বাহিনীর মূল লক্ষ্য।
সূত্র: ইউরো নিউজ

ইউক্রেনকে ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি ট্রাম্পের
সিজেডএন ডেস্ক

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে ইউক্রেনকে স্বস্তির খবর দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির ভেতরেই অত্যাধুনিক ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য জোরালো তাগিদ দিয়েছিলেন জেলেনস্কি। বিশেষ করে রাশিয়ার শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ‘প্যাট্রিয়ট’ ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। সাংবাদিকদের পাঠানো এক অডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ‘আমাদের সর্বশেষ বৈঠকে ট্রাম্প প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়েছেন।’
এর আগে ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর তৈরির লাইসেন্স দেওয়ার কথা দিয়েও যুক্তরাষ্ট্র তা থেকে পিছু হটেছিল। মূলত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে এ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সরবরাহ অন্য দিকে দেওয়া হয়। তাছাড়া, লাইসেন্স পাওয়া গেলেও নিজস্ব কারখানায় উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তুলতে এক বছরের বেশি সময় লাগবে, যা কিয়েভের এ মুহূর্তের জরুরি চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
এদিকে সামনেই আসছে শীত, আর তাই জরুরি সহায়তার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ইউক্রেন। জেলেনস্কি গত মাসেই জানিয়েছিলেন, কোনোমতে শীতকাল পার করার জন্য তাদের প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের মোট প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের ৫ শতাংশ, আর রাশিয়ার সব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে দরকার ১০ শতাংশ। এ অস্ত্র সংকটের সুযোগ নিয়ে রাশিয়াও তাদের আক্রমণ আরও তীব্র করে তুলেছে।
সাধারণ মানুষের বসতি থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহের মতো জরুরি অবকাঠামো ধ্বংস করতেই এখন বেশি জোর দিচ্ছে মস্কো। শুধু রাতের অন্ধকারেই নয়, এখন প্রায়ই দিনের আলোতেও বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে তারা। বিশ্লেষকদের মতে, শীতে জনদুর্ভোগ চরমে নিয়ে গিয়ে ইউক্রেনের মানুষের মনোবল ভেঙে দেওয়াই রুশ বাহিনীর মূল লক্ষ্য।
সূত্র: ইউরো নিউজ

ইউক্রেনে রাতভর ব্যাপক ড্রোন হামলা রাশিয়ার, শিশুসহ নিহত ৪







