ফোর্বস তালিকায় সবচেয়ে কম বয়সী শীর্ষ ১০ বিলিয়নিয়ার

ফোর্বস তালিকায় সবচেয়ে কম বয়সী শীর্ষ ১০ বিলিয়নিয়ার
সিটিজেন ডেস্ক

২০২৬ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ‘বিলিয়নিয়ার’ বা শতকোটিপতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪২৮। ফোর্বস ম্যাগাজিনের এ তালিকায় ৩০ বছরের কম বয়সী শতকোটিপতি মানুষের সংখ্যা রেকর্ড স্পর্শ করেছে। তাদের সংখ্যা মোট ৩৫।
ওষুধের দোকান ও প্লাম্বিং সরঞ্জাম থেকে শুরু করে শেয়ারবাজারের পূর্বাভাস ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-ভিত্তিক কোডিং– এমন বিভিন্ন খাতে ব্যবসা করে তারা এই বিশাল সম্পদের মালিক হয়েছেন। দেখা গেছে, অধিকাংশই উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পদ পেলেও ১২ জন নিজের চেষ্টায় এ অবস্থানে পৌঁছেছেন। বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী আত্মপ্রতিষ্ঠিত শতকোটিপতিরা এবার প্রথমবারের মতো তালিকায় এসেছেন।
১০. পেদ্রো ভয়গ্ট ত্রেজেস

ব্রাজিলের নাগরিক পেদ্রো ভয়গ্ট ত্রেজেস ১১০ কোটি ডলারের মালিক। তার বয়স ২৩ বছর।
পেদ্রো লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক মোটর কোম্পানি ডব্লিউইজির একজন বড় শেয়ারহোল্ডার। শেয়ারধারীদের মধ্যে আছেন তার ভাই ফেলিপে ও বোন অ্যামেলি।
৯. কেভিন ডেভিড লেহম্যান

২৩ বছর বয়সী কেভিন ডেভিড লেহম্যানের রয়েছে ৪৯০ কোটি ডলার। জার্মানির এই নাগরিক উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পদের মালিক হয়েছেন।
২০১৭ সালে কেভিনের বয়স যখন মাত্র ১৪ বছর, তখন থেকে তার বাবা ধীরে ধীরে তাকে ব্যবসায় যুক্ত করেন। জার্মানির শীর্ষ ওষুধের চেইন ডিএম-ড্রোগেরি মার্ক্টের ৫০ শতাংশ শেয়ারের উত্তরাধিকারী হন কেভিন। ১৯৭৪ সালে তার বাবা প্রথম এই ব্র্যান্ডে বিনিয়োগ করেছিলেন।
৮. আদর্শ হিরেমাথ

আদর্শ হিরেমাথ ২০২৩ সালে এআইভিত্তিক স্টার্টআপ মেরকরের সহপ্রতিষ্ঠাতা হন। অন্য দুজন হলেন– সূর্য মিধা, ব্রেন্ডান ফুডি। প্রত্যেকের বয়স ২২ বছর এবং প্রত্যেকের সম্পদ ২২০ কোটি ডলার। প্রত্যেকে কোম্পানির প্রায় ২২ শতাংশ শেয়ারধারী। মার্কিন কোম্পানি মেরকর বড় এআই ল্যাবগুলোর মডেল ট্রেনিংয়ে সহায়তা করে।
৭. ব্রেন্ডান ফুডি

মেরকরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্রেন্ডান ফুডি। ২০২৩ সালে মেরকর প্রতিষ্ঠার পর ফুডি জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে পড়া ছেড়ে দেন। এর আগে তিনি দুটি স্টার্টআপ শুরু করেছিলেন। সেই দুটি স্টার্টআপও ছিল সফটওয়্যারভিত্তিক।
৬. সূর্য মিধা

সূর্য মিধা বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ আত্মপ্রতিষ্ঠিত শতকোটিপতি। ভারতীয় বাবা-মায়ের সন্তান সূর্য ক্যালিফোর্নিয়ার বে এরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
মিধা, ব্রেন্ডান ফুডি ও আদর্শ হিরেমাথ ২০২৫ সালের অক্টোবরে বিশ্বের তিন কনিষ্ঠ আত্মপ্রতিষ্ঠিত শতকোটিপতি হিসেবে আবির্ভূত হন। এসময় তাদের প্রতিষ্ঠান মেরকরের মূল্যায়ন হয়েছিল ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার।
৫. কিম জং-ইউন

