মার্কিন নৌ-অবরোধের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ইরানের

মার্কিন নৌ-অবরোধের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকলে নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দেশটির উচ্চপদস্থ নিরাপত্তা সূত্র প্রেস টিভিকে জানিয়েছে, তেহরানের ধৈর্যের সীমা রয়েছে এবং ওয়াশিংটন যদি এ বেআইনি সামুদ্রিক দস্যুতা বন্ধ না করে, তবে একটি কঠোর শাস্তিমূলক জবাব দেওয়া এখন অনিবার্য। সূত্রটি আরও জানিয়েছে, ইরান সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোতে প্রমাণ করেছে যে তারা আর কোনো নিষ্ক্রিয় বা অনুমেয় প্রতিপক্ষ নয়। সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বে ইরান ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সকল সামরিক ও কৌশলগত পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিয়েছে।
নিরাপত্তা সূত্রটির দাবি, এতদিন ইরান যে কৌশলগত সংযম প্রদর্শন করেছে, তা মূলত কূটনীতিকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি থেকে সসম্মানে বেরিয়ে আসার একটি পথ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে। মার্কিন প্রশাসন যদি তাদের একগুঁয়েমি বজায় রাখে এবং ইরানের শর্তগুলো প্রত্যাখ্যান করে, তবে তারা অচিরেই এমন এক ভিন্নধর্মী প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হবে যা ওয়াশিংটন কল্পনাও করতে পারছে না। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া ইরানের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই বেশি বিপর্যয়কর হবে বলে মন্তব্য করেন ওই কর্মকর্তা । ইরানের কয়েক দশকের নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলার অভিজ্ঞতা এবং বিশাল স্থল সীমান্ত দেশটিকে যেকোনো অবরোধের মুখে অনেক বেশি সহনশীল করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এ সংঘাত ৬০ দিন অতিবাহিত হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে এবং আলোচনার টেবিলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন এই চোরাবালি থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছেন এবং পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের সাথে পুনরায় আলোচনার জন্য ব্যাক-চ্যানেল যোগাযোগ শুরু করেছেন। তবে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং মার্কিন অবরোধ সম্পূর্ণ অকার্যকর করতে তারা প্রয়োজনে চূড়ান্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দ্বিধা করবে না।
সূত্র: প্রেস টিভি

হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকলে নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দেশটির উচ্চপদস্থ নিরাপত্তা সূত্র প্রেস টিভিকে জানিয়েছে, তেহরানের ধৈর্যের সীমা রয়েছে এবং ওয়াশিংটন যদি এ বেআইনি সামুদ্রিক দস্যুতা বন্ধ না করে, তবে একটি কঠোর শাস্তিমূলক জবাব দেওয়া এখন অনিবার্য। সূত্রটি আরও জানিয়েছে, ইরান সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোতে প্রমাণ করেছে যে তারা আর কোনো নিষ্ক্রিয় বা অনুমেয় প্রতিপক্ষ নয়। সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বে ইরান ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সকল সামরিক ও কৌশলগত পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিয়েছে।
নিরাপত্তা সূত্রটির দাবি, এতদিন ইরান যে কৌশলগত সংযম প্রদর্শন করেছে, তা মূলত কূটনীতিকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি থেকে সসম্মানে বেরিয়ে আসার একটি পথ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে। মার্কিন প্রশাসন যদি তাদের একগুঁয়েমি বজায় রাখে এবং ইরানের শর্তগুলো প্রত্যাখ্যান করে, তবে তারা অচিরেই এমন এক ভিন্নধর্মী প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হবে যা ওয়াশিংটন কল্পনাও করতে পারছে না। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া ইরানের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই বেশি বিপর্যয়কর হবে বলে মন্তব্য করেন ওই কর্মকর্তা । ইরানের কয়েক দশকের নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলার অভিজ্ঞতা এবং বিশাল স্থল সীমান্ত দেশটিকে যেকোনো অবরোধের মুখে অনেক বেশি সহনশীল করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এ সংঘাত ৬০ দিন অতিবাহিত হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে এবং আলোচনার টেবিলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন এই চোরাবালি থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছেন এবং পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের সাথে পুনরায় আলোচনার জন্য ব্যাক-চ্যানেল যোগাযোগ শুরু করেছেন। তবে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং মার্কিন অবরোধ সম্পূর্ণ অকার্যকর করতে তারা প্রয়োজনে চূড়ান্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দ্বিধা করবে না।
সূত্র: প্রেস টিভি

মার্কিন নৌ-অবরোধের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকলে নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দেশটির উচ্চপদস্থ নিরাপত্তা সূত্র প্রেস টিভিকে জানিয়েছে, তেহরানের ধৈর্যের সীমা রয়েছে এবং ওয়াশিংটন যদি এ বেআইনি সামুদ্রিক দস্যুতা বন্ধ না করে, তবে একটি কঠোর শাস্তিমূলক জবাব দেওয়া এখন অনিবার্য। সূত্রটি আরও জানিয়েছে, ইরান সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোতে প্রমাণ করেছে যে তারা আর কোনো নিষ্ক্রিয় বা অনুমেয় প্রতিপক্ষ নয়। সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বে ইরান ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সকল সামরিক ও কৌশলগত পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিয়েছে।
নিরাপত্তা সূত্রটির দাবি, এতদিন ইরান যে কৌশলগত সংযম প্রদর্শন করেছে, তা মূলত কূটনীতিকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি থেকে সসম্মানে বেরিয়ে আসার একটি পথ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে। মার্কিন প্রশাসন যদি তাদের একগুঁয়েমি বজায় রাখে এবং ইরানের শর্তগুলো প্রত্যাখ্যান করে, তবে তারা অচিরেই এমন এক ভিন্নধর্মী প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হবে যা ওয়াশিংটন কল্পনাও করতে পারছে না। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া ইরানের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই বেশি বিপর্যয়কর হবে বলে মন্তব্য করেন ওই কর্মকর্তা । ইরানের কয়েক দশকের নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলার অভিজ্ঞতা এবং বিশাল স্থল সীমান্ত দেশটিকে যেকোনো অবরোধের মুখে অনেক বেশি সহনশীল করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এ সংঘাত ৬০ দিন অতিবাহিত হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে এবং আলোচনার টেবিলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন এই চোরাবালি থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছেন এবং পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের সাথে পুনরায় আলোচনার জন্য ব্যাক-চ্যানেল যোগাযোগ শুরু করেছেন। তবে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং মার্কিন অবরোধ সম্পূর্ণ অকার্যকর করতে তারা প্রয়োজনে চূড়ান্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দ্বিধা করবে না।
সূত্র: প্রেস টিভি

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২৫ বিলিয়ন ডলার
ইরানে হামলার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি ট্রাম্পের


