পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নির্মাণে জোর দেওয়ার আহ্বান

পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নির্মাণে জোর দেওয়ার আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে কম-কার্বন নিঃসরণকারী টেকসই নির্মাণের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ নিজের পরিবেশের জন্য উপযোগী প্রযুক্তি ব্যবহার করেই ভবন নির্মাণ করবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার গণপূর্ত অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত একটি কারিগরি সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। জাতিসংঘ প্রকল্প সেবা কার্যালয় ও জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির সহায়তায় গণপূর্ত অধিদপ্তর যৌথভাবে গণপূর্ত মিলনায়তনে এই সেমিনারের আয়োজন করে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
‘টেকসই উপকরণের মাধ্যমে নির্মিত পরিবেশের রূপান্তর’ শীর্ষক উদ্যোগের আওতায় এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষক ও নির্মাণখাতের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। তারা কম-কার্বন নিঃসরণকারণী ভবন নির্মাণের চর্চা সৃষ্টি, পরিবেশবান্ধব উপকরণ এবং ভবনের জীবনচক্রে কার্বন কমানোর পদ্ধতি কীভাবে বাংলাদেশে প্রয়োগ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন।
সেমিনারে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে শক্তিশালী নীতি প্রণয়ন, পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার, সবুজ ক্রয়নীতি এবং কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী। তিনি তার বক্তব্যে পরিবেশবান্ধব ও কম-কার্বনভিত্তিক নির্মাণ খাত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
সেমিনা্র একটি উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর ও আলোচনা পর্বের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে সরকারি, বেসরকারি ও নির্মাণ খাতের বিশেষজ্ঞরা টেকসই উপকরণ, কার্বনমুক্ত উপাদানের ব্যবহার এবং বাংলাদেশে এসব পদ্ধতি প্রয়োগের বিষয়ে তাঁদের মতামত প্রকাশ করেন।

বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে কম-কার্বন নিঃসরণকারী টেকসই নির্মাণের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ নিজের পরিবেশের জন্য উপযোগী প্রযুক্তি ব্যবহার করেই ভবন নির্মাণ করবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার গণপূর্ত অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত একটি কারিগরি সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। জাতিসংঘ প্রকল্প সেবা কার্যালয় ও জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির সহায়তায় গণপূর্ত অধিদপ্তর যৌথভাবে গণপূর্ত মিলনায়তনে এই সেমিনারের আয়োজন করে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
‘টেকসই উপকরণের মাধ্যমে নির্মিত পরিবেশের রূপান্তর’ শীর্ষক উদ্যোগের আওতায় এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষক ও নির্মাণখাতের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। তারা কম-কার্বন নিঃসরণকারণী ভবন নির্মাণের চর্চা সৃষ্টি, পরিবেশবান্ধব উপকরণ এবং ভবনের জীবনচক্রে কার্বন কমানোর পদ্ধতি কীভাবে বাংলাদেশে প্রয়োগ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন।
সেমিনারে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে শক্তিশালী নীতি প্রণয়ন, পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার, সবুজ ক্রয়নীতি এবং কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী। তিনি তার বক্তব্যে পরিবেশবান্ধব ও কম-কার্বনভিত্তিক নির্মাণ খাত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
সেমিনা্র একটি উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর ও আলোচনা পর্বের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে সরকারি, বেসরকারি ও নির্মাণ খাতের বিশেষজ্ঞরা টেকসই উপকরণ, কার্বনমুক্ত উপাদানের ব্যবহার এবং বাংলাদেশে এসব পদ্ধতি প্রয়োগের বিষয়ে তাঁদের মতামত প্রকাশ করেন।

পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নির্মাণে জোর দেওয়ার আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে কম-কার্বন নিঃসরণকারী টেকসই নির্মাণের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ নিজের পরিবেশের জন্য উপযোগী প্রযুক্তি ব্যবহার করেই ভবন নির্মাণ করবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার গণপূর্ত অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত একটি কারিগরি সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। জাতিসংঘ প্রকল্প সেবা কার্যালয় ও জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির সহায়তায় গণপূর্ত অধিদপ্তর যৌথভাবে গণপূর্ত মিলনায়তনে এই সেমিনারের আয়োজন করে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
‘টেকসই উপকরণের মাধ্যমে নির্মিত পরিবেশের রূপান্তর’ শীর্ষক উদ্যোগের আওতায় এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষক ও নির্মাণখাতের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। তারা কম-কার্বন নিঃসরণকারণী ভবন নির্মাণের চর্চা সৃষ্টি, পরিবেশবান্ধব উপকরণ এবং ভবনের জীবনচক্রে কার্বন কমানোর পদ্ধতি কীভাবে বাংলাদেশে প্রয়োগ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন।
সেমিনারে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে শক্তিশালী নীতি প্রণয়ন, পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার, সবুজ ক্রয়নীতি এবং কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী। তিনি তার বক্তব্যে পরিবেশবান্ধব ও কম-কার্বনভিত্তিক নির্মাণ খাত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
সেমিনা্র একটি উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর ও আলোচনা পর্বের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে সরকারি, বেসরকারি ও নির্মাণ খাতের বিশেষজ্ঞরা টেকসই উপকরণ, কার্বনমুক্ত উপাদানের ব্যবহার এবং বাংলাদেশে এসব পদ্ধতি প্রয়োগের বিষয়ে তাঁদের মতামত প্রকাশ করেন।