নেক্সনের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত কিম জং-জুর কনিষ্ঠ কন্যা কিম জং-ইউন ১৭০ কোটি ডলারের মালিক। দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক কিমের বয়স ২২ বছর। দক্ষিণ কোরিয়া-জাপানভিত্তিক অনলাইন গেমিং কোম্পানি নেক্সনে তার প্রায় ৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
নেক্সন বর্তমানে ৮০টির বেশি লাইভ গেম পরিচালনা করে। এর মধ্যে আছে ম্যাপলস্টোরি, কার্টরাইডার ও ডানজিয়ন অ্যান্ড ফাইটারের মতো জনপ্রিয় গেম।
৪. ক্লেমেন্তে দেল ভেক্কিও

ইতালির নাগরিক ক্লেমেন্তে দেল ভেক্কিও মাত্র ২১ বছর বয়সে ৬৮০ কোটি ডলারের মালিক হয়েছেন। হোল্ডিং কোম্পানি ডেলফিনে তার ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ার আছে।
বিশ্বখ্যাত চশমা কোম্পানি এসিলরলাক্সোটিকায় ডেলফিনের বিনিয়োগ আছে। রে-ব্যান ও পারসোলের মতো বিখ্যাত ব্র্যান্ডের চশমা বানায় এই এসিলরলাক্সোটিকা।
৩. লিভিয়া ভয়গ্ট দে আসিস

লিভিয়া ভয়গ্ট দে আসিসের সম্পদ ১৪০ কোটি ডলার। ২১ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক মোটর কোম্পানি ডব্লিউইজির অন্যতম শেয়ারধারী। এই কোম্পানিতে তার ৩ দশমিক ১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ডব্লিউইজি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন লিভিয়ার দাদা ভের্নার রিকার্ডো ভয়গ্ট। তার সঙ্গে ছিলেন প্রয়াত বিলিয়নিয়ার এগন জোয়াও দা সিলভা ও জেরালদো ভার্নিংহাউস।
২. ইয়োহানেস ফন বাউমবাখ

জার্মান নাগরিক ইয়োহানেস ফন বাউমবাখের রয়েছে ৬৬০ কোটি ডলার। তার বয়স ২০ বছর।
জার্মানির ওষুধ কোম্পানি বোয়েরিঙ্গার ইনগেলহাইমের সর্বকনিষ্ঠ উত্তরাধিকারী ইয়োহানেস। ২০১৫ সাল থেকে কোম্পানিটির নেতৃত্বে আছেন তার পরিবারেরই একজন। এখন দায়িত্বে আছেন তার চাচা হুবার্টুস ফন বাউমবাখ।
১. অ্যামেলি ভয়গ্ট ত্রেজেস

বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী শতকোটিপতির তালিকায় প্রথমে আছেন অ্যামেলি ভয়গ্ট ত্রেজেস। বয়স ২০ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ানের রয়েছে ১১০ কোটি ডলার।
লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক মোটর কোম্পানি ডব্লিউইজির অন্যতম বৃহৎ শেয়ারধারী অ্যামেলি। ডব্লিউইজি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তার দাদা ভের্নার রিকার্ডো ভয়গ্ট। বিশ্বের ১০টির বেশি দেশে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কারখানা আছে। বছরে কোম্পানিটির আয় প্রায় ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার।

২০২৬ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ‘বিলিয়নিয়ার’ বা শতকোটিপতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪২৮। ফোর্বস ম্যাগাজিনের এ তালিকায় ৩০ বছরের কম বয়সী শতকোটিপতি মানুষের সংখ্যা রেকর্ড স্পর্শ করেছে। তাদের সংখ্যা মোট ৩৫।
ওষুধের দোকান ও প্লাম্বিং সরঞ্জাম থেকে শুরু করে শেয়ারবাজারের পূর্বাভাস ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-ভিত্তিক কোডিং– এমন বিভিন্ন খাতে ব্যবসা করে তারা এই বিশাল সম্পদের মালিক হয়েছেন। দেখা গেছে, অধিকাংশই উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পদ পেলেও ১২ জন নিজের চেষ্টায় এ অবস্থানে পৌঁছেছেন। বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী আত্মপ্রতিষ্ঠিত শতকোটিপতিরা এবার প্রথমবারের মতো তালিকায় এসেছেন।
১০. পেদ্রো ভয়গ্ট ত্রেজেস

ব্রাজিলের নাগরিক পেদ্রো ভয়গ্ট ত্রেজেস ১১০ কোটি ডলারের মালিক। তার বয়স ২৩ বছর।
পেদ্রো লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক মোটর কোম্পানি ডব্লিউইজির একজন বড় শেয়ারহোল্ডার। শেয়ারধারীদের মধ্যে আছেন তার ভাই ফেলিপে ও বোন অ্যামেলি।
৯. কেভিন ডেভিড লেহম্যান

২৩ বছর বয়সী কেভিন ডেভিড লেহম্যানের রয়েছে ৪৯০ কোটি ডলার। জার্মানির এই নাগরিক উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পদের মালিক হয়েছেন।
২০১৭ সালে কেভিনের বয়স যখন মাত্র ১৪ বছর, তখন থেকে তার বাবা ধীরে ধীরে তাকে ব্যবসায় যুক্ত করেন। জার্মানির শীর্ষ ওষুধের চেইন ডিএম-ড্রোগেরি মার্ক্টের ৫০ শতাংশ শেয়ারের উত্তরাধিকারী হন কেভিন। ১৯৭৪ সালে তার বাবা প্রথম এই ব্র্যান্ডে বিনিয়োগ করেছিলেন।
৮. আদর্শ হিরেমাথ

আদর্শ হিরেমাথ ২০২৩ সালে এআইভিত্তিক স্টার্টআপ মেরকরের সহপ্রতিষ্ঠাতা হন। অন্য দুজন হলেন– সূর্য মিধা, ব্রেন্ডান ফুডি। প্রত্যেকের বয়স ২২ বছর এবং প্রত্যেকের সম্পদ ২২০ কোটি ডলার। প্রত্যেকে কোম্পানির প্রায় ২২ শতাংশ শেয়ারধারী। মার্কিন কোম্পানি মেরকর বড় এআই ল্যাবগুলোর মডেল ট্রেনিংয়ে সহায়তা করে।
৭. ব্রেন্ডান ফুডি

মেরকরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্রেন্ডান ফুডি। ২০২৩ সালে মেরকর প্রতিষ্ঠার পর ফুডি জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে পড়া ছেড়ে দেন। এর আগে তিনি দুটি স্টার্টআপ শুরু করেছিলেন। সেই দুটি স্টার্টআপও ছিল সফটওয়্যারভিত্তিক।
৬. সূর্য মিধা

সূর্য মিধা বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ আত্মপ্রতিষ্ঠিত শতকোটিপতি। ভারতীয় বাবা-মায়ের সন্তান সূর্য ক্যালিফোর্নিয়ার বে এরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
মিধা, ব্রেন্ডান ফুডি ও আদর্শ হিরেমাথ ২০২৫ সালের অক্টোবরে বিশ্বের তিন কনিষ্ঠ আত্মপ্রতিষ্ঠিত শতকোটিপতি হিসেবে আবির্ভূত হন। এসময় তাদের প্রতিষ্ঠান মেরকরের মূল্যায়ন হয়েছিল ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার।
৫. কিম জং-ইউন

নেক্সনের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত কিম জং-জুর কনিষ্ঠ কন্যা কিম জং-ইউন ১৭০ কোটি ডলারের মালিক। দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক কিমের বয়স ২২ বছর। দক্ষিণ কোরিয়া-জাপানভিত্তিক অনলাইন গেমিং কোম্পানি নেক্সনে তার প্রায় ৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
নেক্সন বর্তমানে ৮০টির বেশি লাইভ গেম পরিচালনা করে। এর মধ্যে আছে ম্যাপলস্টোরি, কার্টরাইডার ও ডানজিয়ন অ্যান্ড ফাইটারের মতো জনপ্রিয় গেম।
৪. ক্লেমেন্তে দেল ভেক্কিও

ইতালির নাগরিক ক্লেমেন্তে দেল ভেক্কিও মাত্র ২১ বছর বয়সে ৬৮০ কোটি ডলারের মালিক হয়েছেন। হোল্ডিং কোম্পানি ডেলফিনে তার ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ার আছে।
বিশ্বখ্যাত চশমা কোম্পানি এসিলরলাক্সোটিকায় ডেলফিনের বিনিয়োগ আছে। রে-ব্যান ও পারসোলের মতো বিখ্যাত ব্র্যান্ডের চশমা বানায় এই এসিলরলাক্সোটিকা।
৩. লিভিয়া ভয়গ্ট দে আসিস

লিভিয়া ভয়গ্ট দে আসিসের সম্পদ ১৪০ কোটি ডলার। ২১ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক মোটর কোম্পানি ডব্লিউইজির অন্যতম শেয়ারধারী। এই কোম্পানিতে তার ৩ দশমিক ১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ডব্লিউইজি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন লিভিয়ার দাদা ভের্নার রিকার্ডো ভয়গ্ট। তার সঙ্গে ছিলেন প্রয়াত বিলিয়নিয়ার এগন জোয়াও দা সিলভা ও জেরালদো ভার্নিংহাউস।
২. ইয়োহানেস ফন বাউমবাখ

জার্মান নাগরিক ইয়োহানেস ফন বাউমবাখের রয়েছে ৬৬০ কোটি ডলার। তার বয়স ২০ বছর।
জার্মানির ওষুধ কোম্পানি বোয়েরিঙ্গার ইনগেলহাইমের সর্বকনিষ্ঠ উত্তরাধিকারী ইয়োহানেস। ২০১৫ সাল থেকে কোম্পানিটির নেতৃত্বে আছেন তার পরিবারেরই একজন। এখন দায়িত্বে আছেন তার চাচা হুবার্টুস ফন বাউমবাখ।
১. অ্যামেলি ভয়গ্ট ত্রেজেস

বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী শতকোটিপতির তালিকায় প্রথমে আছেন অ্যামেলি ভয়গ্ট ত্রেজেস। বয়স ২০ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ানের রয়েছে ১১০ কোটি ডলার।
লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক মোটর কোম্পানি ডব্লিউইজির অন্যতম বৃহৎ শেয়ারধারী অ্যামেলি। ডব্লিউইজি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তার দাদা ভের্নার রিকার্ডো ভয়গ্ট। বিশ্বের ১০টির বেশি দেশে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কারখানা আছে। বছরে কোম্পানিটির আয় প্রায় ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার।

ফোর্বস তালিকায় সবচেয়ে কম বয়সী শীর্ষ ১০ বিলিয়নিয়ার
সিটিজেন ডেস্ক

২০২৬ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ‘বিলিয়নিয়ার’ বা শতকোটিপতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪২৮। ফোর্বস ম্যাগাজিনের এ তালিকায় ৩০ বছরের কম বয়সী শতকোটিপতি মানুষের সংখ্যা রেকর্ড স্পর্শ করেছে। তাদের সংখ্যা মোট ৩৫।
ওষুধের দোকান ও প্লাম্বিং সরঞ্জাম থেকে শুরু করে শেয়ারবাজারের পূর্বাভাস ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-ভিত্তিক কোডিং– এমন বিভিন্ন খাতে ব্যবসা করে তারা এই বিশাল সম্পদের মালিক হয়েছেন। দেখা গেছে, অধিকাংশই উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পদ পেলেও ১২ জন নিজের চেষ্টায় এ অবস্থানে পৌঁছেছেন। বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী আত্মপ্রতিষ্ঠিত শতকোটিপতিরা এবার প্রথমবারের মতো তালিকায় এসেছেন।
১০. পেদ্রো ভয়গ্ট ত্রেজেস

ব্রাজিলের নাগরিক পেদ্রো ভয়গ্ট ত্রেজেস ১১০ কোটি ডলারের মালিক। তার বয়স ২৩ বছর।
পেদ্রো লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক মোটর কোম্পানি ডব্লিউইজির একজন বড় শেয়ারহোল্ডার। শেয়ারধারীদের মধ্যে আছেন তার ভাই ফেলিপে ও বোন অ্যামেলি।
৯. কেভিন ডেভিড লেহম্যান

২৩ বছর বয়সী কেভিন ডেভিড লেহম্যানের রয়েছে ৪৯০ কোটি ডলার। জার্মানির এই নাগরিক উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পদের মালিক হয়েছেন।
২০১৭ সালে কেভিনের বয়স যখন মাত্র ১৪ বছর, তখন থেকে তার বাবা ধীরে ধীরে তাকে ব্যবসায় যুক্ত করেন। জার্মানির শীর্ষ ওষুধের চেইন ডিএম-ড্রোগেরি মার্ক্টের ৫০ শতাংশ শেয়ারের উত্তরাধিকারী হন কেভিন। ১৯৭৪ সালে তার বাবা প্রথম এই ব্র্যান্ডে বিনিয়োগ করেছিলেন।
৮. আদর্শ হিরেমাথ

আদর্শ হিরেমাথ ২০২৩ সালে এআইভিত্তিক স্টার্টআপ মেরকরের সহপ্রতিষ্ঠাতা হন। অন্য দুজন হলেন– সূর্য মিধা, ব্রেন্ডান ফুডি। প্রত্যেকের বয়স ২২ বছর এবং প্রত্যেকের সম্পদ ২২০ কোটি ডলার। প্রত্যেকে কোম্পানির প্রায় ২২ শতাংশ শেয়ারধারী। মার্কিন কোম্পানি মেরকর বড় এআই ল্যাবগুলোর মডেল ট্রেনিংয়ে সহায়তা করে।
৭. ব্রেন্ডান ফুডি

মেরকরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্রেন্ডান ফুডি। ২০২৩ সালে মেরকর প্রতিষ্ঠার পর ফুডি জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে পড়া ছেড়ে দেন। এর আগে তিনি দুটি স্টার্টআপ শুরু করেছিলেন। সেই দুটি স্টার্টআপও ছিল সফটওয়্যারভিত্তিক।
৬. সূর্য মিধা

সূর্য মিধা বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ আত্মপ্রতিষ্ঠিত শতকোটিপতি। ভারতীয় বাবা-মায়ের সন্তান সূর্য ক্যালিফোর্নিয়ার বে এরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
মিধা, ব্রেন্ডান ফুডি ও আদর্শ হিরেমাথ ২০২৫ সালের অক্টোবরে বিশ্বের তিন কনিষ্ঠ আত্মপ্রতিষ্ঠিত শতকোটিপতি হিসেবে আবির্ভূত হন। এসময় তাদের প্রতিষ্ঠান মেরকরের মূল্যায়ন হয়েছিল ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার।
৫. কিম জং-ইউন

নেক্সনের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত কিম জং-জুর কনিষ্ঠ কন্যা কিম জং-ইউন ১৭০ কোটি ডলারের মালিক। দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক কিমের বয়স ২২ বছর। দক্ষিণ কোরিয়া-জাপানভিত্তিক অনলাইন গেমিং কোম্পানি নেক্সনে তার প্রায় ৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
নেক্সন বর্তমানে ৮০টির বেশি লাইভ গেম পরিচালনা করে। এর মধ্যে আছে ম্যাপলস্টোরি, কার্টরাইডার ও ডানজিয়ন অ্যান্ড ফাইটারের মতো জনপ্রিয় গেম।
৪. ক্লেমেন্তে দেল ভেক্কিও

ইতালির নাগরিক ক্লেমেন্তে দেল ভেক্কিও মাত্র ২১ বছর বয়সে ৬৮০ কোটি ডলারের মালিক হয়েছেন। হোল্ডিং কোম্পানি ডেলফিনে তার ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ার আছে।
বিশ্বখ্যাত চশমা কোম্পানি এসিলরলাক্সোটিকায় ডেলফিনের বিনিয়োগ আছে। রে-ব্যান ও পারসোলের মতো বিখ্যাত ব্র্যান্ডের চশমা বানায় এই এসিলরলাক্সোটিকা।
৩. লিভিয়া ভয়গ্ট দে আসিস

লিভিয়া ভয়গ্ট দে আসিসের সম্পদ ১৪০ কোটি ডলার। ২১ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক মোটর কোম্পানি ডব্লিউইজির অন্যতম শেয়ারধারী। এই কোম্পানিতে তার ৩ দশমিক ১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ডব্লিউইজি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন লিভিয়ার দাদা ভের্নার রিকার্ডো ভয়গ্ট। তার সঙ্গে ছিলেন প্রয়াত বিলিয়নিয়ার এগন জোয়াও দা সিলভা ও জেরালদো ভার্নিংহাউস।
২. ইয়োহানেস ফন বাউমবাখ

জার্মান নাগরিক ইয়োহানেস ফন বাউমবাখের রয়েছে ৬৬০ কোটি ডলার। তার বয়স ২০ বছর।
জার্মানির ওষুধ কোম্পানি বোয়েরিঙ্গার ইনগেলহাইমের সর্বকনিষ্ঠ উত্তরাধিকারী ইয়োহানেস। ২০১৫ সাল থেকে কোম্পানিটির নেতৃত্বে আছেন তার পরিবারেরই একজন। এখন দায়িত্বে আছেন তার চাচা হুবার্টুস ফন বাউমবাখ।
১. অ্যামেলি ভয়গ্ট ত্রেজেস

বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী শতকোটিপতির তালিকায় প্রথমে আছেন অ্যামেলি ভয়গ্ট ত্রেজেস। বয়স ২০ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ানের রয়েছে ১১০ কোটি ডলার।
লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক মোটর কোম্পানি ডব্লিউইজির অন্যতম বৃহৎ শেয়ারধারী অ্যামেলি। ডব্লিউইজি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তার দাদা ভের্নার রিকার্ডো ভয়গ্ট। বিশ্বের ১০টির বেশি দেশে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কারখানা আছে। বছরে কোম্পানিটির আয় প্রায় ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার।




